সুখিয়া ভ্যালি (Sukhiya Valley) পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার একটা পর্যটন স্পট। আপনার যদি মেঘ দেখার পাশাপাশি মাতামুহুরী নদীর ভিউ দেখার ইচ্ছে থাকে তাহলে সুখিয়া ভ্যালি উপযুক্ত জায়গা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

সুখিয়া ভ্যালি সম্পর্কে
এই ঝুম ঘর গুলোতে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ টাকা এক সাথে থাকতে পারবেন ৬/৮ জন। মোবাইলঃ 01735-812092
কোথায় খাবেন
সুখিয়া ভ্যালিতে কটেজ গুলোতে খাওয়ার জন্য প্যাকেজ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। লামা বাস টার্মিনাল থেকে জনপ্রতি ৩০ টাকা ভাড়ায় অটোতে করে চলে আসতে পারবেন সুখিয়া ভ্যালি। মিরিঞ্জা ভ্যালিতে বহু গুলো রিসোর্ট থাকলেও সুখিয়া ভ্যালিতে এত রিসোর্ট কটেজ নেই।
চকরিয়া থেকে লোকাল ভাবে জীপে/বাসে/অটোরিকশায় লামা বাস টার্মিনাল যাওয়ার জন্য ৭০-১০০ টাকা ভাড়া লাগবে। জনপ্রতি খাবারের প্যাকেজ মূল্য ৭৫০-৮৫০ টাকা। ঢাকা থেকে আলীকদমের বাসে লামা আসা যায় সরাসরি।
প্রয়োজনে গাড়ি রিজার্ভ করার সুযোগ পাবেন। আর মাতামুহুরী নদী থেকে নৌকা ভাড়া নিয়ে ঘুরে দেখতে পাওয়া যায় আশেপাশের চমৎকার কিছু স্পট মিনঝিরি পাড়া, সাদা পাহাড়, সুখিয়া ও দুখিয়া পাহাড়সহ আরও কয়েকটি দর্শনীয় স্পট। তাই সঙ্গে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি রাখবেন।
সুখিয়া ভ্যালীর রিসোর্টসুখিয়া ভ্যালি ও তার আশেপাশে জনপ্রিয় কিছু রিসোর্টের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলোঃসুখিয়া ভ্যালী রিসোর্ট (Sukhiya Valley Resort): সুখিয়া ভ্যালি ইকো রিসোর্ট এ বেশকিছু ঝুম ঘর ও কটেজ রয়েছে। যদিও লামা আসতে না পারলে কক্সবাজার গামী বাসে চকরিয়া এসে সেখান থেকে লামা যাওয়া যাবে সহজে। জুমঘর গুলোতে ৬ থেকে ১০ জন পর্যন্ত থাকা যায়, ভাড়া ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।
যেসব দর্শনার্থী এডভেঞ্চার পছন্দ করেন তাদের জন্য এখানে হিল হাইকিং ও ট্র্যাকিং করার ব্যবস্থা আছে। সুখিয়া ভ্যালি থেকে সকালের সূর্যোদয়, চারপাশে সবুজ পাহাড় ও মাতামুহুরি নদীর দৃশ্য ও বিকেলের সূর্যাস্ত, যেকোন সময় দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করে। সকালের নাস্তায় থাকে প্রায়ই ডিম খিচুরি।
সন্ধায় থাকবে চা-বিস্কিট ও রাতে বারবিকউ। যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬০০ ফুট উঁচুতে রয়েছে। চকোরিয়া থেকে লামা যাওয়া যাবে চান্দের গাড়ি, জীপ, বাস কিংবা অটোরিকশায় করে।
ওয়াচ টাওয়ারের পাশেই রয়েছে জুম ঘর ও ক্যাম্পিং করার যায়গা। মোবাইলঃ 01804-435555সুখিয়া মাচাংডং ভ্যালি (Sukhiya MachangDong Valley): সুখিয়া মাচাংডং ভ্যালি রিসোর্টে রয়েছে তিনটি ঝুম ঘর ও একটা প্রিমিয়াম রুম। পিক সিজনে ছুটির দিন যাবার সময় তাই আগেই যোগাযোগ করে যাওয়া ভালো হবে।
