গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত (Guliakhali Sea Beach) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে। এই সময়ে আপনি চাইলে সীতাকুণ্ডের আশেপাশের আরও বহু দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
এক্ষেত্রে বোট ঠিক করতে দরদাম করে করে নিতে হবে। থাকা ও খাওয়াগুলিয়াখালি সি বিচে থাকা ও খাবার কোন ব্যবস্থা নেই। এখানে পাওয়া যাবে সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত আবহ।
সাঁতার না জানলে বেশি দূর কখনো যাবেন না। বীচের পাশে সবুজ ঘাসের এই মাঠে প্রকৃতির ভাবেই জেগে উঠেছে আঁকা বাঁকা নালা। অনিন্দ্য চমৎকার গুলিয়াখালি সী বিচ কে সাজাতে প্রকৃতি কোন কার্পন্য করেনি।
অথবা যাওয়া আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। ফেনী থেকে লোকাল বাসে করে সীতাকুণ্ড পৌঁছাতে পারবেন। সীতাকুন্ড থেকে গুলিয়াখালীসীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন।
থাকতে চাইলে সীতাকুণ্ড বাজারে সাইমুন এবং সৌদিয়া হোটেলে থাকতে পারবেন। ঢাকা থেকে সীতাকুন্ড মেইল ট্রেনে করে জনপ্রতি ১২০ টাকা ভাড়া সীতাকুণ্ড আসতে পারেন। এসি ও নন এসি এইসব বাসের ভাড়া ৪২০-১২০০ টাকা।
ফেনী থেকে লোকাল বাসে সীতাকুণ্ড যেতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা ভাড়া লাগবে। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে গুলিয়াখালি সি বীচের দূরত্ব কেবল ৫ কিলোমিটার। এইসব নালায় জোয়ারের সময় পানি ভরে উঠে।
ভাড়ার পরিমাণ অবশ্যই দরদাম করে ঠিক করবেন। গুলিয়াখালীর আশেপাশে ভ্রমণ জায়গা গুলোর মধ্যে আছে, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, চন্দ্রনাথ মন্দির ও পাহাড়, ঝরঝরি ঝর্না, কমলদহ ঝর্ণা, কুমিরা সন্দ্বীপ ঘাট, মহামায়া লেক, খৈয়াছড়া ঝর্ণা, নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা, সহস্রধারা ঝর্ণা ইত্যাদি। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে।
সাগরের এত ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি আবহের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্ন ভাবেই। সীতাকুণ্ড ফিরে আসার জন্যে আগে থেকেই সিএনজি চালকের নাম্বার নিয়ে রাখতে পারেন। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারিদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূল লক্ষ করা যায়, এই বন সমুদ্রের বহুটা ভেতর পর্যন্ত চলে গেছে।
আর যেহেতু এটা দর্শনার্থী বান্ধব বীচ নয়, তাই সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত জনপ্রতি অটো ভাড়া নিবে ৩০ টাকা, আর অটো রিজার্ভ নিয়ে যেতে চাইলে ভাড়া লাগবে ১৫০-২০০ টাকা। প্রয়োজন হলে বাসের সুপারভাইজার কে আগেই বলে রাখবেন সীতাকুন্ড নামিয়ে দিতে।
পরামর্শভ্রমণকে নিরাপদ করতে প্রয়োজনে ট্যুরিস্ট পুলিশের সাহায্য নিন। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে পরিদর্শন করতে পারবেন। আপনার সময় ও কি দেখার ইচ্ছে সেই অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা।
চারপাশে সবুজ ঘাস আর তারই মধ্যে ছোট ছোট নালায় পানি পূর্ণ এই দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি আবহ। নিজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বেপারে সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন করার চেষ্টা করুন।
সাইমুনে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় রুম পাবেন আর সৌদিয়ায় রুম পেতে আপনাকে গুনতে হবে ৬০০ থেকে ১৬০০ টাকা। সাগরের পাশে সবুজ ঘাসের উন্মুক্ত প্রান্তর নিশ্চিতভাবেই আপনার চোখ জুড়াবে। চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ডচট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়।
