টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পুর্বে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলয় রাধা কৃষ্ণের ভক্তদের পুণ্যজায়গা গুপ্ত বৃন্দাবন (Gupta Brindaban) গ্রাম রয়েছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

গুপ্ত বৃন্দাবন সম্পর্কে
এখানে প্রতিবছর চৈত্র মাসের ১২ তারিখ প্রায় ৭০০ বছরের পুরনো একটা কালো তমাল গাছকে কেন্দ্র করে জমজমাট বারুনি মেলার আয়োজন করা হয়। এদের মধ্যে হোটেল তাজমহল, ফুড ভিলেজ, হোটেল ৫ স্টার ও প্রাপ্তি রেস্তোরা উল্লেখযোগ্য। আর রাধা কৃষ্ণের ভক্তরা বিশ্বাস করে, গুপ্তবৃন্দাবনের তমাল গাছের ডালে রাধা কৃষ্ণ দোল খেতেন ও অভিসারে মিলিত হতেন।
কোথায় থাকবেনরাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য ঘাটাইলের চেয়ে টাঙ্গাইল শহরে থাকা বেশী সুবিধাজনক। তাছাড়া এখানে আরো আছে নানা প্রাচীন মূর্তি ও মন্দির। এই ঘটনার কারণে জায়গাটি গুপ্ত বৃন্দাবন নামে পরিচয় লাভ করে।
কোথায় খাবেনঘাটাইলে খাওয়ার জন্য নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে সিএনজি ভাড়া নিয়ে ২৭ কিলোমিটার দূরে গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামে যাওয়া যায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়াও এই উৎসবে আশেপাশের নানা গ্রাম থেকে সকল ধর্মের ভ্রমণকারীদের আগমন ঘটে।
গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামের নামকরণ এবং তমাল গাছটিকে ঘিরে বিচিত্রন কল্পকথা প্রচলিত আছে। পাশাপাশি রয়েছে সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা। আর অবশ্যই টাঙ্গাইল ঘুরতে আসলে পাঁচআনি বাজারের সুপরিচিত পোড়াবাড়ীর চমচমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
গুপ্ত বংশীয় নানা নিদর্শন এই জায়গা হতে প্রাপ্তির ফলে বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ১৫৭৭ সালে জায়গাটির নাম দেন গুপ্ত বৃন্দাবন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে নিজস্ব পরিবহন অথবা বাসে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক দিয়ে সরাসরি ঘাটাইল উপজেলায় পৌঁছানো যায়। প্রতিবছর বাংলা সনের চৈত্র মাসে এখানে বাৎসরিক মেলা ও কীর্তনযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। টাঙ্গাইল শহরে নানা ধরণের আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে।
যদিও ইতিহাস হতে পাওয়া তথ্য মতে, এই জায়গার পূর্ব নাম বৃন্দাবন। তমাল গাছের উত্তর পাশে একটা রাধাগোবিন্দ মন্দির রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল হয়েও ঘাটাইলে যেতে পারবেন।
অঞ্চলর জায়গাীয় হিন্দু, আদিবাসি ও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করেন, মধুরায় শ্রীকৃষ্ণের উপর কংশ রাজার অত্যাধিক অত্যাচারের কারনে রাধা এবং ১৫০০ জন গোপিনীকে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ পালিয়ে আসেন। টাঙ্গাইল জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাটাঙ্গাইল জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ২০১ গম্বুজ মসজিদ, এসপি পার্ক, ধনবাড়ি, পাকুটিয়া ও মহেরা জমিদার বাড়ী এবং মধুপুর জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে নিজস্ব পরিবহন অথবা বাসে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক দিয়ে সরাসরি ঘাটাইল উপজেলায় পৌঁছানো যায়।
এছাড়া টাঙ্গাইল হয়েও ঘাটাইলে যেতে পারবেন।
ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে সিএনজি ভাড়া নিয়ে ২৭ কিলোমিটার দূরে গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য ঘাটাইলের চেয়ে টাঙ্গাইল শহরে থাকা বেশী সুবিধাজনক। টাঙ্গাইল শহরে নানা ধরণের আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি রয়েছে সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা।
কোথায় খাবেন?
ঘাটাইলে খাওয়ার জন্য নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। এদের মধ্যে হোটেল তাজমহল, ফুড ভিলেজ, হোটেল ৫ স্টার ও প্রাপ্তি রেস্তোরা উল্লেখযোগ্য। আর অবশ্যই টাঙ্গাইল ঘুরতে আসলে পাঁচআনি বাজারের সুপরিচিত পোড়াবাড়ীর চমচমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গুপ্ত বৃন্দাবন কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে নিজস্ব পরিবহন অথবা বাসে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক দিয়ে সরাসরি ঘাটাইল উপজেলায় পৌঁছানো যায়। এছাড়া টাঙ্গাইল হয়েও ঘাটাইলে যেতে পারবেন। ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে সিএনজি ভাড়া নিয়ে ২৭ কিলোমিটার দূরে গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামে যাওয়া যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য ঘাটাইলের চেয়ে টাঙ্গাইল শহরে থাকা বেশী সুবিধাজনক। টাঙ্গাইল শহরে নানা ধরণের আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি রয়েছে সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর মতো
গুপ্ত বৃন্দাবন সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পুর্বে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলয় রাধা কৃষ্ণের ভক্তদের পুণ্যজায়গা গুপ্ত বৃন্দাবন (Gupta Brindaban) গ্রাম রয়েছে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি ইত্যাদি উল
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
