- অবস্থান: ভাগ্যকুল বাজার, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ
- বিশেষত্ব: সন্দেশ, ছানা, চমচম, ঘোল
- সেরা সময়: সারা বছর
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি
পদ্মার তীরে মিষ্টির রাজ্য
ভাগ্যকুলের মিষ্টির কথা বললে মুন্সীগঞ্জের মানুষ গর্বে বুক ফুলিয়ে ওঠেন। শ্রীনগর উপজেলার এই ছোট্ট বাজারটি সারা বাংলাদেশে পরিচিত একটাই কারণে — এখানকার সন্দেশ, ছানা, চমচম আর ঘোলের স্বাদ অতুলনীয়। পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই বাজারে দোকানের পর দোকানে সাজানো রঙিন মিষ্টির পসরা।
কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান থেকে দোহারগামী বাসে বালাসুর নামুন। ভাড়া ৫০–৮০৳।
বালাসুর থেকে রিকশা বা সিএনজিতে পদ্মার তীরে ভাগ্যকুল বাজার। ভাড়া ৩০–৫০৳।
কী কিনবেন ও খাবেন
ভাগ্যকুলে এসে অবশ্যই ট্রাই করুন: সন্দেশ (বিভিন্ন ধরনের), ছানার মিষ্টি, চমচম এবং তাজা ঘোল। এখানকার সন্দেশের বিশেষত্ব হলো একটু নরম আর দুধের স্বাদ বেশি। বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থাও আছে।
আশেপাশে কী দেখবেন
পদ্মা নদীর ঘাট
সূর্যাস্ত দেখার অসাধারণ স্থান
ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি
কাছেই যদুনাথ সাহার ঐতিহাসিক বাড়ি
আড়িয়াল বিল
মৌসুমে বিশাল বিলের প্রাকৃতিক দৃশ্য
বাজেট পরিকল্পনা
ভাগ্যকুলের মিষ্টি সকালে তাজা থাকে। বেলা বাড়লে কিছু পদ শেষ হয়ে যায়, তাই সকাল সকাল পৌঁছান।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ভাগ্যকুলের সবচেয়ে বিখ্যাত মিষ্টি কোনটা?
ভাগ্যকুলের সন্দেশ ও ঘোল সবচেয়ে বিখ্যাত। তবে চমচম ও ছানার মিষ্টিও অসাধারণ।
মিষ্টি কি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া যায়?
হ্যাঁ, দোকানিরা বক্সে প্যাক করে দেন। তবে ঘোল তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় — একই দিনে খাওয়াই ভালো।
ঢাকা থেকে কতদূর?
মাত্র ৩৫ কিমি। ঘণ্টা দেড়েকেই পৌঁছে যাওয়া যায়।
