বর্ষাকালে অথৈ জলরাশি আর শীতকালে বিস্তীর্ণ সবুজ শস্যক্ষেতে পূর্ণ দেশের মধ্যাঞ্চলের সর্বাধিক বড় ও প্রাচীন বিলের নাম আড়িয়াল বিল (Arial Bil)। ধারণা করা হয়, প্রাচীনকালে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থল নদীর প্রবাহের ফলে শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কারণে মুন্সিগঞ্জ জেলার পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝে আড়িয়াল বিলের উৎপত্তি।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

আড়িয়াল বিল সম্পর্কে
ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ এবং মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার প্রায় ১৩৬ বর্গকিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই বিলের অধিকাংশ অংশ মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। কোথায় খাবেনআড়িয়াল বিলের আশেপাশে খাওয়ার জন্য ভাল কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্টের মতো বেশকিছু সাধারন মানের হোটেল পাবেন।
আর শীতকালে বিলের স্থলভাগে বিচিত্র ধরনের শীতকালীন সবজির চাষ করা হয়। শাপলা তোলা, নৌকায় চড়ে মাছ ধরা এবং প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগের জন্য দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য ভ্রমণকারী সময় কাটাতে ছুটে আসেন আপন রুপে অনন্য আড়িয়াল বিলে। ঘাট থেকে হাতে টানা বা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় শ্রীনগর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আড়িয়াল বিলে যেতে পারবেন।
এছাড়া মুন্সিগঞ্জে রয়েছে আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা রিসোর্ট, মাওয়া রিসোর্ট এবং মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট বিশেষত উল্লেখযোগ্য। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সাজানো আড়িয়াল বিল ঋতুভেদে নতুন নতুন বৈচিত্রের প্রকাশ ঘটে। শ্রীনগরের বাজার থেকে রিকশা নিয়ে গাদিঘাট রওনা দিতে হবে।
মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাআড়িয়াল বিলে যাওয়ার পথে শ্যাম সিদ্ধ মঠ ঘুরে পৌঁছাতে পারবেন। বর্ষাকালে সবুজে ঘেরা বিলের স্বচ্ছ পানিতে শাপলা, কচুরি পানার ফুল এবং বিচিত্র জাতের পাখির উপস্থিতি প্রকৃতির অপরূপ রূপে অনন্য কেবলা যুক্ত করে। মুন্সিগঞ্জের চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুড়ি) এবং ভাগ্যকুলের মিষ্টি বেশ পরিচিত খাবার।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শ্রীনগর উপজেলার আড়িয়াল বিলের দূরত্ব প্রায় ৪২ কিলোমিটার। চাইলে কয়েকজন মিলে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে নৌকা ভাড়া করে সারাদিন আড়িয়াল বিল ঘুরতে পারবেন। কোথায় থাকবেনঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়।
ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী যেকোন বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে পৌঁছানো যায়। তাই নিজ প্রয়োজনে শুকনা খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন। যদিও মুন্সিগঞ্জে উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।
পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী ও মাওয়া ফেরি ঘাট উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শ্রীনগর উপজেলার আড়িয়াল বিলের দূরত্ব প্রায় ৪২ কিলোমিটার।
ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী যেকোন বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে পৌঁছানো যায়।
ঘাট থেকে হাতে টানা বা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় শ্রীনগর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আড়িয়াল বিলে যেতে পারবেন।
শ্রীনগরের বাজার থেকে রিকশা নিয়ে গাদিঘাট রওনা দিতে হবে।
চাইলে কয়েকজন মিলে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে নৌকা ভাড়া করে সারাদিন আড়িয়াল বিল ঘুরতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্টের মতো বেশকিছু সাধারন মানের হোটেল পাবেন। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে রয়েছে আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা রিসোর্ট, মাওয়া রিসোর্ট এবং মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট বিশেষত উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
আড়িয়াল বিলের আশেপাশে খাওয়ার জন্য ভাল কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও মুন্সিগঞ্জে উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। তাই নিজ প্রয়োজনে শুকনা খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন। মুন্সিগঞ্জের চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুড়ি) এবং ভাগ্যকুলের মিষ্টি বেশ পরিচিত খাবার।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আড়িয়াল বিল কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শ্রীনগর উপজেলার আড়িয়াল বিলের দূরত্ব প্রায় ৪২ কিলোমিটার। ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী যেকোন বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে পৌঁছানো যায়। ঘাট থেকে হাতে টানা বা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় শ্রীনগর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আড়িয়াল বিলে যেতে প
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্টের মতো বেশকিছু সাধারন মানের হোটেল পাবেন। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে রয়েছে আকর্ষণীয় রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা রিসোর্ট, মাওয়া রিসোর্ট এবং মেঘনা ভিলেজ হ
আড়িয়াল বিল সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বর্ষাকালে অথৈ জলরাশি আর শীতকালে বিস্তীর্ণ সবুজ শস্যক্ষেতে পূর্ণ দেশের মধ্যাঞ্চলের সর্বাধিক বড় ও প্রাচীন বিলের নাম আড়িয়াল বিল (Arial Bil)। ধারণা করা হয়, প্রাচীনকালে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থল নদীর প্রবাহের ফলে শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কারণে মুন্সিগঞ্জ জেলার পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝে আড়িয়াল বিলের উ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
