bangladesh · Editorial

জুগিরকান্দি মায়াবন

জুগিরকান্দি মায়াবন (Jugirkandi Mayabon), যা জায়গাীয়ভাবে "মায়াবন" নামে পরিচিত, বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নে রয়েছে একটা

Photograph · Collected for Tripzao Journal

জুগিরকান্দি মায়াবন (Jugirkandi Mayabon), যা জায়গাীয়ভাবে “মায়াবন” নামে পরিচিত, বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নে রয়েছে একটা বিস্ময়কর জলাবন। ভাড়া ৩৭৫ থেকে ১,৩৩৮ টাকা পর্যন্ত।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ
  • প্রবেশ মূল্য: জুগিরকান্দি মায়াবন ভ্রমণের জন্য বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) সেরা সময়, কারণ এই সময়ে বনটি পানিতে ভরে যায় এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। যদিও, শীতকালেও (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণ করার

জুগিরকান্দি মায়াবন

জুগিরকান্দি মায়াবন সম্পর্কে

জুগিরকান্দি মায়াবন নানা প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। সিলেট থেকে জুগিরকান্দি মায়াবনসিলেট শহর থেকে তামাবিল সড়ক ধরে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার গেলে বেখরা ব্রিজে পৌঁছানো যায়। এখানে দেখতে পাওয়া যায় মাছরাঙা, নানা প্রজাতির বক, ডাহুক, ঘুঘু, দোয়েল, ফিঙে, বালিহাঁস, পানকৌড়িসহ বিচিত্র প্রজাতির পাখি।

বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, উদবিড়াল, কাঠবিড়ালী, মেছোবাঘ এবং নানা প্রজাতির সাপ। প্রায় এক হাজার একর ভূমি জুড়ে বিস্তৃত এই বনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলাবনগুলোর মধ্যে একটা এবং রাতারগুলের চেয়ে আয়তনে প্রায় তিনগুণ বড় এই বন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাসে সিলেটবাসে: ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা পরিবহনের এসি ও নন-এসি বাস চলাচল করে। মায়াবনের চারদিকের অথই পানিতে সারি সারি গাছের বিশাল এক জঙ্গল। উত্তরে রয়েছে সারি ও পিয়াইন নদীর মিলনস্থল।

ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেটঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বনের গভীরে সূর্যের আলো গাছের পাতা ভেদ করে জল ছুঁতে পারে না, যা এক রহস্যময় আবহ সৃষ্টি করে। জলের উপর ভাসমান হিজল, জাম, বরুণ, করচসহ নানা প্রজাতির বৃক্ষরাজি এই বনকে এক অনন্য রূপ দিয়েছে।

ভাড়া এসি বাসের জন্য ১৫০০ টাকা এবং নন-এসি বাসের জন্য ৭০০ টাকা। জুগিরকান্দি মায়াবনের প্রকৃতি ও প্রাণিবৈচিত্র্যমায়াবনের সৌন্দর্য যেন রূপকথার গল্প থেকে উঠে আসা কোনো দৃশ্য। বনের পশ্চিম দিকে রয়েছে হিদাইরখাল (সরকারি নথিপত্রে বাউলিখাল) নামে একটা নদী, যার তীরে বনবিভাগের মালিকানাধীন বাংলাদেশের অন্যতম একটা বড় মূর্তা বাগান।

সেখান থেকে বেখরা খাল দিয়ে ছোট নৌকায় প্রায় দেড় কিলোমিটার উত্তরে গেলে জুগিরকান্দি মায়াবনে পৌঁছানো যায়। ভ্রমণের সেরা সময়জুগিরকান্দি মায়াবন ভ্রমণের জন্য বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) সেরা সময়, কারণ এই সময়ে বনটি পানিতে ভরে যায় এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। যদিও, শীতকালেও (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণ করার সুযোগ রয়েছে, যদিও তখন পানির পরিমাণ কম থাকে।

কোথায় থাকবেনসিলেট শহরে নানা মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে, যেমন হোটেল স্টার প্যাসিফিক, হোটেল হিলটাউন, হোটেল রোজ ভিউ ইত্যাদি।

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

জুগিরকান্দি মায়াবন ভ্রমণের জন্য বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) সেরা সময়, কারণ এই সময়ে বনটি পানিতে ভরে যায় এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। যদিও, শীতকালেও (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণ করার সুযোগ রয়েছে, যদিও তখন পানির পরিমাণ কম থাকে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাসে সিলেটবাসে: ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা পরিবহনের এসি ও নন-এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া এসি বাসের জন্য ১৫০০ টাকা এবং নন-এসি বাসের জন্য ৭০০ টাকা।

সিলেট থেকে জুগিরকান্দি মায়াবনসিলেট শহর থেকে তামাবিল সড়ক ধরে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার গেলে বেখরা ব্রিজে পৌঁছানো যায়।

ভাড়া ৩৭৫ থেকে ১,৩৩৮ টাকা পর্যন্ত।

ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেটঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

সেখান থেকে বেখরা খাল দিয়ে ছোট নৌকায় প্রায় দেড় কিলোমিটার উত্তরে গেলে জুগিরকান্দি মায়াবনে পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন?

সিলেট শহরে নানা মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে, যেমন হোটেল স্টার প্যাসিফিক, হোটেল হিলটাউন, হোটেল রোজ ভিউ ইত্যাদি।

কোথায় খাবেন?

সিলেট শহরে নানা রেস্তোরাঁে জায়গাীয় ও আন্তর্জাতিক খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। ভ্রমণ পরামর্শ নৌকায় ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন। প্রকৃতির সৌন্দর্য নষ্ট হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। সুপরিচিত জায়গাীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে সাত রঙের চা, শুঁটকি ভর্তা, তাজা মাছের তরকারি ইত্যাদি। শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠ টি কেবিনে সাত রঙের চা অত্যন্ত পরিচিত। বনের কোনো অংশে আবর্জনা ফেলবেন না। জায়গাীয় গাইডের সাহায্য নিন, যাতে ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও সহজ হয়।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

জুগিরকান্দি মায়াবন-এ প্রবেশ মূল্য কত?

জুগিরকান্দি মায়াবন ভ্রমণের জন্য বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) সেরা সময়, কারণ এই সময়ে বনটি পানিতে ভরে যায় এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। যদিও, শীতকালেও (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণ করার সুযোগ রয়েছে, যদিও তখন পানির পরিমাণ কম থাকে।

জুগিরকান্দি মায়াবন কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাসে সিলেটবাসে: ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা পরিবহনের এসি ও নন-এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া এসি বাসের জন্য ১৫০০ টাকা এবং নন-এসি বাসের জন্য ৭০০ টাকা। সিলেট থেকে জুগিরকান্দি মায়াবনসিলেট শহর থেকে তামাবিল সড়ক ধরে

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সিলেট শহরে নানা মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে, যেমন হোটেল স্টার প্যাসিফিক, হোটেল হিলটাউন, হোটেল রোজ ভিউ ইত্যাদি।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide Sylhet
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.