চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি গ্রামে টিলার উপর মহামুনি বৌদ্ধ বিহার (Mahamuni Buddhist Vihara) রয়েছে। ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মং সার্কেল রাজা মহামুনি বৌদ্ধ বিহার চত্বরে চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে এক মেলার প্রবর্তন করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মহামুনি বৌদ্ধ বিহার সম্পর্কে
কীভাবে যাবেন
মহামুনি বৌদ্ধ বিহার দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেলের খোঁজ নিয়ে যাচাই করে নিন। আবার ড. রামচন্দ্র বড়ুয়া তাঁর ‘চট্টগ্রামের মগের ইতিহাস প্রাগুক্ত’ গ্রন্থে ১৮০৫ সালে মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের মন্দির ও মুর্তি নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
কোথায় খাবেন
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে হোটেল জামান থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন। ধারণা করা হয়, ১৮১৩ সালে চাইংগা ঠাকুর নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে এই বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন সময়ে অবিভক্ত বাংলার নানা প্রান্ত থেকে প্রচুর ভ্রমণকারী মেলায় আগমন করতেন।
ইতিহাস-সমৃদ্ধ মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের জন্য এখন এই গ্রামটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থজায়গাে পরিণত হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম শহর জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বেশকিছু ভালমানের রেস্তোরাঁ। যা দেশজুড়ে মহামুনি মেলা নামে পরিচিতি লাভ করে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ঢাকা থেকে বেশকিছু বিমান সংস্থা চট্টগ্রামগামী ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয় মহামুনি মন্দির।
এরপর চট্টগ্রাম থেকে বাসে কাপ্তাই সড়ক ধরে রাউজান পাহাড়তলী নেমে সিএনজি কিংবা রিকশায় চড়ে মহামুনি বৌদ্ধ বিহার যেতে পারবেন। আর ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস কিংবা চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই স্থাপনাটি প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ নিদর্শন এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
কোথায় থাকবেন
চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডি রেস্তোরাঁ, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মার-মেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আর মেজবানি খাবারের জন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়ুন” রেস্তোরার বেশ সুনাম রয়েছে।
রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন, হানিফ, শ্যামলী, সোহাগ, এস.আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করে। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি হোটেলে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কীভাবে যাবেন?
মহামুনি বৌদ্ধ বিহার দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে।
আর ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস কিংবা চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।
রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন, হানিফ, শ্যামলী, সোহাগ, এস.আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এরপর চট্টগ্রাম থেকে বাসে কাপ্তাই সড়ক ধরে রাউজান পাহাড়তলী নেমে সিএনজি কিংবা রিকশায় চড়ে মহামুনি বৌদ্ধ বিহার যেতে পারবেন।
এছাড়া ঢাকা থেকে বেশকিছু বিমান সংস্থা চট্টগ্রামগামী ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেলের খোঁজ নিয়ে যাচাই করে নিন। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি হোটেলে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে হোটেল জামান থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়া চট্টগ্রাম শহর জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বেশকিছু ভালমানের রেস্তোরাঁ। আর মেজবানি খাবারের জন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়ুন” রেস্তোরার বেশ সুনাম রয়েছে। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডি রেস্তোরাঁ, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মার-মেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মহামুনি বৌদ্ধ বিহার কীভাবে যাবেন?
মহামুনি বৌদ্ধ বিহার দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। আর ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস কিংবা চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। রাজধ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেলের খোঁজ নিয়ে যাচাই করে নিন। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি হোটেলে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
মহামুনি বৌদ্ধ বিহার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি গ্রামে টিলার উপর মহামুনি বৌদ্ধ বিহার (Mahamuni Buddhist Vihara) রয়েছে। ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মং সার্কেল রাজা মহামুনি বৌদ্ধ বিহার চত্বরে চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে এক মেলার প্রবর্তন করেন। কীভাবে যাবেনমহামুনি বৌদ্ধ বিহার দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

