bangladesh · Editorial

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

বাংলাদেশের নানা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/আদিবাসী/উপজাতি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রাম জেলার আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলর

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বাংলাদেশের নানা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/আদিবাসী/উপজাতি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রাম জেলার আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলর বাদামতলী মোড় সংলগ্ন দেশের এককেবল জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর (Ethnological Museum) প্রতিষ্ঠা করা হয়। নৃতাত্ত্বিক জিনিসপত্র ছাড়াও জাদুঘরে একটা গ্রন্থাগার ও চমৎকার গুছানো বাগান রয়েছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর সম্পর্কে

কীভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস, সিএনজি ও রিকশায় চড়ে আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলয় রয়েছে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে যেতে পারবেন। আর ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। কোথায় খাবেনচট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য হোটেল জামানের বেশ সুনাম রয়েছে।

তাছাড়া বাংলাদেশের ২৫টি এবং বিশ্বের আরও ৫টি জাতিতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর তুলনামূলক বিশ্লেষণ এই জাদুঘরকে সমৃদ্ধ করেছে। মানচিত্র, মডেল, কৃত্রিম আবহ, দেওয়াল চিত্র ইত্যাদি ব্যবহার করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বাস্তব প্রবাহ চিত্র দেখানো হয়েছে। আর মেজবানি খাবারের জন্য চকবাজারের মেজবান হাইলে আইয়্যুন রেস্তোরাঁ প্রসিদ্ধ।

উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সম্পর্কে জানার আগ্রহে প্রত্যেক দিন অসংখ্য ভ্রমণকারী এই জাদুঘরে আসেন। ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ১৩৯৮ টাকা। জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরের টিকিট মূল্য জনপ্রতি ১০ টাকা।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। জাদুঘরের ৩টি গ্যালারীতে ২৫টি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর বিচিত্র ব্যবহার্য সামগ্রী (যেমন- ফুলদানী, কাপড়, নৌকা, কাচি, অলঙ্কার, বাঁশের পাইপ ইত্যাদি রাখা আছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে অসংখ্য ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ ছড়িয়ে আছে।

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠী মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, মারমা, বম, স্নো, খুমি, খিয়াং, চাক, পাবেখো, রাখাইন, মনিপুরী, খাসিয়া, পাঙন, গারো, হাজং, দালু, মান্দাই, কোচ, সাঁওতাল, ওরাঁও, রাজবংশী, পলিয়া, বুনো, বা বোনা, বাগদি প্রভৃতির জাতিতাত্ত্বিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকাস্থ সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন/এসি বাসে চট্টগ্রাম পৌঁছানো যায়। তাছাড়া পাকিস্তানের পাঠান, সিন্ধি, কাফির, পাঞ্জাবী, সোয়াত; ভারতের ফুওয়া, আদি, মিজো, মুরিয়া; কিরগিজজায়গা (প্রাক্তন রাশিয়া), অস্ট্রেলিয়ারও জার্মানির নানা নিদর্শন প্রদর্শিত আছে।

জাদুঘরটি প্রতি সপ্তাহের রবিবার এবং সকল সরকারী ছুটির দিনে বন্ধ থাকে। কোথায় থাকবেনচট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। জাদুঘরের ১১টি প্রদর্শনী কক্ষে ২৯টি নৃগোষ্ঠীর আচার, রীতি-নীতি, জীবন প্রবাহকে নিপুণতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে।

এসব আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ১.২৫ একর জমির উপর স্থাপিত চট্টগ্রামের জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর এশিয়া মহাদেশে রয়েছে অন্য জাদুঘরের (জাপান) তুলনায় আকার-আয়তন ও সংগ্রহের ব্যাপকতায় বৃহত্তম। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, ক্যাফে ৮৮, গ্রিডি গাটস, সেভেন ডেইজ, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ প্রভৃতি অন্যতম।

কীভাবে যাবেন?

চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস, সিএনজি ও রিকশায় চড়ে আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলয় রয়েছে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে যেতে পারবেন।

আর ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকাস্থ সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন/এসি বাসে চট্টগ্রাম পৌঁছানো যায়।

ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ১৩৯৮ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য হোটেল জামানের বেশ সুনাম রয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে অসংখ্য ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ ছড়িয়ে আছে। আর মেজবানি খাবারের জন্য চকবাজারের মেজবান হাইলে আইয়্যুন রেস্তোরাঁ প্রসিদ্ধ। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, ক্যাফে ৮৮, গ্রিডি গাটস, সেভেন ডেইজ, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ প্রভৃতি অন্যতম।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর কীভাবে যাবেন?

চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস, সিএনজি ও রিকশায় চড়ে আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলয় রয়েছে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে যেতে পারবেন। আর ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাত

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বাংলাদেশের নানা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/আদিবাসী/উপজাতি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রাম জেলার আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক অঞ্চলর বাদামতলী মোড় সংলগ্ন দেশের এককেবল জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর (Ethnological Museum) প্রতিষ্ঠা করা হয়। নৃতাত্ত্বিক জিনিসপত্র ছাড়াও জাদুঘরে একটা গ্রন্থাগার ও চ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.