রেমাক্রি জলপ্রপাত (Remakri Waterfall) বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে থানচি উপজেলার একদম দক্ষিণে রেমাক্রি ইউনিয়নে রয়েছে। যদিও সেখানে খেতে হলে আগে থেকে বলে রাখতে হবে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

রেমাক্রি জলপ্রপাত সম্পর্কে
রেমাক্রি যাওয়ার পথ দুর্গম হওয়ায় এখানে একসময় দর্শনার্থীের আনাগোনা কম ছিল। রেমাক্রি জলপ্রপাত যাওয়ার উপায়রেমাক্রি জলপ্রপাত যেতে হলে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরে আসতে হবে প্রথম।
কোথায় থাকবেন
রেমাক্রিতে থাকার জন্য রেমাক্রি বাজারে শীলগিরি গেস্ট হাউস, রেমাক্রী রেস্ট হাউস ও মেলোরি গেস্ট হাউসে থাকতে পারেন। পাহাড় ও নদী পথে চলাচলের জন্য ভাল গ্রীপের জুতো ব্যাবহার করুন। রেমাক্রি পাড়ার মুখেই দৃষ্টিনন্দন ও প্রকৃতির জল্প্রপাত হল রেমাক্রি।
ভ্রমন টিপসরেমাক্রিতে ভ্রমনের সময় জাতীয় পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখুন। এছাড়া আদিবাসী বাড়িতে খাবারের ব্যবস্থা আছে। গাইডকে বলে রাখলেই তারা আদিবাসী বাড়িতে খাবারে কথা বলে রাখবে।
অভিজ্ঞ গাইড সঙ্গে নিন। রেমাক্রি জলপ্রপাত পাড় হয়েই নাফাখুম যেতে হয়। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে রেমাক্রি জলপ্রপাত পৌঁছাতে যায়।
ঢাকা থেকে বান্দরবান পৌঁছানোর বিস্তারিত জানতে পড়ুন বান্দরবান যাওয়ার উপায় ও ভাড়া গাইড। এই নৌকা যাত্রাটি বেশ রোমাঞ্চকর বিশেষ করে বর্ষাকালে সাঙ্গু নদীর খরস্রোতা রূপ এবং বড় পাথর অঞ্চল পার হওয়াটা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই জল্প্রপাত এর সৌন্দর্য দেখতে বহু দর্শনার্থী দূর দূরান্ত থেকে আসছেন।
প্যাকেজ সিস্টেমের খাওয়ার ব্যবস্থায় ভাত, ভর্তা, ভাজি ও ডিম/মুরগি খেতে খরচ হবে ১২০-২০০ টাকা। রেমাক্রি জলপ্রপাত এর অবজায়গা বহু দুর্গম জায়গায়, এখানে যেতে হলে পাহাড় ও নদী পথ পার যেতে হয়, যা অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়। মাচাং ধরণের এই সব গেস্ট হাউসে থাকতে খরচ হবে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা।
নাফাখুম ভ্রমণের বিস্তারিত পড়ুন নাফাখুম ভ্রমণ আর্টিকেল থেকে। যদিও সময় বর্ষার সময় (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) পানির পরিমান বেশী থাকে, এই সময়ে ভ্রমণ কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ বলে বহু সময় কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয় না। পানির পরিমানের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম জল্প্রপাত।
থানচি বাজার থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় সাঙ্গু নদী পথে রেমাক্রি বাজারে রওনা দিতে হবে।
কোথায় খাবেন
রেমাক্রি জলপ্রপাতের অপর পাশেই শীলগিরি গেস্ট হাউস এর রেস্তোরাঁ আছে সেখানে খেতে পারবেন। এক রুমে থাকতে পারবেন ৪-৮ জন। রেমাক্রি ভ্রমণের সময়রেমাক্রি জল্প্রপাত ভ্রমণের সেরা সময় অক্টোবর থেকে মার্চ মাস।
তারপর বান্দরবান থেকে থানচি ও থানচি থেকে নৌকায় সাঙ্গু নদী পার হয়ে রেমাক্রি বাজার রওনা দিতে হবে। রেমাক্রি থেকে শীতকালে হেটে যেতে ২-৩ ঘন্টা এবং বর্ষায় নৌকায় গেলে ১-২ ঘন্টা সময় লাগে। আদিবাসীদের সাথে ভাল ব্যাবহার করুন।
কোথায় থাকবেন?
রেমাক্রিতে থাকার জন্য রেমাক্রি বাজারে শীলগিরি গেস্ট হাউস, রেমাক্রী রেস্ট হাউস ও মেলোরি গেস্ট হাউসে থাকতে পারেন। মাচাং ধরণের এই সব গেস্ট হাউসে থাকতে খরচ হবে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা। এক রুমে থাকতে পারবেন ৪-৮ জন।
কোথায় খাবেন?
রেমাক্রি জলপ্রপাতের অপর পাশেই শীলগিরি গেস্ট হাউস এর রেস্তোরাঁ আছে সেখানে খেতে পারবেন। প্যাকেজ সিস্টেমের খাওয়ার ব্যবস্থায় ভাত, ভর্তা, ভাজি ও ডিম/মুরগি খেতে খরচ হবে ১২০-২০০ টাকা। এছাড়া আদিবাসী বাড়িতে খাবারের ব্যবস্থা আছে। যদিও সেখানে খেতে হলে আগে থেকে বলে রাখতে হবে। গাইডকে বলে রাখলেই তারা আদিবাসী বাড়িতে খাবারে কথা বলে রাখবে।
ট্রাভেল টিপস
রেমাক্রিতে ভ্রমনের সময় জাতীয় পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখুন। অভিজ্ঞ গাইড সঙ্গে নিন। পাহাড় ও নদী পথে চলাচলের জন্য ভাল গ্রীপের জুতো ব্যাবহার করুন। আদিবাসীদের সাথে ভাল ব্যাবহার করুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রেমাক্রিতে থাকার জন্য রেমাক্রি বাজারে শীলগিরি গেস্ট হাউস, রেমাক্রী রেস্ট হাউস ও মেলোরি গেস্ট হাউসে থাকতে পারেন। মাচাং ধরণের এই সব গেস্ট হাউসে থাকতে খরচ হবে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা। এক রুমে থাকতে পারবেন ৪-৮ জন।
রেমাক্রি জলপ্রপাত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
রেমাক্রি জলপ্রপাত (Remakri Waterfall) বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে থানচি উপজেলার একদম দক্ষিণে রেমাক্রি ইউনিয়নে রয়েছে। যদিও সেখানে খেতে হলে আগে থেকে বলে রাখতে হবে। রেমাক্রি যাওয়ার পথ দুর্গম হওয়ায় এখানে একসময় দর্শনার্থীের আনাগোনা কম ছিল।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

