মুন্সিগঞ্জ জেলার মীরকাদিমের দরগাবাড়ী গ্রামে কাফুরশাহ্ কর্তৃক নির্মিত ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট বাবা আদম মসজিদ (Baba Adam Mosque) রয়েছে। পরবর্তীতে ১১৭৮ সালে সেন শাসনামলে তিনি মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমে আগমণ করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

বাবা আদম মসজিদ সম্পর্কে
চাইলে নৌপথে মুন্সিগঞ্জ যেতে পারবেন। জায়গাীয় যুদ্ধে অত্যাচারী হিন্দু রাজা বল্লাল সেনের হাতে প্রাণ হারান এই সাধক। মসজিদের দক্ষিন পূর্ব কোণে আছে বাবা আদমের মাজার।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক পথে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার। মসজিদের সম্মুখভাগের তিনটি খিলানাকৃতির প্রবেশ পথের মধ্যে এখন শুধু মাঝখানের পথটিই ব্যবহৃত হয়। ৬ টি গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের অভ্যন্তরীন অংশের পশ্চিম দেয়ালে অর্ধ বৃত্তাকার কারুকাজ খচিত অবতল মেহরাব ও চার কোনায় গ্রানাইট পাথরের নির্মিত চারটি অষ্টভুজাকৃতির অলংকৃত মিনার রয়েছে।
কোথায় থাকবেনএকদিনে ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। মুন্সিগঞ্জের চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুড়ি) এবং ভাগ্যকুলের মিষ্টি বেশ পরিচিত খাবার। মুন্সিগঞ্জ হতে রিকশা নিয়ে ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই বাবা আদম মসজিদ পৌঁছে যাবেন।
তাছাড়া মসজিদের পূর্ব দেয়ালের ওপরের দিকে ফারসি ভাষায় খোঁদাই করা কালো পাথরের ফলক রয়েছে। শহীদ বাবা আদমের মৃত্যুর ৩১৯ বছর পর ১৪৮৩ সালে বাবা আদম মসজিদ নির্মাণ করা হয়। কোথায় খাবেনমুন্সিগঞ্জে উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।
মুন্সিগঞ্জের আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সুদূর আরবে জন্ম নিয়েও ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে সাধক বাবা আদম শহীদে (রাঃ) ভারতবর্ষে পদার্পণ করেন। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ঐতিহ্যবাহী বাবা আদম মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আনা হয় এবং ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই মসজিদের ছবি দিয়ে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জে পৌঁছানো যায়। প্রায় ৫৩০ বছর ধরে ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদটি পুরাকালের আত্নত্যাগী বাবা আদমের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেয়। মুসলিম স্থাপত্য শৈলীতে লাল পোড়ামাটির নকশাকৃত ইটের ব্যবহারে নির্মিত মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪৩ ফুট ও প্রস্থ ৩৬ ফুট।
সেক্ষেত্রে ঢাকার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সিগঞ্জগামী লঞ্চে চড়ে বসুন। তবুও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্ট সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। এরপর মুন্সিগঞ্জ থেকে রিকশা নিয়ে সরাসরি চলে যান বাবা আদম মসজিদে।
সেই সময় মুন্সিগঞ্জ ছিল বল্লাল সেনের রাজত্বে। বছর জুড়ে দেশ বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণকারীরা এই মসজিদ দেখতে আসেন। কেন্দ্রীয় প্রবেশ পথের দুইপাশে প্রাচীন চিত্র ফলকের কাজ নজর কাড়ার মতো।
মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গামুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী ও মাওয়া ফেরি ঘাট উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক পথে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার।
মুন্সিগঞ্জ হতে রিকশা নিয়ে ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই বাবা আদম মসজিদ পৌঁছে যাবেন।
ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জে পৌঁছানো যায়।
সেক্ষেত্রে ঢাকার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সিগঞ্জগামী লঞ্চে চড়ে বসুন।
চাইলে নৌপথে মুন্সিগঞ্জ যেতে পারবেন।
এরপর মুন্সিগঞ্জ থেকে রিকশা নিয়ে সরাসরি চলে যান বাবা আদম মসজিদে।
কোথায় থাকবেন?
একদিনে ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। তবুও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্ট সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। মুন্সিগঞ্জের আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
মুন্সিগঞ্জে উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। মুন্সিগঞ্জের চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুড়ি) এবং ভাগ্যকুলের মিষ্টি বেশ পরিচিত খাবার। মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গামুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী ও মাওয়া ফেরি ঘাট উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাবা আদম মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক পথে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার। মুন্সিগঞ্জ হতে রিকশা নিয়ে ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই বাবা আদম মসজিদ পৌঁছে যাবেন। ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জে পৌঁছানো যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সিগঞ্জগামী লঞ্চে চড়ে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
একদিনে ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। তবুও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্ট সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। মুন্সিগঞ্জের আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাবা আদম মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মুন্সিগঞ্জ জেলার মীরকাদিমের দরগাবাড়ী গ্রামে কাফুরশাহ্ কর্তৃক নির্মিত ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট বাবা আদম মসজিদ (Baba Adam Mosque) রয়েছে। পরবর্তীতে ১১৭৮ সালে সেন শাসনামলে তিনি মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমে আগমণ করেন। চাইলে নৌপথে মুন্সিগঞ্জ যেতে পারবেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

