bangladesh · Editorial

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত যাওয়ার উপায়, সীতাকুণ্ডে কোথায় থাকবেন, কোথায় খাবেন, বাশবাড়িয়ার আশেপাশের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা, বাশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত (Bashbaria Sea...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা যেন সব প্রকৃতির রূপ নিয়ে বসে আছে। ভ্রমণ পরিকল্পনাসীতাকুন্ড উপজেলায় দেখার মত বহু দর্শনীয় জায়গা আছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে

সেখানে আছে একটা লোহার ব্রীজ, যা দিয়ে আপনি হেঁটে যেতে পারবেন সমুদ্রের উপর দিয়ে। সীতাকুন্ডে খাবার জন্য বেশ কয়েকটি হোটেল আছে। এছাড়া চাইলে স্পিডবোটে করে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে চারপাশ।

ফেনীর মহিপাল থেকে বাসে সীতাকুন্ড (ভাড়া ৬০-৭০ টাকা, ১ ঘণ্টা) বাঁশবাড়িয়া রওনা দিতে হবে। বাঁশবাড়িয়া বাজার থেকে বাঁশবাড়িয়া ঘাটে নামিয়ে দিতে সিএনজি ভাড়া জনপ্রতি ২০টাকা করে নেয়। আপনি আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা সেইভাবেই সাজিয়ে নিতে পারেন।

সবচেয়ে ভাল হয় সিএনজি রাত কয়টা পর্যন্ত চলাচল করে সেটা জেনে নেয়া। শীতের সকালে গেলে সদ্য গাছ থেকে নামানো খেজুর রস খাওয়ার সুযোগ পাবেন। এখানে আছে পাহাড়, লেক, ঝর্ণা, সমুদ্র সৈকত, প্রাচীন স্থাপনা সহ বিচিত্র কিছু।

শুধু বাঁশবাড়িয়া সী বিচ দেখার পরেও আপনার হাতে কত সময় আছে, সেই হিসেব করেই আগে বা পরে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনি অন্যান্য কি কি দেখবেন তার ট্যুর প্ল্যান। শুধু সীতাকুন্ডেই আছে দেখার মত, গুলিয়াখালি সী বিচ, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, মহামায়া লেক, চন্দ্রনাথ মন্দির, কুমিরা ঘাট, কমলদহ ঝর্ণা, ঝরঝরি ঝর্ণা সহ আরও বহু কিছু।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাসে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত যেতে চাইলে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে আসতে পারবেন। সীতাকুণ্ড বাজারে হোটেল সাইমুন নামে একটা হোটেল আছে, যেখানে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকায় রুম পাবেন। মূলত এটিই সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করে দর্শনার্থীদের।

চট্টগ্রাম শহরের অলংকার বা এ কে খান থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার যেকোন বাস বা টেম্পুতে করে বাঁশবাড়িয়া বাজারে নামতে হবে। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। কখন যাবেনবাঁশবাড়িয়া সৈকতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে সেখানকার সূর্যাস্ত দেখা তাই দুপুরের পর সেখানে পৌঁছাতে পারবেন।

বাঁশবাড়িয়া বাজার পর্যন্ত ভাড়া নিবে ৩০-৪০ টাকা। সীতাকুন্ডের পাশেই মিরেরসরাই ও ভাটিয়ারিতেও আছে বহু দর্শনীয় জায়গা। আরো ভালো কোথাও থাকার জন্য আপনাকে চট্টগ্রাম চলে আসতে হবে।

অতি সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে হোটেল সৌদিয়া নামে একটা আবাসিক হোটেল চালু হয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে চাইলে আপনাকে ফেনী নেমে রওনা দিতে হবে। চাইলে সিএনজি রিজার্ভ নিতে পারেন, রিজার্ভ ৩০০ টাকা নিবে।

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত (Bashbaria Sea Beach) তেমনই পর্যকটকের জন্যে একটা আকর্ষণীয় জায়গা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এছাড়া নয়দুয়ারি বাজারে খুঁজলে মধ্যম মানের কিছু হোটেল পাবেন। যদিও আপনাকে নেমে রওনা দিতে হবে চট্রগ্রামের আগে সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়িয়া বাজারে।

বাসের সুপারভাইজারকে আগেই বলে রাখবেন যেন বাঁশবাড়িয়া নামিয়ে দেয়। হোটেলটিতে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকায় কয়েক ধরণের রুম পাওয়া যায়। এদের মধ্যে আল আমীন হোটেলের খাবার মোটামুটি উন্নত মানের।

আর যদি চট্টগ্রাম যান যদিও এখানে সব ধরণের খাবার রেস্তোরাঁ পাবেন। ঝাউ গাছের সারি, খোলামেলা আবহ, জেগে উঠা সবুজ ঘাসের চর, আছে পিকনিক স্পট, সব মিলিয়ে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত অসাধারণ সৌন্দর্য নিয়ে অপেক্ষা করছে ভ্রমণকারীদের জন্য। থাকা ও খাওয়াসীতাকুন্ডে কিছু সাধারণ মানের হোটেল পাবেন।

কিনতে চাইলে প্রতি লিটার খরচ পড়বে কেবল ২০ টাকা! আর সন্ধ্যার পরপরই ফিরে আসা উচিত কারণ পরবর্তীতে ফিরে আসার সিএনজি পেতে সমস্যা হতে পারে। বাঁশবাড়িয়া নেমে সেখানে থেকে লোকাল সিএনজি দিয়ে জনপ্রতি ২০-২৫টাকা দিয়েই যেতে পারবেন বাশবাড়িয়া সী বিচে।

আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য

কীভাবে যাবেন?

বাঁশবাড়িয়া সৈকতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে সেখানকার সূর্যাস্ত দেখা তাই দুপুরের পর সেখানে পৌঁছাতে পারবেন।

এছাড়া চাইলে স্পিডবোটে করে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে চারপাশ।

কিনতে চাইলে প্রতি লিটার খরচ পড়বে কেবল ২০ টাকা! আর সন্ধ্যার পরপরই ফিরে আসা উচিত কারণ পরবর্তীতে ফিরে আসার সিএনজি পেতে সমস্যা হতে পারে।

শীতের সকালে গেলে সদ্য গাছ থেকে নামানো খেজুর রস খাওয়ার সুযোগ পাবেন।

সেখানে আছে একটা লোহার ব্রীজ, যা দিয়ে আপনি হেঁটে যেতে পারবেন সমুদ্রের উপর দিয়ে।

মূলত এটিই সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করে দর্শনার্থীদের।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত কীভাবে যাবেন?

বাঁশবাড়িয়া সৈকতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে সেখানকার সূর্যাস্ত দেখা তাই দুপুরের পর সেখানে পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া চাইলে স্পিডবোটে করে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে চারপাশ। কিনতে চাইলে প্রতি লিটার খরচ পড়বে কেবল ২০ টাকা! আর সন্ধ্যার পরপরই ফিরে আসা উচিত কারণ পরবর্তীতে ফিরে আসার সিএনজি পেতে সমস্যা হতে পারে। শীত

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা যেন সব প্রকৃতির রূপ নিয়ে বসে আছে। ভ্রমণ পরিকল্পনাসীতাকুন্ড উপজেলায় দেখার মত বহু দর্শনীয় জায়গা আছে। সেখানে আছে একটা লোহার ব্রীজ, যা দিয়ে আপনি হেঁটে যেতে পারবেন সমুদ্রের উপর দিয়ে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.