- অবস্থান: দোসরপাড়া গ্রাম, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ
- পরিচিতি: লালনের বাউল আশ্রম
- নির্মাতা: ফটোসাংবাদিক কবির হোসেন
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ২৫ কিমি
লালনের প্রেমে গড়া এক বিরল আশ্রম
ফকির লালন শাহের পদধূলি এখানে পড়েনি, কিন্তু তাঁর প্রতি গভীর ভক্তি নিয়ে প্রথম আলো পত্রিকার ফটোসাংবাদিক কবির হোসেন সিরাজদিখানের দোসরপাড়া গ্রামে গড়ে তুলেছেন পদ্মহেম ধাম। নৈসর্গিক পরিবেশে তৈরি এই আশ্রমটি এখন বাউল সংস্কৃতির একটি জীবন্ত কেন্দ্র।
কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে মুন্সীগঞ্জ। ভাড়া ৬০–৯০৳।
মুন্সীগঞ্জ সদর থেকে বাইক বা সিএনজিতে সিরাজদিখান হয়ে দোসরপাড়া গ্রাম।
আশ্রমে কী দেখবেন
পদ্মহেম ধামে লালনের মূর্তি, বাউল সংগীতের সংগ্রহ, বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও নৈসর্গিক গ্রামীণ পরিবেশ দেখা যায়। আশ্রমের ভেতরে বসে শান্তিতে সময় কাটানো যায়। মাঝেমধ্যে বাউল সন্ধ্যাও আয়োজন হয়।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
আশ্রমে খাওয়ার হোটেল
সাধারণ দেশীয় খাবার
মুন্সীগঞ্জ শহরে হোটেল
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
পদ্মহেম ধামের ভেতরে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জ শহরে রিভার ভিউ ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলে ভালো খাবার পাবেন।
বাজেট পরিকল্পনা
পদ্মহেম ধামে যাওয়ার আগে ফোনে যোগাযোগ করুন — বাউল সন্ধ্যার সময়সূচি জেনে নিলে বাড়তি আনন্দ পাবেন।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পদ্মহেম ধাম কি শুধু বাউলদের জায়গা?
না, সবার জন্য উন্মুক্ত। লালন ভক্ত ও সংস্কৃতিপ্রেমী যে কেউ যেতে পারেন।
আশ্রমে কি থাকার ব্যবস্থা আছে?
সাধারণ থাকার ব্যবস্থা হতে পারে। আগে যোগাযোগ করে জেনে নিন।
ঢাকা থেকে একদিনে যাওয়া-আসা সম্ভব?
হ্যাঁ, মুন্সীগঞ্জ ঢাকার খুব কাছে। দিনে দিনে ফেরা সম্ভব।