bangladesh · Editorial

নীল দিগন্ত

নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান জেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে থানচি উপজেলার জীবন নগর অঞ্চলয় রয়েছে। প্রায় সাড়ে ৩ একর জায়গা নিয়ে পাহাড়চূড়ায় গড়ে উঠা

Photograph · Collected for Tripzao Journal

নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান জেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে থানচি উপজেলার জীবন নগর অঞ্চলয় রয়েছে। কিংবা ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

নীল দিগন্ত

নীল দিগন্ত সম্পর্কে

ঢাকা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস নিয়মিত ভাবে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। অথবা বান্দরবান শহরে ফিরে এসে খেয়ে নিতে পারবেন। এতে সহজেই আপনি আশেপাশের আরও কিছু জায়গা ভালভাবে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।

দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেন চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে:হোটেল হিলটন : বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এই হোটেলে ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকায় রুম পাবেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে যেতে চাইলে আগে চট্রগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে বান্দরবান রওনা দিতে হবে।

অফসিজনে প্রায়ই ২০-৫০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। সারি সারি সবুজ পাহাড়ের সাথে সাদা মেঘের খেলা নীল দিগন্তকে করেছে মোহনীয়। নীল দিগন্ত এর আশেপাশের দর্শনীয় জায়গাচিম্বুক পাহাড়নীলগিরিসাইরু হিল রিসোর্টমেঘলা পর্যটন কেন্দ্রশৈল প্রপাতস্বর্ণমন্দিরনীলাচলবগালেকনীল দিগন্ত ভ্রমণ টিপসগাড়ি ঠিক করার জন্যে সরাসরি জীপ স্ট্যান্ডে গিয়ে দরদাম করে নিন।

বান্দরবান থেকে নীল দিগন্ত বান্দরবান থেকে নীল দিগন্ত যেতে জীপ/চান্দের গাড়ি/মহেন্দ্র/সিএনজি অথবা লোকাল বাস পারবেন। ভাড়া ৮,০০০ – ২৫,০০০ টাকা। নীলগিরিতে সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত কটেজে আবাসন সুবিধা আছে।

শৈল প্রপাত ঝর্ণায় নামার সময় সাবধান থাকুক, পাথুরে পথ বহু পিচ্ছিল। ভ্রমণ পরিকল্পনানীল দিগন্ত যাবার পথেই নীলগিরি, মিলনছড়ি ভিউ পয়েন্ট, শৈল প্রপাত ঝর্ণা, সাইরু হিল রিসোর্ট ও চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্র পার হয়ে রওনা দিতে হবে। এই রিসোর্ট সবার কাছেই আকর্ষনীয় হওয়ায় প্রায়ই মাস খানেক আগে বুকিং না দিলে রুম পাওয়া যায় না।

কোথায় খাবেন

নীল দিগন্ত একটা ক্যান্টিন আছে, খিদে পেলে পেট ভরে সেখান থেকে খেয়ে নিতে পারেন। এই কটেজে থাকার জন্যে রুম ভাড়া পড়বে ৪,০০০ থেক ১০,০০০ টাকা। পর্যটন মোটেল : এই মোটেলটি বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি:মি: দূরে মেঘলায় পাহাড় ও লেকের পাশে রয়েছে।

বান্দরবান থেকে নীল দিগন্ত পুরো পথ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সাবধান হোন।

কোথায় থাকবেন

বেশীরভাগ দর্শনার্থীরা নীল দিগন্ত, নীলগিরি ইত্যাদি জায়গায় দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসে। মনে রাখা ভালো, যে সময়ে বান্দরবান ভ্রমণ করছেন হোটেল ভাড়া তার উপর নির্ভর করে। নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্রতে থাকার ব্যবস্তা নেই।

অযথা কোন রিক্স নিতে যাবেন না। এছাড়াও অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। ভাড়া ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা।

নীলগিরি রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে থেকেই বুকিং দিতে হবে এবং বুকিং দিতে সেনাবাহিনীর অফিসার পর্যায়ে পরিচিত কর্মকর্তার রেফারেন্স লাগবে। রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে সব গুলো স্পটে কিছু সময় অতিবাহিত করতে পারেন। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

শ্রেনীভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকা। প্রায় সাড়ে ৩ একর জায়গা নিয়ে পাহাড়চূড়ায় গড়ে উঠা পর্যটন কেন্দ্র থেকে হাত বাড়িয়ে মেঘ ছোঁয়ার অপার্থিব আনন্দ উপভোগ করা যায়। চাঁন্দের গাড়ী গুলোতে প্রায়ই ১২-১৪ জন যাওয়া যায়, ল্যান্ডক্রুজার টাইপ জীপ গুলোতে বসা যায় ৭ থেকে ৮ জন, আর ছোট জীপ গুলোতে ৪-৫ জন বসা যায়।

দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করলে একে একে ভিউ পয়েন্ট, গোলঘর ও ক্যান্টিন পাবেন। যদি সম্ভব হয় নীলগিরিতে এক রাত থাকবেন, আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আদীবাসিদের অসম্মান হয় এমন কিছু দয়া করে করবেন না।

ভিউ পয়েন্ট থেকে কেউক্রাডং ও তাজিংডং পর্বত দেখা যায়। চান্দের গাড়িতে ছাঁদে চড়বেন না। এখানে ভ্রমণ সিজন ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।

নীলগিরি থেকে নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্রটি কেবল ৫ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। সাইরু হিল রিসোর্ট : বান্দরবান থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ে অত্যাধুনিক রিসোর্ট। যাবার সময় কিছু শুকনো খাবার সাথে নিয়ে নিলে ভাল।

