- অবস্থান: সোনারং গ্রাম, টঙ্গীবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ
- নির্মাণকাল: ১৮শ শতক
- ধরন: জোড়া মন্দির (মঠ নামে পরিচিত)
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি
দুইশ বছরের পুরনো জোড়া মন্দির
মুন্সীগঞ্জ জেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামে আছে বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর এক অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন — সোনারং জোড়া মঠ। নাম মঠ হলেও এটি আসলে দুটো মন্দির পাশাপাশি। দুটো মন্দির একসাথে একই স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি হওয়ায় একে জোড়া মঠ বলা হয়।
কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে শ্রীনগর বা টঙ্গীবাড়ী। ভাড়া ৬০–৯০৳।
শ্রীনগর বা টঙ্গীবাড়ী থেকে রিকশা বা সিএনজিতে সোনারং গ্রাম। ভাড়া ৩০–৫০৳।
মঠে কী দেখবেন
সোনারং জোড়া মঠ দেখলে চোখ আটকে যায় এর অনন্য নির্মাণশৈলীতে। দুটো মন্দির একই উচ্চতায় একই ধরনের শিখর নিয়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। মন্দিরের দেয়ালে পোড়ামাটির নকশা এবং ইটের কারুকাজ দেখার মতো।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
মুন্সীগঞ্জ শহরে হোটেল
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
শ্রীনগরে সাধারণ আবাসিক
সিঙ্গেল ৩০০–৫০০৳
সোনারং যাওয়ার পথে হালকা খাবারের দোকান পাবেন। ভালো খাওয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ শহরে রিভার ভিউ বা মারিয়া ফুড ক্যাফেতে যান।
বাজেট পরিকল্পনা
মুন্সীগঞ্জ এলে একদিনে সোনারং জোড়া মঠ, বাবা আদম মসজিদ ও ইদ্রাকপুর দুর্গ একসাথে দেখার পরিকল্পনা করুন।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সোনারং জোড়া মঠ কি সংরক্ষিত?
হ্যাঁ, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তালিকাভুক্ত এবং আংশিকভাবে সংরক্ষিত।
মঠ দুটোর মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে?
দুটো মন্দির আকারে সামান্য ভিন্ন — একটি বড়, একটি ছোট।
ঢাকা থেকে একদিনে যাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, সকালে রওনা দিলে বিকেলেই ফিরে আসা যায়।