সীতাকুণ্ডের খুব কাছে হওয়ায়, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত যাওয়া আসা ও দেখার পরেও হাতে থাকবে বহুটুকু যময়। আর জোয়ারের সময় পানি উঠে নালা গুলো পূর্ণ হয়ে যায়। পানির ঢেউ যখন বাড়বে বীচ থেকে চলে আসবেন।
ঢাকা থেকে আন্তঃনগর ট্রেনে করে ফেনী যেতে পারবেন, শ্রেনী ভেদে ভাড়া ২৫০-১০৩৫ টাকা। জোয়ারের সময় হলে বীচের কাছে না থাকাই ভালো। সন্ধ্যা হয়ে গেলে বহু সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না।
জোয়ার ভাটার সময় জেনে নিন। শুধুকেবল সী-বিচে ছোট একটা দোকান আছে তাই প্রয়োজনে সীতাকুণ্ড বাজার থেকে সাথে খাবার নিয়ে নিন। একদিকে দিগন্তজোড়া সাগর জলরাশি আর অন্য দিকে কেওড়া বন এই সাগর সৈকতকে করেছে অনন্য।
ভ্রমণ জায়গাকে ময়লা ফেলে নোংরা করবেন না। তখন পারাপার হতে সমস্যা হতে পারে। গুলিয়াখালি সৈকতকে ভিন্নতা দিয়েছে সবুজ গালিচার বিস্তৃত ঘাস।
আরো ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনাকে চট্রগ্রাম চলে রওনা দিতে হবে। পছন্দ মতো জায়গা থেকে চলে আসতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। জায়গাীয় মানুষের কাছে এই সৈকত ‘মুরাদপুর বীচ’ নামেও সুপরিচিত।
ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ডঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করেই যেতে পারবেন সীতাকুন্ড। নানা উপায়ে ঢাকা বা চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ডে আসতে পারবেন। গুলিয়াখালী বীচে যাবার উপায়যেহেতু এই বীচ সীতাকুণ্ডে তাই দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে প্রথমে আসতে হবে সীতাকুণ্ডে।
আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য
ট্রাভেল টিপস
ভ্রমণকে নিরাপদ করতে প্রয়োজনে ট্যুরিস্ট পুলিশের সাহায্য নিন। জোয়ারের সময় হলে বীচের কাছে না থাকাই ভালো। নিজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বেপারে সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন করার চেষ্টা করুন। তখন পারাপার হতে সমস্যা হতে পারে। পানির ঢেউ যখন বাড়বে বীচ থেকে চলে আসবেন। ভ্রমণ জায়গাকে ময়লা ফেলে নোংরা করবেন না। আর জোয়ারের সময় পানি উঠে নালা গুলো পূর্ণ হয়ে যায়। আর যেহেতু এটা দর্শনার্থী বান্ধব বীচ নয়, তাই সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। সাঁতার না জানলে বেশি দূর কখনো যাবেন না। জোয়ার ভাটার সময় জেনে নিন। আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?
ভ্রমণকে নিরাপদ করতে প্রয়োজনে ট্যুরিস্ট পুলিশের সাহায্য নিন। জোয়ারের সময় হলে বীচের কাছে না থাকাই ভালো। নিজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বেপারে সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন করার চেষ্টা করুন। তখন পারাপার হতে সমস্যা হতে পারে। পানির ঢেউ যখন বাড়বে বীচ থেকে চলে আসবেন। ভ্রমণ জায়গাকে ময়লা ফেলে নোংরা করবেন না। আর জো
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত (Guliakhali Sea Beach) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে। এই সময়ে আপনি চাইলে সীতাকুণ্ডের আশেপাশের আরও বহু দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। এক্ষেত্রে বোট ঠিক করতে দরদাম করে করে নিতে হবে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
