লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত (Laldiya Forest And Sea Beach) বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণে রয়েছে। চমৎকারবনের বরগুনা (Barguna) অংশে রয়েছেে হরিণঘাটার ভেতর দিয়ে ঘণ্টা দুয়েক পায়ে হেঁটে এগিয়ে গেলে লালদিয়ার বন চোখে পড়ে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
অথবা চমৎকারবনের হরিণঘাটা দিয়ে পায়ে হেটে লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত দেখতে যেতে পারবেন। লালদিয়া বনের পাখির কলরব, সমুদ্রের বুনো সৌন্দর্য্য, গাংচিল আর লাল কাকড়ার ছুটে চলা ভ্রমণ পিয়াসী মনকে প্রকৃতির সাথে একাত্ম করে দেয়। কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে শুঁটকি চাষ করা হয়, যা ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে চলছে।
আয়তনে ছোট হলেও এ সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য্য কোন অংশেও কম নয়। ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে ইসলাম পরিবহন, শ্যামলী এনআর ট্রাভেলস, সোনারতরী পরিবহন, দ্রুতি পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, আবদুল্লাহ পরিবহন এবং আরো বেশকিছু বাস সার্ভিস এই পথে চলাচল করে। লঞ্চে বরগুনায় পৌছাইতে সময় লাগবে প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা।
লালদিয়া বনের পূর্ব দিকে বিশখালী এবং পশ্চিম দিক দিয়ে বলেশ্বর নদী বয়ে গেছে। বরগুনা শহরে থাকার জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। বরগুনা থেকে লালদিয়া বনে যাওয়ার জন্য ট্রলার এবং নৌকা ভাড়ায় পাওয়া যায়।
হাতে সময় থাকলে কুয়াকাটাও ঘুরে দেখে আসতে পারেন। যদিও এখানে প্রস্তুতকৃত শুটকির ৯০ ভাগ হাঁস-মুরগির খাদ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। আর ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম. ভি এম ভি পূবালী ১, এম ভি চমৎকারবন ৭, এম ভি ইয়াদ ৩ সহ আরো বেশকিছু ডাইরেক্ট এবং লোকাল লঞ্চ বিকেল ৫ টা হতে ৬ টার মধ্যে বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
যেভাবে যাবেনঢাকা থেকে সড়ক এবং নৌপথে বরগুনায় যাওয়া যায়। নোটঃ লালদিয়া থেকে কুয়াকাটা কেবল ৪৫ মিনিটের পথ। দুই নদী এবং সাগরের মোহনায় ঘেরা এ বনের পূর্ব প্রান্তে রয়েছে সমুদ্র সৈকত।
বাস ভাড়া লাগবে ৬৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। লালদিয়া সমুদ্র সৈকতের পাশে একটা শুটকি পল্লী রয়েছে। এসব লঞ্চের ডেকের ভাড়া ৫০০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১,৩০০ টাকা ও ডাবল কেবিন ২,৫০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
রাত্রি যাপনের জন্য আপনাকে বরগুনা সদরে ফিরে আসতে হবে। এদের মধ্যে- জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ এল.জি.ই.ডি রেস্ট হাউস, পানি উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজ, খামারবাড়ি রেস্ট হাউজ, গণপূর্ত বিভাগ, গ্র্যান্ড খান গেস্ট হাউস, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল গ্রীনভিউ ইন্টারন্যাশনাল এ্যাগ্রো সার্ভিস সেন্টার, সি আর পি রেস্ট হাউজ, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল তাজবিন, হোটেল আলম, হোটেল মৌমিতা, হোটেল ফাল্গুনী উল্লেখযোগ্য। আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক এবং নৌপথে বরগুনায় যাওয়া যায়।
এসব লঞ্চের ডেকের ভাড়া ৫০০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১,৩০০ টাকা ও ডাবল কেবিন ২,৫০০ টাকা।
বাস ভাড়া লাগবে ৬৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা।
আর ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম. ভি এম ভি পূবালী ১, এম ভি চমৎকারবন ৭, এম ভি ইয়াদ ৩ সহ আরো বেশকিছু ডাইরেক্ট এবং লোকাল লঞ্চ বিকেল ৫ টা হতে ৬ টার মধ্যে বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে ইসলাম পরিবহন, শ্যামলী এনআর ট্রাভেলস, সোনারতরী পরিবহন, দ্রুতি পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, আবদুল্লাহ পরিবহন এবং আরো বেশকিছু বাস সার্ভিস এই পথে চলাচল করে।
লঞ্চে বরগুনায় পৌছাইতে সময় লাগবে প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা।
কোথায় থাকবেন?
রাত্রি যাপনের জন্য আপনাকে বরগুনা সদরে ফিরে আসতে হবে। বরগুনা শহরে থাকার জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। এদের মধ্যে- জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ এল.জি.ই.ডি রেস্ট হাউস, পানি উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজ, খামারবাড়ি রেস্ট হাউজ, গণপূর্ত বিভাগ, গ্র্যান্ড খান গেস্ট হাউস, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল গ্রীনভিউ ইন্টারন্যাশনাল এ্যাগ্রো সার্ভিস সেন্টার, সি আর পি রেস্ট হাউজ, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল তাজবিন, হোটেল আলম, হোটেল মৌমিতা, হোটেল ফাল্গুনী উল্লেখযোগ্য। আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক এবং নৌপথে বরগুনায় যাওয়া যায়। এসব লঞ্চের ডেকের ভাড়া ৫০০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১,৩০০ টাকা ও ডাবল কেবিন ২,৫০০ টাকা। বাস ভাড়া লাগবে ৬৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। আর ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম. ভি এম ভি পূবালী ১, এম ভি চমৎকারবন ৭, এম ভি ইয়াদ ৩ সহ আরো বেশকিছু ডাইরেক্ট এবং লোকাল লঞ্
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাত্রি যাপনের জন্য আপনাকে বরগুনা সদরে ফিরে আসতে হবে। বরগুনা শহরে থাকার জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। এদের মধ্যে- জেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ এল.জি.ই.ডি রেস্ট হাউস, পানি উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজ, খামারবাড়ি রেস্ট হাউজ, গণপূর্ত বিভাগ, গ্র্যান্ড খান গেস্ট হাউস, বরগুনা রেস্ট হাউজ, হোটেল গ্রীনভিউ
লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত (Laldiya Forest And Sea Beach) বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণে রয়েছে। চমৎকারবনের বরগুনা (Barguna) অংশে রয়েছেে হরিণঘাটার ভেতর দিয়ে ঘণ্টা দুয়েক পায়ে হেঁটে এগিয়ে গেলে লালদিয়ার বন চোখে পড়ে। অথবা চমৎকারবনের হরিণঘাটা দিয়ে পায়ে হেটে লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত দেখতে যেতে পারবে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
