ফেনী জেলা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে চম্পকনগরে শমসের গাজীর দীঘি (Shamsher Gazi Pond) রয়েছে। এখন ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি শমসের গাজীর স্মৃতি বিজড়িত জায়গা হিসেবে পরিচিত।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

শমসের গাজীর দিঘী সম্পর্কে
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর গোধূলি ও তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে ফেনী যেতে পারবেন। তিনি চোর ডাকাত ও জলদস্যুদের রুখতে তিনি শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তুলেন এবং তার এলাকাের জনগণের উন্নয়নের লক্ষ্যে জনহিতকর কাজ শুরু করেন। যদিও ফেনী শহরে নানা মানের খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
ফেনীর পরশুরাম উপজেলা থেকে হাসপাতাল মোড় হয়ে শমসের গাজীর দীঘিতে পৌঁছানো যায়। কোথায় খাবেনচম্পক বাজারে হালকা চা-নাস্তা করার মত কিছু দোকান রয়েছে। নবাব সিরাজদৌল্লার আমলে “ভাঁটির বাঘ” হিসেবে পরিচিত শমসের গাজী ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী নেতা ও ত্রিপুরার রোশনাবাদ পরগণার কৃষক বিদ্রোহের নায়ক।
তৎকালীন সময়ে অত্র এলাকাে বসবাসরত জনগণের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য তিনি বেশকিছু দীঘি খনন করেন, যার মধ্যে মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবহের শমসের গাজীর দীঘি অন্যতম। দিঘী ছাড়াও এখানে শমসের গাজীর সুড়ঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা রয়েছে। পিতৃহারা শমসের গাজী শুভপুরের তালুকদার জগন্নাথ সেনের কাছে বেড়ে উঠেন এবং তার মৃত্যুর পর শমসের গাজী শুভপুরের খাজনা আদায়ের দায়িত্ব নেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে শ্যামলী, ইউনিক, সোহাগ, গ্রিন লাইন, এস আলম, কেয়া, সৌদিয়া প্রভৃতি বাসে ফেনী পৌঁছানো যায়। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলায় শমসের গাজী জন্মগ্রহণ করেন। কোথায় থাকবেনফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল বিলাস, হোটেল আল করিম, হোটেল গাজী ও হোটেল মিড নাইট।
জনদরদী এই নেতা ১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ফেনী জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাফেনীর দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে রাজাঝির দীঘি, শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা, প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি ও আব্দুস সালাম স্মৃতি জাদুঘর উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে শ্যামলী, ইউনিক, সোহাগ, গ্রিন লাইন, এস আলম, কেয়া, সৌদিয়া প্রভৃতি বাসে ফেনী পৌঁছানো যায়।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর গোধূলি ও তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে ফেনী যেতে পারবেন।
ফেনীর পরশুরাম উপজেলা থেকে হাসপাতাল মোড় হয়ে শমসের গাজীর দীঘিতে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল বিলাস, হোটেল আল করিম, হোটেল গাজী ও হোটেল মিড নাইট।
কোথায় খাবেন?
চম্পক বাজারে হালকা চা-নাস্তা করার মত কিছু দোকান রয়েছে। যদিও ফেনী শহরে নানা মানের খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শমসের গাজীর দিঘী কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে শ্যামলী, ইউনিক, সোহাগ, গ্রিন লাইন, এস আলম, কেয়া, সৌদিয়া প্রভৃতি বাসে ফেনী পৌঁছানো যায়। তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর গোধূলি ও তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে ফেনী যেতে পারবেন। ফেনীর পরশুরাম উপজেলা থেকে হাসপাতাল মোড় হয়ে শমসের গাজীর দীঘিতে পৌঁছানো যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ফেনী জেলার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল বিলাস, হোটেল আল করিম, হোটেল গাজী ও হোটেল মিড নাইট।
শমসের গাজীর দিঘী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ফেনী জেলা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে চম্পকনগরে শমসের গাজীর দীঘি (Shamsher Gazi Pond) রয়েছে। এখন ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি শমসের গাজীর স্মৃতি বিজড়িত জায়গা হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর গোধূলি ও তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে ফেনী যেতে পারবেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
