১৯৯৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলার শহরের শিববাড়ী মোড় সংলগ্ন পাবলিক হলের পাশে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর (Khulna Divisional Museum) প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে বুধবার ছাড়া সপ্তাহের অন্য ৬ দিন সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে আন্তঃনগর চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেন যশোর অভিমুখে যাত্রা করে এবং চিত্রা এক্সপ্রেস নামে অন্য একটা আন্তঃনগর ট্রেন রবিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে, বেনাপোল এক্সপ্রেস বুধবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন রাত ১১ঃ৪৫ মিনিটে ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস সোমবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোরের জন্য যাত্রা করে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: গ্রীষ্মকালীন সময়ে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। প্রতি সপ্তাহের রবি ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন জাদুঘরটি বন্ধ থাকে। খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে টিকিট মূল্

খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর সম্পর্কে
আর শীতকালে খোলা থাকে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। যশোরের ভরত ভায়ানা, ঝিনাইদহের বারবাজার ও বাগেরহাটের খান জাহান আলী সমাধী সৌধের মতো নানা জায়গা খননের ফলে প্রাপ্ত দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে। এছাড়া সপ্তাহের প্রতি সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত থাকে।
বাসভেদে ভাড়া লাগবে ৬৫০-১৪০০ টাকা। বেসরকারি হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য। আর সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য টিকিট মূল্য ৫০ এবং অন্যান্য দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য টিকিট মূল্য ১০০ টাকা।
শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৪১০-১,৯২৭ টাকা। আর নৌপথে প্রতি বুধবার পি এস মাহসুদ বা পি এস অস্ট্রিচের মতো স্টিমার ঢাকা থেকে মোংলা হয়ে খুলনাতে যাতায়াত করে। ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা ও গ্রিন লাইনের মতো বাসে খুলনা যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেনখুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে। এখন খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের নানা ঐতিহ্যবাহী জায়গা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন স্থাপনার আলোকচিত্র এই জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ।
১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি থাকে। তাছাড়া খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে গুপ্ত, পাল, সেন, মোঘল ও ব্রিটিশ আমলের বিচিত্র ধরনের পুরাকীর্তির নিদর্শন, পোড়ামাটি,কস্টি পাথর ও কালো পাথরের মূর্তি, মোঘল আমলের স্বর্ণ ও রূপার মুদ্রা, তামা, লোহা, পিতল, মাটি ও কাচের তৈজসপত্র, নানা ধাতুর তৈরি খেলনা, অস্ত্র ও ব্যবহার সামগ্রী, ক্যালিগ্রাফি ও খুলনা বিভাগের নানা এলাকাের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাচীন সংস্কৃতির বিচিত্র নিদর্শন প্রদর্শনের জন্য রাখা আছে। খুলনা শহর থেকে বিভাগীয় জাদুঘরের দূরত্ব কেবল ৪ কিলোমিটার।
কোথায় খাবেনখুলনা শহরের শিববাড়ী মোড়ে বেশকিছু ভালো রেস্তোরাঁ আছে। বাসে খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে নেমে জায়গাীয় পরিবহণে শিববাড়ী ট্রাফিক মোড়ের মাজিদ সরণিতে জিয়া হলের সামনে খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর দেখতে যেতে পারবেন। খুলনা শহরে খাবারের মধ্যে সন্দেশ, ১ টাকার পুরি, কাচ্চি বিরিয়ানি ও গলদা চিংড়ি প্রসিদ্ধ।
প্রবেশমূল্য ও সময়সীমাগ্রীষ্মকালীন সময়ে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। ঢাকা থেকে ট্রেন, বাস বা লঞ্চে খুলনা যাওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
খুলনার বিভাগীয় জাদুঘরে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে আসতে হবে। খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে টিকিট মূল্য ২০ টাকা, পাঁচ বছরের নীচের বাচ্চাদের জন্য ৫ টাকা। প্রতি সপ্তাহের রবি ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন জাদুঘরটি বন্ধ থাকে।
অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাখুলনার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা মধ্যে বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড, শহীদ হাদিস পার্ক, করমজল পর্যটন কেন্দ্র, চমৎকারবন ও কটকা সমুদ্র সৈকত উল্লেখযোগ্য।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
গ্রীষ্মকালীন সময়ে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। প্রতি সপ্তাহের রবি ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন জাদুঘরটি বন্ধ থাকে। খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে টিকিট মূল্য ২০ টাকা, পাঁচ বছরের নীচের বাচ্চাদের জন্য ৫ টাকা। এছাড়া সপ্তাহের প্রতি সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত থাকে। ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি থাকে। আর শীতকালে খোলা থাকে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। আর সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য টিকিট মূল্য ৫০ এবং অন্যান্য দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য টিকিট মূল্য ১০০ টাকা।
কীভাবে যাবেন?
খুলনার বিভাগীয় জাদুঘরে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে আসতে হবে।
শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৪১০-১,৯২৭ টাকা।
ঢাকা থেকে ট্রেন, বাস বা লঞ্চে খুলনা যাওয়া যায়।
ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা ও গ্রিন লাইনের মতো বাসে খুলনা যেতে পারবেন।
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে বুধবার ছাড়া সপ্তাহের অন্য ৬ দিন সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে আন্তঃনগর চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেন যশোর অভিমুখে যাত্রা করে এবং চিত্রা এক্সপ্রেস নামে অন্য একটা আন্তঃনগর ট্রেন রবিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে, বেনাপোল এক্সপ্রেস বুধবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন রাত ১১ঃ৪৫ মিনিটে ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস সোমবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোরের জন্য যাত্রা করে।
বাসে খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে নেমে জায়গাীয় পরিবহণে শিববাড়ী ট্রাফিক মোড়ের মাজিদ সরণিতে জিয়া হলের সামনে খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
খুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে। বেসরকারি হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
খুলনা শহরের শিববাড়ী মোড়ে বেশকিছু ভালো রেস্তোরাঁ আছে। খুলনা শহরে খাবারের মধ্যে সন্দেশ, ১ টাকার পুরি, কাচ্চি বিরিয়ানি ও গলদা চিংড়ি প্রসিদ্ধ।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর-এ প্রবেশ মূল্য কত?
গ্রীষ্মকালীন সময়ে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। প্রতি সপ্তাহের রবি ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন জাদুঘরটি বন্ধ থাকে। খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে টিকিট মূল্য ২০ টাকা, পাঁচ বছরের নীচের বাচ্চাদের জন্য ৫ টাকা। এছাড়া সপ্তাহের প্রতি সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য জাদু
খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর কীভাবে যাবেন?
খুলনার বিভাগীয় জাদুঘরে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে আসতে হবে। শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৪১০-১,৯২৭ টাকা। ঢাকা থেকে ট্রেন, বাস বা লঞ্চে খুলনা যাওয়া যায়। ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা ও গ্রিন লাইনের মতো বাসে খুলনা যেতে পারবেন। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে। বেসরকারি হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
