ঝিনাইদহ জেলা সদর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে মুরারীদহ গ্রামে রয়েছে মিয়ার দালান (Miyar Dalan) একটা ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় জায়গা। মিয়ার দালানের দেয়ালের ইতিহাস-সমৃদ্ধ লেখাটি হচ্ছে:শ্রী শ্রী রাম মুরারীদহ গ্রাম ধাম, বিবি আশরাফুন্নেসা নাম, কি কহিব হুরির বাখান।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

মিয়ার দালান সম্পর্কে
আর এই খেজুর গাছটির ১২টির বেশি চূঁড়া ছিল, যার প্রতিটি চূঁড়া থেকেই রস আহরণ করা যেত। এসি/নন-এসি বাসের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা। এছাড়া মিয়ার দালানকে বিশেষত পরিচিত করেছিল এখানে থাকা একটা খেজুর গাছ।
এদেশে কাহার সাধ্য বাধিয়া জলমাঝে কমল সমান। কলিকাতার রাজ চন্দ্র রাজ, ১২২৯ সালে শুরম্ন করি কাজ ১২৩৬ সালে সমাপ্ত দালান। এদের মধ্যে হোটেল ড্রীম ইন্টারন্যাশনালের এসি/নন-এসি রুমে প্রতি রাত থাকতে ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ করতে হবে।
১২৩৬ বঙ্গাব্দে জমিদার কতৃক নির্মিত মিয়ার দালানটি ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় সেলিম চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। আর হোটেল কুটুমে থাকতে গুনতে হবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। মিয়ার দালানের দেয়ালে কাব্যিক ভাবে নির্মাতা, নির্মাণের ব্যয় এবং অন্যান্য তথ্য লেখা রয়েছে।
মিয়ার দালান থেকে নবগঙ্গা নদীর তলদেশ দিয়ে একটা সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল, যার প্রবেশমুখ বর্তমান সময়েও চিহ্নিত করা যায়।
কোথায় থাকবেন
ঝিনাইদহে থাকার জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, জেআর, সোনার তরী, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স এবং এসবি পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে চড়ে ঝিনাইদহ যাওয়া যায়। নবগঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মিয়ার দালানের মত নির্মিত ঐতিহ্যবাহী কোন স্থাপনা ঝিনাইদহে আর দ্বিতীয়টি দেখতে পাওয়া যায় না। ঝিনাইদহ সদর থেকে ভ্যান, রিক্সা বা অটোরিক্সায় সহজেই ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে মিয়ার দালান দেখতে যাওয়া যায়।
ইন্দ্রের অমরাপুর নবগঙ্গার উত্তর ধার, ৭৫০০০ টাকায় করিলাম নির্মাণ। তাই জায়গাীয়ভাবে বহুের কাছেই এটি সেলিম চৌধুরীর বাড়ি হিসাবেও পরিচিত।
কোথায় খাবেন
ঝিনাইদহ শহরে আহার, ফুড সাফারী, সুইট, ঘরোয়া ইত্যাদি রেস্তোরাঁে প্রয়োজনীয় খাবারের পাশাপাশি ঘোষ এর মিষ্টি, পায়রা চত্ত্বরের ছানা ও ছানার জিলাপী খেয়ে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, জেআর, সোনার তরী, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স এবং এসবি পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে চড়ে ঝিনাইদহ যাওয়া যায়।
এসি/নন-এসি বাসের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা।
ঝিনাইদহ সদর থেকে ভ্যান, রিক্সা বা অটোরিক্সায় সহজেই ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে মিয়ার দালান দেখতে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহে থাকার জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল ড্রীম ইন্টারন্যাশনালের এসি/নন-এসি রুমে প্রতি রাত থাকতে ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। আর হোটেল কুটুমে থাকতে গুনতে হবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা।
কোথায় খাবেন?
ঝিনাইদহ শহরে আহার, ফুড সাফারী, সুইট, ঘরোয়া ইত্যাদি রেস্তোরাঁে প্রয়োজনীয় খাবারের পাশাপাশি ঘোষ এর মিষ্টি, পায়রা চত্ত্বরের ছানা ও ছানার জিলাপী খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মিয়ার দালান কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, জেআর, সোনার তরী, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স এবং এসবি পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে চড়ে ঝিনাইদহ যাওয়া যায়। এসি/নন-এসি বাসের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা। ঝিনাইদহ সদর থেকে ভ্যান, রিক্সা বা অটোরিক্সায় সহজেই ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে মিয়ার দালান দেখতে যাওয়া যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহে থাকার জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল ড্রীম ইন্টারন্যাশনালের এসি/নন-এসি রুমে প্রতি রাত থাকতে ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। আর হোটেল কুটুমে থাকতে গুনতে হবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা।
মিয়ার দালান সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঝিনাইদহ জেলা সদর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে মুরারীদহ গ্রামে রয়েছে মিয়ার দালান (Miyar Dalan) একটা ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় জায়গা। মিয়ার দালানের দেয়ালের ইতিহাস-সমৃদ্ধ লেখাটি হচ্ছে:শ্রী শ্রী রাম মুরারীদহ গ্রাম ধাম, বিবি আশরাফুন্নেসা নাম, কি কহিব হুরির বাখান। আর এই খেজুর গাছটির ১২টির বেশি চূঁড়া ছিল, যার প্
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
