bangladesh · Editorial

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা, বান্দরবান : শৈল প্রপাত ঝর্ণায় যাবার উপায়, কোথায় থাকবেন ও ভ্রমণ খরচ সহ আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা কি কি জানতে পড়ুন শৈলপ্রপাত ভ্রমণ গাইড।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবান জেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি রোডের পাশে রয়েছে। গাড়ি ঠিক করার ক্ষেত্রে দরদাম করে নিন, তেমনি হোটেল রুম ভাড়া করার সময়েও।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা-এ কী দেখবেন?

বাংলাদেশের যে কোন ঝর্ণার আসল সৌন্দর্য দেখার সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে বর্ষা মৌসুম। তাছাড়া শৈলপ্রপাতকে উদ্দেশ্য করে আলাদা ভাবে বান্দরবানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় জায়গা চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে শৈলপ্রপাতের সামনে দিয়েই যেতে হয়। তাই বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়ে বান্দরবান গেলে শৈলপ্রপাতকে উপেক্ষা করা উচিত হবে না। বমদের হাতে বোনা চাদর, মাফলার, বেডশিট, বেত ও বাঁশের তৈরি নানা তৈজসপত্র স্মারক হিসাবে কিনে নিতে পারেন। আর যদি শুধুই শৈলপ্রপাত দেখতে চান তাহলে সেটাও করতে পারেন। কাজেই সবচেয়ে ভালো হয় নীলগিরি বা চিম্বুক পাহাড় দেখতে যাবার সময় ভাড়া করা গাড়ি রাস্তার পাশে থামিয়ে শৈলপ্রপাত দেখে নেওয়া। অবশ্য শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বছরের একেক সময় একেক সৌন্দর্য্য মেলে ধরে। শৈলপ্রপাত গেলে বম উপজাতীয়দের জীবনধারা চোখে পড়বেই। বর্ষাকালেই ঝর্ণা পূরো যৌবন লাভ করে। এছাড়া বমদের উৎপাদিত নানা মৌসুমী ফলমূলের স্বাদ চেখে দেখতে পারেন অনায়াসেই।

কীভাবে যাবেন?

বাংলাদেশের যে কোন ঝর্ণার আসল সৌন্দর্য দেখার সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে বর্ষা মৌসুম।

তাছাড়া শৈলপ্রপাতকে উদ্দেশ্য করে আলাদা ভাবে বান্দরবানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

কারণ বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় জায়গা চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে শৈলপ্রপাতের সামনে দিয়েই যেতে হয়।

তাই বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়ে বান্দরবান গেলে শৈলপ্রপাতকে উপেক্ষা করা উচিত হবে না।

বমদের হাতে বোনা চাদর, মাফলার, বেডশিট, বেত ও বাঁশের তৈরি নানা তৈজসপত্র স্মারক হিসাবে কিনে নিতে পারেন।

আর যদি শুধুই শৈলপ্রপাত দেখতে চান তাহলে সেটাও করতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?

প্রায়ই বেশীরভাগ দর্শনার্থী শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরি থেকে দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসেন। বান্দরবানে হলিডে ইন রিসোর্ট, হিল সাইড রিসোর্ট, হোটেল ফোর স্টার, হোটেল রিভার ভিউ ইত্যাদি সহ অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে, যেগুলোতে ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় খাবেন?

বান্দরবানের কাছে হওয়ায় বান্দরবান শহরেই খাওয়া দাওয়া করার সুযোগ পাবেন। সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন। তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এছাড়া শৈল প্রপাত ঝর্ণার সামনেই জায়গাীয় বিচিত্র মৌসুমী ফল নিয়ে আদিবাসী মানুষজনের দোকান আছে। সেখানে অল্প দামে এইসব বিষমুক্ত তাজা ফল খেয়ে দেখতে পারেন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

শৈল প্রপাতের নিচে হাঁটার সময় সতর্ক থাকুন, বহু পিচ্ছিল পাথুরে পথ। পর্যটন স্পট গুলোর আবহের ক্ষতি এমন এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। কম খরচে বান্দরবান ঘুরতে চাইলে অফসিজন বা ছুটির দিন ব্যাতিত অন্যদিন ভ্রমণ করুন। একটু অসাবধানতার জন্যে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ভ্রমণের সময় সতর্ক থাকুন। গাড়ি ঠিক করার ক্ষেত্রে দরদাম করে নিন, তেমনি হোটেল রুম ভাড়া করার সময়েও। সিজনে ছুটির দিনে গেলে আগে থেকে হোটেল বুকিং দিয়ে রাখতে পারেন। নানা রেস্তোরায় জায়গাীয় আদিবাসীদের খাবার পাওয়া যায়, স্বাদ নিতে পারেন। বর্ষায় ঝর্ণায় বহু পানি, থাকে গোসলে সতর্ক থাকুন। ময়লা আবর্জনা, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন এইসব নিদৃষ্ট জায়গাে ফেল

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?

বাংলাদেশের যে কোন ঝর্ণার আসল সৌন্দর্য দেখার সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে বর্ষা মৌসুম। তাছাড়া শৈলপ্রপাতকে উদ্দেশ্য করে আলাদা ভাবে বান্দরবানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় জায়গা চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে শৈলপ্রপাতের সামনে দিয়েই যেতে হয়। তাই বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়ে বান্দরবান গেলে শ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

প্রায়ই বেশীরভাগ দর্শনার্থী শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরি থেকে দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসেন। বান্দরবানে হলিডে ইন রিসোর্ট, হিল সাইড রিসোর্ট, হোটেল ফোর স্টার, হোটেল রিভার ভিউ ইত্যাদি সহ অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে, যেগুলোতে ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবান জেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি রোডের পাশে রয়েছে। গাড়ি ঠিক করার ক্ষেত্রে দরদাম করে নিন, তেমনি হোটেল রুম ভাড়া করার সময়েও। তাই বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়ে বান্দরবান গেলে শৈলপ্রপাতকে উপেক্ষা করা উচিত হবে না।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.