দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় রয়েছে। যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

দেবতাখুম সম্পর্কে
ট্রেন ও আসন ভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকার মধ্যে। দুপুরের খাবারের জন্যে কচ্ছপতলী বাজারে আগেই অর্ডার করে রওনা দিতে হবে। এসি বাসের মধ্যে হানিফ, সেন্টমার্টিন হুন্দাই ও সৌদিয়া পরিবহন খরচ পরবে ১২০০-১৮০০ টকা।
সারাদিনের জন্যে গাইড খরচ ১০০০ টাকা। বান্দরবান থেকে দেবতাখুমবান্দরবান থেকে বাসে করে রোয়াংছড়ি, তারপর সিএনজি নিয়ে কচ্ছপতলী পৌঁছানো যায়। দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, সূবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, চট্টলা, মহানগর গোধুলী সহ বহুগুলো ট্রেইন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
খুম অর্থ হচ্চে জলাধার। জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত। অনুমতি নিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি। পানির নিচে বিশাল বিশাল পাথর আছে, সাবধানে থাকবেন। এই ক্ষেত্রে যাবার সময় কতজন খাবেন, কি দিয়ে খাবেন তা বলে গেলে ফিরে আসার পথে খেয়ে নিতে পারবেন।
হোটেল হিল ভিউ, হোটেল প্লাজা বান্দরবান, হোটেল হিল্টন, হোটেল নাইট হেভেন। জায়গাীয়দের মতে এই খুমের কিছু জায়গা প্রায় ৫০ ফুট গভীর। গাইডের অন্যান্য খরচ কে বহন করবে তা গাইড ঠিক করার সময় কথা বলে নিবেন।
বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় দর্শনার্থীদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান যেতে চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ, দামপাড়া ও বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে বান্দরবান যাবার বাসে রওনা দিতে হবে। ট্রেকিং এর সময় কিছু শুখনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন সাথে করে।
এর কারণ হলো খুব সহজেই এই জায়গা থেকে ঘুরে আসা যায়। হোটেল ও রুমের মান ভেদে প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ১০০০-৫৫০০ টাকা পর্যন্ত। বর্ষায় পানি বেশি থাকে বলে যাওয়াটা কষ্টসাধ্য এবং পানির রং স্বচ্ছ থাকেনা।
নন এসি বাসের মধ্যে হানিফ, এস আলম, ইউনিক পরিবহন খরচ পরবে ৮০০-৯০০ টাকা। দেবতাখুম যেতে আপনাকে গাইড নিতে হবে। এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
পিক সিজনে ছুটির দিনে গেলে আগে থেকে পছন্দের হোটেল রিসোর্ট বুকিং করে রাখলে ভালো হবে। দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটা অংশ। ট্রেকিংয়ের জন্য ট্রেকিং বুট ব্যবহার করুন।
কচ্ছপতলী অথবা রোয়াংছড়ি থেকে আপনি গাইড নিতে পারবেন। বান্দরবান শহরে নানা মানের হোটেল রয়েছে। যদিও বান্দরবানে ঘুরে দেখার মত যত খুম আছে তাদের মধ্যে দেবতাখুম সবার কাছেই জনপ্রিয়।
বান্দরবান রোয়াংছড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রতি ঘণ্টায় রোয়াংছড়ির বাস ছাড়ে, ভাড়া লাগবে ৬০ টাকা। একেক সময় এর একেক রূপ। ট্রেনে করে যেতে চাইলে চট্টগ্রাম এসে সেখান থেকে বাসে রওনা দিতে হবে।
যদিও আপনি চাইলে বান্দরবান শহর থেকে সরাসরি জিপ অথবা সিএনজি রিজার্ভ করে কচ্ছপতলী চলে পৌঁছাতে পারবেন। কোথায় থাকবেনসকালে বান্দরবান থেকে দেবতাখুম এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে সন্ধ্যার মধ্যেই আবার বান্দরবান শহরে এসে পৌঁছাতে পারবেন। সেই জন্যে সবচেয়ে ভালো বর্ষা পরবর্তী সময়ে যাওয়া।
দেবতাখুম সহ বান্দরবানের যে কোন খুম দেখতে যাওয়ার আদর্শ সময় হলো নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস। কখন যাবেনদেবতাখুম সবসময় পৌঁছানো যায়। সাতার না জানলে অবশ্যই পানিতে নামবেন না।
বান্দরবান শহর থেকে রোয়াংছড়ির দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার এবং রোয়াংছড়ি থেকে কচ্ছপতলীর দূরত্ব ৭ কিলোমিটার। চাইলে প্লাস্টিক বা রাবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করতে পারেন। এক জিপে ১২/১৩ জন বসতে পারবেন।
রোয়াংছড়ি থানা ও কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্প থেকে দেবতাখুম যাওয়ার অনুমতি নিতে হয়। আপনার গাইড এই ব্যাপারে সহায়তা করবে। ভ্রমণ তথ্য ওসতর্কতাকচ্ছপতলীতে গিয়ে আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করাতে জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো ফটো আইডির ফটোকপি লাগবে।
