খুলনার রূপসা নদীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবি জীবনানন্দ দাস লিখেছিলেন “রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে ডিঙা বায়; রাঙ্গা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে”। সড়কপথে ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে এ কে ট্র্যাভেলস, সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা গ্রিন লাইন ও টুঙ্গি পাড়া এক্সপ্রেসের মতো বাসে পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা যেতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

খান জাহান আলী সেতু সম্পর্কে
কীভাবে যাবেন
খুলনা শহর থেকে রূপসা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৭ কিলোমিটার। বাসে খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে নেমে ইজিবাইক বা রিকশায় এম এ বারি রাস্তা ধরে সামনে এগিয়ে রূপসা ব্রিজে যাওয়ার আলাদা রাস্তা দিয়ে খানজাহান আলী সেতুতে যেতে পারবেন। কোথায় খাবেনখুলনা শহরে রয়েছে মধ্যম থেকে উন্নত মানের বেশ কিছু ভালো রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে।
রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে চমৎকারবন, চিত্রা এক্সপ্রেসে ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা পৌঁছানো যায়। তাছাড়া খুলনায় সার্কিট হাউজ, এলজিইডি রেস্ট হাউজ, বিআইডব্লিউটিসি রেস্ট হাউজ, খুলনা সিটি কর্পোরেশন রেস্ট হাউজ, মোংলা বন্দর রেস্ট হাউজ, সড়ক ও জনপথ রেস্ট হাউজের মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোথায় থাকবেনখুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে।
ভাড়া পড়বে ৪৪৫-২,৩৮৫ টাকা। ব্রিজে পথচারী ও অযান্ত্রিক যানবাহনের যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিশেষ লেনের ব্যবস্থা। ঢাকা থেকে খুলনার রূপসা সেতু যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে রওনা দিতে হবে।
জাপানি সহায়তায় নির্মিত রূপসা সেতু সকল উৎসব এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে খুলনাবাসীর জন্য চমৎকার এক দর্শনীয় জায়গাে পরিণত হয়েছে। রূপসা সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৬০ কিলোমিটার। আবার নৌপথে ঢাকার বাদামতলী ঘাট থেকে প্রতি বুধবার পি এস মাসহুদ বা পি এস অস্ট্রিচের মতো স্টিমার মোংলা হয়ে খুলনাতে যাতায়াত করে।
তাছাড়া মূল সেতুতে উঠার জন্য সেতুর দুই প্রান্তে দুটি করে মোট চারটি সিঁড়ি রয়েছে। খুলনার পরিচিত খাবারের মধ্যে চুইঝালের ঘুগনি ও ঝালমুড়ি, চুইঝালের খাসি ও গরুর মাংস, খালিশপুরের মেগার মোড়ের বিরিয়ানি, ১ টাকার পুরি, সন্দেশ ও গলদা চিংড়ি অন্যতম। ঢাকা থেকে সড়ক, রেল বা নৌপথে খুলনা পৌঁছাতে পারবেন।
এসব রেস্তোরাঁে বাঙ্গালি শাহি খাবার, ফাস্ট ফুড আইটেম, চাইনিজসহ সব ধরনেরই খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নদীর পাড়ে সবসময়ই ভ্রমণকারীদের ভিড় লেগে থাকে। রূপসা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সকল জেলা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরের সাথে সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবার কারণে একে খুলনা শহরের প্রবেশ দ্বারও বলা হয়।
বাস ভেদে ভাড়া পড়বে ৬৫০-১৪০০ টাকা। আবাসিক হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য। জীবনানন্দের সেই রূপসা নদীর উপর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে খানজাহান আলী সেতু (Khan Jahan Ali Bridge), যা রূপসা সেতু হিসেবেই বেশী পরিচিত।
আর রাতের বেলায় সেতুর উপর থেকে খুলনা শহর দেখতে সর্বাধিক বেশী চমৎকার লাগে। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাখুলনার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর, শহীদ হাদিস পার্ক, করমজল পর্যটন কেন্দ্র, চমৎকারবন ও কটকা সমুদ্র সৈকত উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
খুলনা শহর থেকে রূপসা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৭ কিলোমিটার।
রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে চমৎকারবন, চিত্রা এক্সপ্রেসে ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা পৌঁছানো যায়।
ভাড়া পড়বে ৪৪৫-২,৩৮৫ টাকা।
ঢাকা থেকে খুলনার রূপসা সেতু যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে রওনা দিতে হবে।
সড়কপথে ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে এ কে ট্র্যাভেলস, সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা গ্রিন লাইন ও টুঙ্গি পাড়া এক্সপ্রেসের মতো বাসে পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে সড়ক, রেল বা নৌপথে খুলনা পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
খুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া খুলনায় সার্কিট হাউজ, এলজিইডি রেস্ট হাউজ, বিআইডব্লিউটিসি রেস্ট হাউজ, খুলনা সিটি কর্পোরেশন রেস্ট হাউজ, মোংলা বন্দর রেস্ট হাউজ, সড়ক ও জনপথ রেস্ট হাউজের মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
খুলনা শহরে রয়েছে মধ্যম থেকে উন্নত মানের বেশ কিছু ভালো রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে। এসব রেস্তোরাঁে বাঙ্গালি শাহি খাবার, ফাস্ট ফুড আইটেম, চাইনিজসহ সব ধরনেরই খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। খুলনার পরিচিত খাবারের মধ্যে চুইঝালের ঘুগনি ও ঝালমুড়ি, চুইঝালের খাসি ও গরুর মাংস, খালিশপুরের মেগার মোড়ের বিরিয়ানি, ১ টাকার পুরি, সন্দেশ ও গলদা চিংড়ি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
খান জাহান আলী সেতু কীভাবে যাবেন?
খুলনা শহর থেকে রূপসা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৭ কিলোমিটার। রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে চমৎকারবন, চিত্রা এক্সপ্রেসে ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা পৌঁছানো যায়। ভাড়া পড়বে ৪৪৫-২,৩৮৫ টাকা। ঢাকা থেকে খুলনার রূপসা সেতু যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে খুলনা শহরে রওনা দিতে হবে। সড়কপথে ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খুলনা শহরে নানা মানের সরকারী ও বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা আছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে টাইগার গার্ডেন ইন্টার ন্যাশনাল হোটেল, সিটি ইন লিমিটেড, হোটেল ক্যাসল সালাম, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল মিলেনিয়াম উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া খুলনায় সার্কিট হাউজ, এলজিইডি রেস্ট হাউজ, বিআইডব্লিউটিসি রেস
খান জাহান আলী সেতু সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
খুলনার রূপসা নদীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবি জীবনানন্দ দাস লিখেছিলেন “রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে ডিঙা বায়; রাঙ্গা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে”। সড়কপথে ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে এ কে ট্র্যাভেলস, সোহাগ, হানিফ, ফাল্গুনি, সেবা গ্রিন লাইন ও টুঙ্গি পাড়া এক্সপ্রেসের
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