সবচেয়ে ভালো হয় রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে গেলে। চট্টগ্রাম শহরের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী পরিবহনের বাস জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়ায় বান্দারবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। চট্রগ্রামের ধামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় বান্দরবান যাওয়া যায়।

সাথে করে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি রাখুন সবসময়। রিভার ভিউ : শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। শৈল প্রপাত বা চিম্বুকে আদিবাসীদের তৈরি জিনিস পত্র কম দামে কিনতে পারবেন।

এখানে রুম ভাড়া পড়বে ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। মেঘ আর নজরকাড়া সবুজের মিতালী ছাড়াও এখানকার জায়গাীয় পাহাড়ি আদিবাসীদের জীবনযাত্রা সমানভাবে নজর কাড়বে। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে।

তখন ভ্রমণ করলে আগেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখা ভাল। হোটেল হিল ভিউ : বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা।

সিজন ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হওয়ায় ভাড়া কম বেশি হতে পারে। ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা সময় লাগে। বান্দরবানগামী নন-এসি বাসের ভাড়া ৮০০-৯০০ টাকা এবং এসি বাসের মানভেদে জনপ্রতি ভাড়া ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা।

হোটেল প্লাজা : বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা। নীল দিগন্ত যাবার উপায়যেখানেই থাকুন নীল দিগন্ত যেতে হলে আপনাকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে।

বান্দরবান জীপ স্টেশন থেকে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া আসার গাড়ি পাওয়া যায়। ভ্রমণ খরচ কমাতে দলগত ভ্রমণ করতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?

বেশীরভাগ দর্শনার্থীরা নীল দিগন্ত, নীলগিরি ইত্যাদি জায়গায় দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসে। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। নীলগিরি রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে থেকেই বুকিং দিতে হবে এবং বুকিং দিতে সেনাবাহিনীর অফিসার পর্যায়ে পরিচিত কর্মকর্তার রেফারেন্স লাগবে। মনে রাখা ভালো, যে সময়ে বান্দরবান ভ্রমণ করছেন হোটেল ভাড়া তার উপর নির্ভর করে। ভাড়া ৮,০০০ – ২৫,০০০ টাকা। নীলগিরিতে সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত কটেজে আবাসন সুবিধা আছে। নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্রতে থাকার ব্যবস্তা নেই। হোটেল হিল ভিউ : বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। তখন ভ্রমণ করলে আগেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখা ভাল। সিজন ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হওয়ায় ভাড়া কম বেশি হতে পারে। এই কটেজে থাকার জন্যে রুম ভাড়া পড়বে ৪,০০০ থেক ১০,০০০ টাকা। সাইরু হিল রিসোর্ট : বান্দরবান থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ে অত্যাধুনিক রিসোর্ট। এছাড়াও অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। হোটেল প্লাজা : বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। অফসিজনে প্রায়ই ২০-৫০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। পর্যটন মোটেল : এই মোটেলটি বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি:মি: দূরে মেঘলায় পাহাড় ও লেকের পাশে রয়েছে। এখানে ভ্রমণ সিজন ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। ভাড়া ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে: হোটেল হিলটন : বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এই হোটেলে ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকায় রুম পাবেন। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা। এখানে রুম ভাড়া পড়বে ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। রিভার ভিউ : শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। এই রিসোর্ট সবার কাছেই আকর্ষনীয় হওয়ায় প্রায়ই মাস খানেক আগে বুকিং না দিলে রুম পাওয়া যায় না।

কোথায় খাবেন?

নীল দিগন্ত একটা ক্যান্টিন আছে, খিদে পেলে পেট ভরে সেখান থেকে খেয়ে নিতে পারেন। যাবার সময় কিছু শুকনো খাবার সাথে নিয়ে নিলে ভাল। অথবা বান্দরবান শহরে ফিরে এসে খেয়ে নিতে পারবেন। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

গাড়ি ঠিক করার জন্যে সরাসরি জীপ স্ট্যান্ডে গিয়ে দরদাম করে নিন। যদি সম্ভব হয় নীলগিরিতে এক রাত থাকবেন, আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অযথা কোন রিক্স নিতে যাবেন না। চান্দের গাড়িতে ছাঁদে চড়বেন না। বান্দরবান থেকে নীল দিগন্ত পুরো পথ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সাবধান হোন। সাথে করে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি রাখুন সবসময়। আদীবাসিদের অসম্মান হয় এমন কিছু দয়া করে করবেন না। শৈল প্রপাত বা চিম্বুকে আদিবাসীদের তৈরি জিনিস পত্র কম দামে কিনতে পারবেন। শৈল প্রপাত ঝর্ণায় নামার সময় সাবধান থাকুক, পাথুরে পথ বহু পিচ্ছিল। ভ্রমণ খরচ কমাতে দলগত ভ্রমণ করতে পারেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

বেশীরভাগ দর্শনার্থীরা নীল দিগন্ত, নীলগিরি ইত্যাদি জায়গায় দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসে। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। নীলগিরি রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে থেকেই বুকিং দিতে হবে এবং বুকিং দিতে সেনাবাহিনীর অফিসার পর্যায়ে পরিচিত কর্মকর্তার রেফারেন্স লাগবে। মনে রাখা ভালো, যে সময়ে বান্দরবান ভ্রমণ করছেন হোটেল

নীল দিগন্ত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

নীল দিগন্ত পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান জেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে থানচি উপজেলার জীবন নগর অঞ্চলয় রয়েছে। কিংবা ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন। ঢাকা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস নিয়মিত ভাবে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.