সুখিয়া ভ্যালিতে পাহাড়ের চুড়ায় রয়েছে একটা ওয়াচ টাওয়ার যেখান থেকে মাতামুহুরী নদী ও এর দুই পাশে সুখিয়া ও দুখিয়া পাহাড় দেখা যায়। চট্টগ্রাম থেকে লামা যেতে চাইলে বাসে বা ট্রেনে চট্টগ্রাম এসে নতুন ব্রীজ বাস স্ট্যান্ড থেকে চকোরিয়ায় যাবার বাস পাওয়া যায়। এই রিসোর্টে থাকতে প্রতি রাতে খরচ হবে ২,০০০ টাকা থেকে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত।
নৌকা ভাড়া করার সময় কি কি স্পট ঘুরে দেখাবে তা ভাল করে জেনে নিন। দুপুরে থাকবে সাদা ভাত, সবজি, মুরগি ও ডাল। সবগুলো জুমঘরের সাথে থাকা, নদীর প্রবেশ টিকেট এবং চিল জোন অন্তর্ভুক্ত।
চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ বাস স্ট্যান্ড থেকে চকরিয়া যেতে ভাড়া লাগবে ২০০-২৫০ টাকা। মোবাইলঃ 01879-511500রিভারভিউ রিসোর্ট (Riverview Resort): সুখিয়া ভ্যালীর আরেকটি পরিচিত রিসোর্ট হর রিভারভিউ ইকো রিসোর্ট। সুখিয়া ভ্যালি যাওয়ার উপায়সুখিয়া ভ্যালির এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে প্রথমে বান্দরবানের লামা (Lama) উপজেলায় আসতে হবে।
যদিও এই ভ্যালিতে খুব বেশি রিসোর্ট ও কটেজ নেই। ঝুম ঘর এর ভাড়া ২,০০০ টাকা থাকা যাবে ৪/৫ জন ও প্রিমিয়াম রুম এর ভাড়া ৩,৫০০ টাকা। কটেজগুলো তুলনামূলক আরামদায়ক একসঙ্গে থাকতে পারবেন ৭-৮ জন, খরচ পড়বে ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা।
রাজধানী ঢাকা থেকে শ্যামলী, এনা, এভারগ্রীন, হানিফ, সৌদিয়া ও এমাদ পরিবহনের বাসে করে চকরিয়া আসতে ভাড়া লাগবে ৮৬০-২,০০০ টাকা। মোবাইলঃ 01898-938687ক্যপ্রাং ইকো রিসোর্ট (KyakPrang Eco Resort): ক্যপ্রাং ইকো রিসোর্ট এর তিন ধরনের ঝুম ঘরে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ টাকা থেকে ৩,০০০ টাকা। ভ্রমন টিপসলামা বাজারে সেনাবাহিনী চেকপোস্ট রয়েছে।
তাছাড়া যারা প্রকৃতির আরও কাছাকাছি থাকতে চান তাদের জন্য রয়েছে তাবুতে রাত কাটানোর সুযোগ জনপ্রতি কেবল ২৫০-৩০০ টাকায়। মোবাইলঃ 01602343477চান্দের পাহাড় অ্যাডভেঞ্চার রিসোর্ট (Chander Pahar Adventure Resort): চাঁদের পাহাড় অ্যাডভেঞ্চার রিসোর্ট বান্দরবানের লামায় রয়েছে একটা লাক্মারিয়াস প্রিমিয়াম রিসোর্ট। এই রিসোর্টে থাকতে খরচ হবে ২,২০০ টাকা থেকে ৩,৫০০ টাকা।
লামার জনপ্রিয় মিরিঞ্জা ভ্যালির মত এটিও একটা ভ্যালি।
সুখিয়া ভ্যালি কোথায় থাকবেন
সুখিয়া ভ্যালিতে থাকার জন্য রয়েছে ১০টিরও বেশি জুমঘর ও কটেজ। ট্র্যাকিংয়ের সময় ভালো গ্রিপের জুতা ও মাস্ক সঙ্গে রাখতে পারেন। আরও পড়ুনমিরিঞ্জা ভ্যালিবার্গি লেক ভ্যালি
কীভাবে যাবেন?
