গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে মুকসুদপুরে রয়েছে উজানী রাজবাড়ী (Ujani Palace) একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপত্য নিদর্শন। কীভাবে যাবেনঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে পলাশ, ইমাদ, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, গোল্ডেন লাইন, গ্রিনলাইন, কমফর্ট, রাজধানী কিংবা বিআরটিসির বাসে গোপালগঞ্জ পৌঁছানো যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

উজানী রাজবাড়ী সম্পর্কে
যদিও জমিদারী প্রথার সাক্ষী হিসেবে রাজবাড়িটি টিকে থাকলেও যথাযথ সংস্কারের অভাবে এই স্থাপনার সৌন্দর্য বিলুপ্তির পথে। শহরের বঙ্গবন্ধু রোডের কাছে লেক ভিউ ক্যাফে, ভুতের বাড়ি, বারবিকিউ টুনাইট বা এফএনএফ রেস্তোরাঁে নিজের পছন্দের খাবার খেতে পারবেন। ব্রিটিশ শাসনামলে যশোর জেলা থেকে গোবিন্দ ও সুর নারায়ণ নামের দুই জমিদার গোপালগঞ্জের উজানী গ্রামে বসতি স্থাপন করেন।
জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির সাথে সাথে জমিদার ও তাদের উত্তরসূরিরা ভারতে চলে গেলেও সুর নারায়ণের বংশধররা এখনো এই উজানী জমিদার বাড়ীতে বসবাস করছেন। প্রাসাদ ব্যতীত উজানী রাজবাড়ীতে আরও আছে বৈঠকখানা, পুকুরের ঘাট, মঠ ও মন্দির। কোথায় থাকবেনগোপালগঞ্জ শহরে হোটেল মধুমতি, হোটেল রানা, পলাশ গেস্ট হাউজ, হোটেল শিমুল, হোটেল সোহাগ, হোটেল রিফাত ও হোটেল জিমি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে।
এখন কারুকার্যখচিত উজানী রাজবাড়ীর পুরনো পাঁচিল, মন্দির ও টেরাকোটা ঘেরা মঠের ছাদ প্রায় ভেঙ্গে গিয়েছে এবং জমিদার বাড়ীর সাথে রয়েছে কষ্টিপাথরের কালীমন্দির ও বিশাল দীঘি সংস্কারের অভাবে বিলুপ্তপ্রায়। কোথায় খাবেনগোপালগঞ্জ শহরে বাঙ্গালী খাবারের পাশাপাশি ফাস্টফুড ও চাইনিজ খাবারের রেস্তোরাঁ রয়েছে। পরবর্তীতে তারা তেলিহাটি পরগনার প্রায় ৫০ হেক্টর অঞ্চল নিয়ে জমিদারী প্রথা চালু করেন এবং জমিদারী কাজের জন্য কয়েকটি দ্বিতল ও ত্রিতল প্রাসাদ নির্মাণ করেন।
তৎকালীন সময়ে উজানী জমিদারের মোট ৭টি জমিদারী ছিল। মুকসুদপুর উপজেলা থেকে উজানী রাজবাড়ীর দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। কালের বিবর্তনে রাজবাড়ীর প্রাচীন শিল্প নিদর্শনগুলো বহুাংশে হারিয়ে গেছে।
সে পরিকল্পনার অংশ হিসাবে উজানিতে কারুকার্যখচিত জমিদার বাড়ি নির্মাণ করা হয়, যা এখন উজানী রাজবাড়ী হিসেবে পরিচিত। উজানী জমিদার বাড়ির অদূরে মহাটালি গ্রামে আরেকটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি রয়েছে। এসব এসি/নন-এসি বাসে শ্রেণিভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০-৯০০ টাকা।
গোপালগঞ্জের পুলিশ লাইন বা ঘোনাপাড়ায় বাস থেকে নেমে অন্য আরেকটি বাস/ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকে/ভ্যান/নসিমনে উজানী বাজারের দক্ষিণ দিকে রয়েছে উজানী রাজবাড়ী পৌঁছাতে পারবেন। গোপালগঞ্জের দর্শনীয় জায়গাগোপালগঞ্জের দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ, বিট রুট ক্যানেল, আড়পাড়া মুন্সিবাড়ি, শেখ রাসেল শিশু পার্ক ও লাল শাপলার বিল প্রভৃতি।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে পলাশ, ইমাদ, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, গোল্ডেন লাইন, গ্রিনলাইন, কমফর্ট, রাজধানী কিংবা বিআরটিসির বাসে গোপালগঞ্জ পৌঁছানো যায়।
এসব এসি/নন-এসি বাসে শ্রেণিভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০-৯০০ টাকা।
মুকসুদপুর উপজেলা থেকে উজানী রাজবাড়ীর দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার।
গোপালগঞ্জের পুলিশ লাইন বা ঘোনাপাড়ায় বাস থেকে নেমে অন্য আরেকটি বাস/ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকে/ভ্যান/নসিমনে উজানী বাজারের দক্ষিণ দিকে রয়েছে উজানী রাজবাড়ী পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
গোপালগঞ্জ শহরে হোটেল মধুমতি, হোটেল রানা, পলাশ গেস্ট হাউজ, হোটেল শিমুল, হোটেল সোহাগ, হোটেল রিফাত ও হোটেল জিমি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
গোপালগঞ্জ শহরে বাঙ্গালী খাবারের পাশাপাশি ফাস্টফুড ও চাইনিজ খাবারের রেস্তোরাঁ রয়েছে। শহরের বঙ্গবন্ধু রোডের কাছে লেক ভিউ ক্যাফে, ভুতের বাড়ি, বারবিকিউ টুনাইট বা এফএনএফ রেস্তোরাঁে নিজের পছন্দের খাবার খেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
উজানী রাজবাড়ী কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে পলাশ, ইমাদ, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, গোল্ডেন লাইন, গ্রিনলাইন, কমফর্ট, রাজধানী কিংবা বিআরটিসির বাসে গোপালগঞ্জ পৌঁছানো যায়। এসব এসি/নন-এসি বাসে শ্রেণিভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০-৯০০ টাকা। মুকসুদপুর উপজেলা থেকে উজানী রাজবাড়ীর দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। গোপালগঞ্জের প
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
গোপালগঞ্জ শহরে হোটেল মধুমতি, হোটেল রানা, পলাশ গেস্ট হাউজ, হোটেল শিমুল, হোটেল সোহাগ, হোটেল রিফাত ও হোটেল জিমি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে।
উজানী রাজবাড়ী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে মুকসুদপুরে রয়েছে উজানী রাজবাড়ী (Ujani Palace) একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপত্য নিদর্শন। কীভাবে যাবেনঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে পলাশ, ইমাদ, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, গোল্ডেন লাইন, গ্রিনলাইন, কমফর্ট, রাজধানী কিংবা বিআরটিসির বাসে গোপালগঞ্জ পৌঁছানো য
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
