পাঁচশো বছর আগে যখন এই মসজিদটি তৈরি হয়েছিল, তখন বাংলায় মুঘল সাম্রাজ্যের ছায়া পড়েনি। সুলতানি আমলের সেই ঐতিহ্য আজও অটুট দাঁড়িয়ে আছে হবিগঞ্জের রাজিউড়ায় — শংকরপাশা শাহী মসজিদ।
🕌 নির্মাণকাল: ১৫ শতক (সুলতানি আমল)
🎟️ প্রবেশ মূল্য: বিনামূল্যে
⏱️ ভ্রমণ সময়: ২–৩ ঘণ্টা যথেষ্ট
কেন যাবেন শংকরপাশা শাহী মসজিদে?
বাংলাদেশে সুলতানি আমলের অক্ষত মসজিদ এখন বিরল। শংকরপাশা শাহী মসজিদের টেরাকোটার নকশা, তিন গম্বুজের স্থাপত্য এবং শত বছরের নিঃশব্দ ইতিহাস ইতিহাসপ্রেমী ও ফটোগ্রাফারদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য।
কীভাবে যাবেন
- ঢাকা থেকে: হবিগঞ্জ বা বানিয়াচংগামী বাসে যান (৪–৫ ঘণ্টা)
- বানিয়াচং থেকে: সিএনজি বা অটোরিকশায় রাজিউড়া যাওয়া যায়
- হবিগঞ্জ শহর থেকে: বানিয়াচং হয়ে মসজিদে পৌঁছাতে ৩০–৪৫ মিনিট
মসজিদে কী দেখবেন

তিন গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদের দেয়ালে পোড়ামাটির (টেরাকোটা) অপূর্ব নকশা রয়েছে। মসজিদের সামনের পুকুর ও চারপাশের সবুজ পরিবেশ ছবি তোলার জন্য আদর্শ।
কোথায় থাকবেন
৫০০–১,৫০০৳ রেঞ্জে হোটেল পাওয়া যায়। মসজিদ দেখে ফিরে রাত কাটানো যায়।
সীমিত আবাসন আছে, মূলত দিনে গিয়ে ফেরার পরিকল্পনাই ভালো।
কোথায় খাবেন
বানিয়াচং বাজারে সাধারণ মানের স্থানীয় খাবার পাওয়া যায়। ভালো রেস্তোরাঁর জন্য হবিগঞ্জ শহরে যাওয়াই ভালো।
আনুমানিক বাজেট
বাস টিকেট, হোটেল বুকিং সব এক প্ল্যাটফর্মে। Tripzao.com ভিজিট করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো, সুলতানি আমলে ১৫ শতকে নির্মিত।
না, বিনামূল্যে প্রবেশ করা যায়।
হবিগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ১৫–২০ কিলোমিটার, বানিয়াচং হয়ে যেতে হয়।