ঢাকা থেকে এসি/নন এসি সব ধরনের বাসই বান্দরবান যায়। বান্দরবানে ছোট বড় বহু খুম আছে। ভেলায় চড়ার জন্য লাইফ জ্যাকেট সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন।
তারপরই দেবতাখুমে ঢুকতে পারবেন। এর পানিও বেশ স্বচ্ছ। কচ্ছপতলীর পর থেকে ফোনে নেটওয়ার্ক পাবেন না।
আর রোয়াংছড়ি থেকে কচ্ছপতলীর সিএনজি ভাড়া ১৫০-২০০ টাকার মতো। এছাড়া দেবতাখুমে প্রবেশ, লাইফ জ্যাকেট ও সেখানের ভেলা ব্যবহারের জন্যে জনপ্রতি ১৫০টাকা খরচ হবে। জিপ ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা।
দেবতাখুম বা শীলবান্ধা পাড়ায় ক্যাম্পিং করার সুযোগ পাবেন না। আর অনুমতি ফর্ম এর জন্য খরচ হবে ৫০ টাকা। রোয়াংছড়ি, দেবতাখুম গাইড নাম্বার:রুন্ময় লাল – 01857 272095রকি – 01855 360264
কোথায় খাবেন
দেবতাখুম এর আশেপাশে খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। দেবতাখুম যাওয়ার উপায়দেবতাখুম যেতে চাইলে প্রথমে বান্দরবান (Bandarban) আসতে হবে। উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে পৌঁছানো যায় ততই শীতল মনে হয়।
বর্ষাকালে পানি প্রবাহ বেশি থাকে আর শীত কালে কমে যায়। এছাড়া বর্ষায় ফ্লাশ ফ্লাডের আশংখা থাকে। একজন গাইড এক সাথে ১০ জন এর টিমকে গাইড করে, এর কম হলেও গাইড এর জন্য খরচ একই হবে।
চট্টগ্রাম থেকে বাসে বান্দরবান যেতে ভাড়া লাগবে ২০০-৩০০ টাকা। ফিচার ইমেজঃ Mahmudul H. Shorol
কীভাবে যাবেন?
দেবতাখুম সবসময় পৌঁছানো যায়।
সেই জন্যে সবচেয়ে ভালো বর্ষা পরবর্তী সময়ে যাওয়া।
বর্ষাকালে পানি প্রবাহ বেশি থাকে আর শীত কালে কমে যায়।
এছাড়া বর্ষায় ফ্লাশ ফ্লাডের আশংখা থাকে।
একেক সময় এর একেক রূপ।
বর্ষায় পানি বেশি থাকে বলে যাওয়াটা কষ্টসাধ্য এবং পানির রং স্বচ্ছ থাকেনা।
কোথায় থাকবেন?
সকালে বান্দরবান থেকে দেবতাখুম এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে সন্ধ্যার মধ্যেই আবার বান্দরবান শহরে এসে পৌঁছাতে পারবেন। বান্দরবান শহরে নানা মানের হোটেল রয়েছে। হোটেল ও রুমের মান ভেদে প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ১০০০-৫৫০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল হিল ভিউ, হোটেল প্লাজা বান্দরবান, হোটেল হিল্টন, হোটেল নাইট হেভেন। পিক সিজনে ছুটির দিনে গেলে আগে থেকে পছন্দের হোটেল রিসোর্ট বুকিং করে রাখলে ভালো হবে।
কোথায় খাবেন?
দেবতাখুম এর আশেপাশে খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। আপনার গাইড এই ব্যাপারে সহায়তা করবে। দুপুরের খাবারের জন্যে কচ্ছপতলী বাজারে আগেই অর্ডার করে রওনা দিতে হবে। এই ক্ষেত্রে যাবার সময় কতজন খাবেন, কি দিয়ে খাবেন তা বলে গেলে ফিরে আসার পথে খেয়ে নিতে পারবেন। ট্রেকিং এর সময় কিছু শুখনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন সাথে করে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
দেবতাখুম কীভাবে যাবেন?
দেবতাখুম সবসময় পৌঁছানো যায়। সেই জন্যে সবচেয়ে ভালো বর্ষা পরবর্তী সময়ে যাওয়া। বর্ষাকালে পানি প্রবাহ বেশি থাকে আর শীত কালে কমে যায়। এছাড়া বর্ষায় ফ্লাশ ফ্লাডের আশংখা থাকে। একেক সময় এর একেক রূপ। বর্ষায় পানি বেশি থাকে বলে যাওয়াটা কষ্টসাধ্য এবং পানির রং স্বচ্ছ থাকেনা। দেবতাখুম সহ বান্দরবানের যে কোন খুম
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সকালে বান্দরবান থেকে দেবতাখুম এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে সন্ধ্যার মধ্যেই আবার বান্দরবান শহরে এসে পৌঁছাতে পারবেন। বান্দরবান শহরে নানা মানের হোটেল রয়েছে। হোটেল ও রুমের মান ভেদে প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ১০০০-৫৫০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল হিল ভিউ, হোটেল প্লাজা বান্দরবান, হোটেল হিল্টন, হোটেল নাইট হেভেন। পিক সিজ
দেবতাখুম সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় রয়েছে। যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা। ট্রেন ও আসন ভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকার মধ্যে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
