টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে লুকিয়ে আছে এক অসাধারণ স্থাপত্য — মোকনা জমিদার বাড়ি। টাঙ্গাইল জেলার প্রাচীন জমিদার বাড়িগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। দ্বিতল ভবনের গায়ে ফুল, লতাপাতার কারুকার্য আজও মুগ্ধ করে। নদী পার হয়ে পৌঁছানোর রোমাঞ্চ ভ্রমণটাকে আরও মজাদার করে তোলে।
- প্রবেশ ফি: বিনামূল্যে
- অবস্থান: মোকনা, মামুদনগর ইউনিয়ন, নাগরপুর, টাঙ্গাইল
- বিশেষত্ব: দ্বিতল ভবন, ফুল-লতার কারুকার্য
- ঢাকা থেকে দূরত্ব: প্রায় ৭০–৮০ কিমি
- সেরা সময়: সকাল ৯টা – বিকেল ৪টা
কেন মোকনা জমিদার বাড়ি দেখবেন
টাঙ্গাইলের জমিদারি ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী এই বাড়ি। কালের বিবর্তনে কিছুটা জীর্ণ হলেও ভবনের কারুকাজ এখনও চোখে পড়ার মতো। ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে যাওয়ার পথে নদীর দৃশ্য আলাদা আনন্দ দেয়। নাগরপুর জমিদার বাড়ির সাথে একই দিনে দুটো জায়গাই ঘুরে দেখা যায়।
কীভাবে যাবেন মোকনা জমিদার বাড়ি
টাঙ্গাইল বা ধনবাড়ীগামী বাসে টাঙ্গাইল। ভাড়া ১৮০–২৫০ টাকা।
সিএনজি বা বাসে নাগরপুর উপজেলা।
মামুদনগর ইউনিয়নে ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে মোকনা জমিদার বাড়ি।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
টাঙ্গাইল শহর
হোটেল আল ফয়সাল, হোটেল প্রিন্স, ব্যুরো হোটেল ৮০০–২,০০০৳/রাত
নাগরপুর বাজার
হালকা চা-নাস্তার দোকান
বাজেট ও খরচ
মোকনা জমিদার বাড়ি ও নাগরপুর জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি) একসাথে দেখুন — দুটো একই এলাকায়। টাঙ্গাইলের বিখ্যাত পোড়াবাড়ির চমচম খেতে ভুলবেন না।
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মোকনা জমিদার বাড়ি ঢাকা থেকে দিনে ঘুরে আসা যায়?
হ্যাঁ, সকালে রওনা দিলে সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকা ফিরতে পারবেন।
নৌকায় ধলেশ্বরী পার হওয়া কি নিরাপদ?
সাধারণত নিরাপদ, তবে বর্ষায় নদী উত্তাল থাকলে সতর্ক থাকুন।
নাগরপুর থেকে কত দূরে মোকনা জমিদার বাড়ি?
নাগরপুর থেকে নদী পার হয়ে কয়েক কিলোমিটার — সিএনজি ও নৌকা মিলিয়ে ৩০–৪৫ মিনিট।

