বাগেরহাট জেলা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের চুনাখোলা গ্রামে প্রাচীন পুরাকীর্তির এক অনন্য নিদর্শন চুনাখোলা মসজিদ (Chuna Khola Mosque) রয়েছে। ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

চুনাখোলা মসজিদ সম্পর্কে
মসজিদের দেয়ালের ফুল, লতা পাতাসহ নানা মোটিফের পোড়ামাটির অলংকরণ বিশেষত লক্ষণীয়। কোথায় খাবেনবাগেরহাটের বিবি হোটেল, পর্যটন রেস্তোরাঁ, বিসমিল্লাহ হোটেল, ব্ল্যাক চেরী, রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। হযরত খান জাহান আলী (রঃ) নানা স্থাপনায় ব্যবহারের প্রয়োজনীয় চুন উৎপাদনের জন্য চুনখোলা কেন্দ্র স্থাপন করেন।
বাগেরহাট শহর থেকে রিকশা নিয়ে ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে কেবল কয়েক মিনিটের হাঁটা দূরত্বে রয়েছে চুনাখোলা মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন। বাগেরহাটের পরিচিত খাবারের মধ্যে চুইঝাল দিয়ে গরুর গোস্ত, অনিকের রসগোল্লা, সেমাই পিঠা ও নারিকেল চিংড়ি অন্যতম। কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
মসজিদের চার কোণায় ৪টি মিনার, পশ্চিমের দেয়ালে কারুকার্যখচিত ৩টি মিহরাব এবং পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে সর্বমোট ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো ইতিহাস-সমৃদ্ধ চুনখোলা মসজিদকে “বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য” হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। সুলতানী আমলে নির্মিত অর্ধগম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকার চুনখোলা মসজিদ বাইরের দিক ৪৯ ফুট, অভ্যন্তরীণভাগ ২৫ ফুট এবং বাইরের প্রতি দেয়ালের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার।
কোথায় থাকবেনবাগেরহাট শহরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি, সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য। ধারণা করা হয়, ১৫ শতকে হযরত খান জাহান (রঃ) এর এক অনুগত কর্মচারী মধ্যযুগীয় স্থাপত্যে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। ফলে পোড়ামাটির অলংকরণে নির্মিত মসজিদটি চুনাখোলা মসজিদ হিসেবে পরিচিতি পায়।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে। ১৯৭৫ সালে মসজিদটিকে ইতিহাস-সমৃদ্ধ পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে খুলনার বাগেরহাট পৌঁছানো যায়। বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় জায়গাবাগেরহাটের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার, নয় গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট জাদুঘর, কচিখালী সমুদ্র সৈকত, চন্দ্রমহল ইকো পার্ক ও মোংলা বন্দর উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে খুলনার বাগেরহাট পৌঁছানো যায়।
ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।
কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
বাগেরহাট শহর থেকে রিকশা নিয়ে ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে কেবল কয়েক মিনিটের হাঁটা দূরত্বে রয়েছে চুনাখোলা মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাট শহরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি, সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
বাগেরহাটের বিবি হোটেল, পর্যটন রেস্তোরাঁ, বিসমিল্লাহ হোটেল, ব্ল্যাক চেরী, রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। বাগেরহাটের পরিচিত খাবারের মধ্যে চুইঝাল দিয়ে গরুর গোস্ত, অনিকের রসগোল্লা, সেমাই পিঠা ও নারিকেল চিংড়ি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চুনাখোলা মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে খুলনার বাগেরহাট পৌঁছানো যায়। ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন। এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাট শহরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি, সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য।
চুনাখোলা মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাগেরহাট জেলা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের চুনাখোলা গ্রামে প্রাচীন পুরাকীর্তির এক অনন্য নিদর্শন চুনাখোলা মসজিদ (Chuna Khola Mosque) রয়েছে। ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিব
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


