মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন অঞ্চলয় রয়েছে। যদিও সময়ের পরিবর্তনে উল্লেখিত ভাড়ার পরিমাণ কম কিংবা বেশি হতে পারে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে
বৈচিত্র্য পিয়াসী মানুষ তাই আত্মিক ক্ষুধা মেটাতে মেঘলায় ছুটে আসে বারবার। মেঘলা রেস্ট হাউজের মোট ৪ টি কক্ষের প্রতিটির জন্য ২০০০ টাকা লাগে। চট্টগ্রাম শহরের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী পরিবহনের নন-এসি বাস ৩০ মিনিট পরপর বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
শুধু মেঘলায় যাওয়ার জন্যে বান্দরবান শহর থেকে সিএনজি ২০০-৪০০টাকা, জীপ গাড়ি ৪০০-৬০০ টাকা ভাড়া নিবে। উঁচু নিচু পাহাড় পরিবেষ্টিত একটা কৃত্রিম লেককে ঘিরে সাজানো হয়েছে এই জায়গাটি।
কোথায় খাবেন
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এছাড়া হোটেল ফোর স্টারে সিঙ্গেল রুমের ভাড়া পড়বে ৩০০ টাকা, ডাবল রুম ৬০০ টাকা এবং এসি রুম ১২০০ টাকা। হোটেল প্লাজা বান্দরবানে সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ৪০০ টাকা, ডাবল রুম ৮৫০ টাকা ও এসি রুম ১২০০ টাকায় পাওয়া যায়।
চারদিকের ঘন সবুজ, লেকের স্বচ্ছ পানি ও অসাধারণ প্রকৃতি দর্শনার্থীদেরকে দূর্নিবার আকর্ষনে কাছে টানে। কি ভাবে যাবেনঢাকার কলাবাগান, সায়েদাবাদ, গাবতলী এবং ফকিরাপুল থেকে শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহণের বাস প্রত্যেক দিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন। দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি কিংবা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর সোজা বান্দরবানে চলে পৌঁছাতে পারবেন। এরপর বান্দরবান শহর থেকে চাঁদের গাড়ি কিংবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়া যায়।
এসব নন-এসি ও এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে। হলিডে ইনে সাধারণ রুম ১০০০ টাকা, নন-এসি ১৩০০ টাকা, এবং এসি রুম পড়বে ১৫০০ টাকা। রাত্রি যাপনমেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে রাতে থাকার জন্য জেলা প্রশাসনের রেস্ট হাউজ ভাড়ায় পাওয়া যায়।
মেঘলায় লেকের উপর মনোমুগ্ধকর দুটি ঝুলন্ত ব্রিজ রয়েছে। চাইলে বান্দরানের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা যেমন নীলাচল, স্বর্ণমন্দির ইত্যাদি পর্যটন স্পট ঘুরে দেখার সাথে মেঘলা ঘুরে দেখার জন্যে পছন্দমত রিজার্ভ গাড়ি ভাড়া করে নিতে পারবেন। আর হোটেল থ্রি স্টারে থাকতে চাইলে নন-এসি ফ্ল্যাট ২৫০০ টাকা এবং এসি ফ্ল্যাট ৩০০০ টাকায় পাবেন।
বান্দরবান শহর থেকে মেঘলার দূরত্ব কেবল ৪ কিলোমিটার। এছাড়া পাহাড়ের চুঁড়ায় উঠে দেখার সুযোগ পাবেন পাহাড়ীকন্যা বান্দরবানের নজরকাড়া প্রকৃতির দৃশ্য। এছাড়া পর্যটন করপোরেশনের হোটেলে বুকিং দিতে ফোন করতে পারেনঃ ০৩৬১-৬২৭৪১ এবং ০৩৬১-৬২৭৪২ নম্বরে।
এছাড়া চিত্তবিনোদনের জন্য আরো রয়েছে সাফারি পার্ক, শিশুপার্ক, চিড়িয়াখানা, উন্মুক্ত মঞ্চ, চা বাগান, ক্যাবল কার ও প্যাডেল বোট। রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো একটা বাসে চড়ে সহজেই বান্দরবান আসতে পারেন। মেঘলার আশেপাশে দর্শনীয় জায়গানীলাচলস্বর্ণ মন্দিরশৈল প্রপাতচিম্বুক পর্যটন কেন্দ্রনীলগিরিআরও পড়ুনআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রঅর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্টআলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রতমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবান
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কলাবাগান, সায়েদাবাদ, গাবতলী এবং ফকিরাপুল থেকে শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহণের বাস প্রত্যেক দিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি কিংবা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর সোজা বান্দরবানে চলে পৌঁছাতে পারবেন।
এসব নন-এসি ও এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
এরপর বান্দরবান শহর থেকে চাঁদের গাড়ি কিংবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়া যায়।
রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো একটা বাসে চড়ে সহজেই বান্দরবান আসতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কলাবাগান, সায়েদাবাদ, গাবতলী এবং ফকিরাপুল থেকে শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহণের বাস প্রত্যেক দিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি কিংবা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে প্রথমে চ
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র-এর কাছে কোথায় খাবেন?
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন।
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন অঞ্চলয় রয়েছে। যদিও সময়ের পরিবর্তনে উল্লেখিত ভাড়ার পরিমাণ কম কিংবা বেশি হতে পারে। বৈচিত্র্য পিয়াসী মানুষ তাই আত্মিক ক্ষুধা মেটাতে মেঘলায় ছুটে আসে বারবার।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
