জাতীয় জাদুঘর বাংলাদেশের যুগ যুগ ধরে বেড়ে উঠার সমস্ত স্মৃতি চিহ্ন ধারাবাহিকতার সাথে আগলে রেখে চলেছে। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের সভ্যতা ও ইতিহাসের ক্রমবিবর্তন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও সরকারি ছুটির দিন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিনই জাদুঘর খোলা থাকে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস (গ্রীষ্মকাল) জাতীয় জাদুঘর সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থে

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ কী দেখবেন?
বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতিটি ধাপের সঙ্গে পরিচিত হবার জন্যে জাতীয় জাদুঘর বিশেষ ভূমিকা রাখে। মূল ভবনের প্রবেশ দরজার দুপাশে দুটি সুসজ্জিত কামান রয়েছে। নির্দেশকের মাধ্যমে জানতে পারবেন এই জাদুঘরে কোথায় কি রয়েছে। নানা সময়ের অস্ত্র, বাদ্যযন্ত্র, চীনামাটির হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, পাণ্ডুলিপি, সমকালীন শিল্পকলা এবং বাংলাদেশের বিচিত্রবিধ ঐতিহ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে এই তলা। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম আমাদের দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিচিত হবার জন্যে জাতীয় জাদুঘরে যাওয়া উচিত। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের সভ্যতা ও ইতিহাসের ক্রমবিবর্তন। বাংলাদেশ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষাভ্রমণের এক উপযুক্ত জায়গা হতে পারে বাংলাদেশ জাদুঘর। মূল ভবনের নিচতলায় রয়েছে কয়েকটি খাবারের দোকান, শুভেচ্ছা স্মারক বিপণি এবং ব্যাগ রাখার জায়গা। বাংলাদেশের মানচিত্র দিয়ে শুরু হওয়া এই তলাতে আরো দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের গাছপালা, প্রাণী, চমৎকারবন, উপজাতীদের জীবনধারা, খনিজ শিলা, ভাস্কর্য, মুদ্রা এবং প্রাচীন যুগের বিচিত্রবিধ ভাস্কর্যের। প্রবেশ তোরণের ভেতর দিয়ে এগুলেই মূল জাদুঘর ভবন দেখতে পাওয়া যায়। আর ভবনের ভেতরে রয়েছে নান্দনিক নভেরা ভাস্কর্য। জাদুঘরের প্রথম তলাটি সাজানো হয়েছে বাংলাদেশের সবকিছু দিয়ে। পুরো বাংলাদেশটিই তুলে ধরা হয়েছে। সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে প্রতিটি তলাতেই পাবেন গ্যালারি নির্দেশক। ভবনের তৃতীয় তলায় রয়েছে বিশ্বের নানা স্বনামধন্য ব্যক্তির প্রতিকৃতি, চিত্রকর্ম ও বিশ্বসভ্যতার বিচিত্র নিদর্শন।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও সরকারি ছুটির দিন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিনই জাদুঘর খোলা থাকে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস (গ্রীষ্মকাল) জাতীয় জাদুঘর সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। যদিও বিশেষ দিন গুলো যেমন বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখ এইসব দিন গুলোতে জাদুঘর ভ্রমণকারীদের জন্যে খোলা থাকে। অক্টোবর থেকে মার্চ মাস (শীতকাল) জাতীয় জাদুঘর সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রমজান মাসে বৃহঃস্পতি ও শুক্রবার জাদুঘর বন্ধ থাকে এবং এই সময় সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
কীভাবে যাবেন?
জাতীয় জাদুঘরের অবজায়গা শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে।
আপনি সিএনজি, প্রাইভেট কার অথবা শাহবাগ রুটে চলাচল করে এমন যে কোন বাসে করে চলে পারেন এখানে।
ট্রাভেল টিপস
– জাদুঘরের ভেতরে ছবি তোলার নিয়ম নেই তাই সাথে ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ থেকে বিরত থাকুন। – বিদেশি ভ্রমণকারীদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। – শোকেসে রাখা নিদর্শনগুলোতে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন। – উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। – প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন বন্ধ রাখুন। – বাইরের খাবার বা পানি নিয়ে যাদুঘরের ভেতরে ঢোকা যাবে না। আরও পড়ুনজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরখাদিমনগর জাতীয় উদ্যানবাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর সকল হোটেল-মোটেল এর ভাড়া (২০২৬)বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ প্রবেশ মূল্য কত?
প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও সরকারি ছুটির দিন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিনই জাদুঘর খোলা থাকে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস (গ্রীষ্মকাল) জাতীয় জাদুঘর সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। যদিও বিশেষ দ
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কীভাবে যাবেন?
জাতীয় জাদুঘরের অবজায়গা শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে। আপনি সিএনজি, প্রাইভেট কার অথবা শাহবাগ রুটে চলাচল করে এমন যে কোন বাসে করে চলে পারেন এখানে।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?
– জাদুঘরের ভেতরে ছবি তোলার নিয়ম নেই তাই সাথে ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ থেকে বিরত থাকুন। – বিদেশি ভ্রমণকারীদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। – শোকেসে রাখা নিদর্শনগুলোতে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন। – উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। – প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন বন্ধ রাখুন। – বাইরের খাবার বা পানি নিয়ে যাদুঘরের ভেতরে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