সুখিয়া ভ্যালির এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে প্রথমে বান্দরবানের লামা (Lama) উপজেলায় আসতে হবে।
চকরিয়া থেকে লোকাল ভাবে জীপে/বাসে/অটোরিকশায় লামা বাস টার্মিনাল যাওয়ার জন্য ৭০-১০০ টাকা ভাড়া লাগবে।
চকোরিয়া থেকে লামা যাওয়া যাবে চান্দের গাড়ি, জীপ, বাস কিংবা অটোরিকশায় করে।
প্রয়োজনে গাড়ি রিজার্ভ করার সুযোগ পাবেন।
যদিও লামা আসতে না পারলে কক্সবাজার গামী বাসে চকরিয়া এসে সেখান থেকে লামা যাওয়া যাবে সহজে।
চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ বাস স্ট্যান্ড থেকে চকরিয়া যেতে ভাড়া লাগবে ২০০-২৫০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
সুখিয়া ভ্যালিতে থাকার জন্য রয়েছে ১০টিরও বেশি জুমঘর ও কটেজ। তাছাড়া যারা প্রকৃতির আরও কাছাকাছি থাকতে চান তাদের জন্য রয়েছে তাবুতে রাত কাটানোর সুযোগ জনপ্রতি কেবল ২৫০-৩০০ টাকায়। মিরিঞ্জা ভ্যালিতে বহু গুলো রিসোর্ট থাকলেও সুখিয়া ভ্যালিতে এত রিসোর্ট কটেজ নেই। জুমঘর গুলোতে ৬ থেকে ১০ জন পর্যন্ত থাকা যায়, ভাড়া ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। কটেজগুলো তুলনামূলক আরামদায়ক একসঙ্গে থাকতে পারবেন ৭-৮ জন, খরচ পড়বে ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। পিক সিজনে ছুটির দিন যাবার সময় তাই আগেই যোগাযোগ করে যাওয়া ভালো হবে।
কোথায় খাবেন?
সুখিয়া ভ্যালিতে কটেজ গুলোতে খাওয়ার জন্য প্যাকেজ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সন্ধায় থাকবে চা-বিস্কিট ও রাতে বারবিকউ। দুপুরে থাকবে সাদা ভাত, সবজি, মুরগি ও ডাল। সকালের নাস্তায় থাকে প্রায়ই ডিম খিচুরি। জনপ্রতি খাবারের প্যাকেজ মূল্য ৭৫০-৮৫০ টাকা।
ট্রাভেল টিপস
লামা বাজারে সেনাবাহিনী চেকপোস্ট রয়েছে। তাই সঙ্গে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি রাখবেন। ট্র্যাকিংয়ের সময় ভালো গ্রিপের জুতা ও মাস্ক সঙ্গে রাখতে পারেন। নৌকা ভাড়া করার সময় কি কি স্পট ঘুরে দেখাবে তা ভাল করে জেনে নিন। আরও পড়ুনমিরিঞ্জা ভ্যালিবার্গি লেক ভ্যালি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সুখিয়া ভ্যালি কীভাবে যাবেন?
সুখিয়া ভ্যালির এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে প্রথমে বান্দরবানের লামা (Lama) উপজেলায় আসতে হবে। চকরিয়া থেকে লোকাল ভাবে জীপে/বাসে/অটোরিকশায় লামা বাস টার্মিনাল যাওয়ার জন্য ৭০-১০০ টাকা ভাড়া লাগবে। চকোরিয়া থেকে লামা যাওয়া যাবে চান্দের গাড়ি, জীপ, বাস কিংবা অটোরিকশায় করে।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সুখিয়া ভ্যালিতে থাকার জন্য রয়েছে ১০টিরও বেশি জুমঘর ও কটেজ। তাছাড়া যারা প্রকৃতির আরও কাছাকাছি থাকতে চান তাদের জন্য রয়েছে তাবুতে রাত কাটানোর সুযোগ জনপ্রতি কেবল ২৫০-৩০০ টাকায়। মিরিঞ্জা ভ্যালিতে বহু গুলো রিসোর্ট থাকলেও সুখিয়া ভ্যালিতে এত রিসোর্ট কটেজ নেই। জুমঘর গুলোতে ৬ থেকে ১০ জন পর্যন্ত থাকা যায়
সুখিয়া ভ্যালি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সুখিয়া ভ্যালি (Sukhiya Valley) পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার একটা পর্যটন স্পট। আপনার যদি মেঘ দেখার পাশাপাশি মাতামুহুরী নদীর ভিউ দেখার ইচ্ছে থাকে তাহলে সুখিয়া ভ্যালি উপযুক্ত জায়গা। এই ঝুম ঘর গুলোতে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ টাকা এক সাথে থাকতে পারবেন ৬/৮ জন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

