bangladesh · Editorial

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক (Sitakunda Eco Park) : পাহাড়, ঝর্ণা, ঝিরি, বিরল ও বিলুপ্ত প্রাণী ও বৃক্ষরাজির সমাহারে হারিয়ে যেতে সীতাকুন্ড ইকো পার্ক ভ্রমণের সকল...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক (Sitakunda Eco Park) চট্টগ্রাম শহর থেকে কেবল ৩৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এ ছাড়া অলঙ্কার থেকে মেক্সীতে করে সীতাকুণ্ডের ফকিরহাট যাওয়া যায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ
  • প্রবেশ মূল্য: সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে ভেতরে যেতে হলে আপনাকে টিকিট কেটে ভেতরে যেতে হবে। সকল ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ টিকিট এর মূল্য ৬০ টাকা।

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক সম্পর্কে

যা এখন অসাধারণ এক পর্যটন জায়গা হিসাবে বেবেচিত হচ্ছে। রেলপথে ঢাকা থেকে : ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা মেইল ট্রেনই শুধু সীতাকুণ্ড রেলস্টেশনে থামে। বাসে করে ঢাকা থেকে আসলে সীতাকুন্ড বাস স্টপেজ থেকে ২ কিলোমিটার দূরে ফকিরহাট নামক জায়গা দিয়ে সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে যতে হয়।

অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। টিকিট মূল্যসীতাকুণ্ড ইকো পার্কে ভেতরে যেতে হলে আপনাকে টিকিট কেটে ভেতরে যেতে হবে। সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে চাইলে পিকনিক করার সুযোগ পাবেন।

এখানে সহস্র ধারা এবং সুপ্তধারা নামে দুইটি অনিন্দ্য চমৎকার ঝর্ণা রয়েছে। এছাড়া সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে রয়েছে অসংখ্য দুর্লভ প্রজাতির গাছ যা বৃক্ষ বিষয়ক জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক। ইকো পার্কে প্রবেশ করলে একটা বড় ডিসপ্লে চোখে পড়ে, এই ডিসপ্লেতে ইকোপার্কে আসা সমস্ত দর্শনার্থীদের ইকো পার্ক সম্পর্কে ধারনা দেয়া আছে।

উঁচুনিচু পাহাড়, বানর, খরগোশ এবং হনুমান সহ নানা বন্যপ্রাণীর সমাহার, আছে অর্জুন, চাপালিশ, জারুল, তুন, তেলসুর, চুন্দুল সহ আরও বহু ফুল, ফল ও ওষধি গাছ। ঢাকা থেকে রাত ১১টায় যাত্রা শুরু করে পরদিন সকাল ৬ টা থেকে ৭ টার মধ্যে ট্রেনটি সীতাকুণ্ডে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম থেকে : চট্টগ্রামের মাদারবাড়ী ও কদমতলী বাস ষ্টেশন থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাসগুলো ছাড়ে।

এখানে পর্যাপ্ত খাবার পানি, রেষ্টহাউস, টয়লেট ইত্যাদির সুবিধাসহ পিকনিকের জন্য রয়েছে যাবতীয় আয়োজন। সকল ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ টিকিট এর মূল্য ৬০ টাকা। সীতাকুণ্ড পৌরসভায় হোটেল ৯৯ রেসিডেন্সিয়াল, নূর রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল সিরাজ রেসিডেন্সিয়াল ও হোটেল সৌদিয়া নামে আবাসিক হোটেল রয়েছে।

আর চট্টগ্রামে থাকতে চাইলে সেখানে নানা মানের হোটেল রয়েছে।

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক কীভাবে যাবেন

সড়ক পথে ঢাকা থেকে : এস.আলম, সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক ইত্যাদি পরিবহণের নানা এসি, ননএসি বাস গুলো সায়দাবাদ বাস ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ট্রেনে আসলে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ২৫০-১০৩৫ টাকা। সীতাকুণ্ড থেকে সারাদিনের জন্য সিএনজি ভাড়া নিয়ে নিতে পারেন।

যদিও ইচ্ছা করলে পায়ে হেঁটে পার্কে ঘুরতে পারবেন যদিও তাতে সময় বেশি লাগবে। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল সাফিনা, হোটেল নাবা ইন, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সূর্য ডোবার সময় গোধূলীর রক্তিম আভায় ইকোপার্কটিকে অপার্থিব মনে হয়।

সবগুলো বাসই সীতাকুণ্ডে প্রয়োজন অনুযায়ী থামে। সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। সেক্ষেত্রে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগতে পারে।

বোটানিক্যাল গার্ডেনে রয়েছে অর্কিড হাউস, যেখানে প্রায় ৫০ ধরনের দেশী-বিদেশী নানা প্রজাতির অর্কিড সংরক্ষিত রয়েছে। অন্যান্য আন্তঃ নগর ট্রেনে আসতে চাইলে ফেনী স্টেশনে নেমে রওনা দিতে হবে। এসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা।

সেখান থেকে ২০/৩০ টাকা অটো/রিক্সা ভাড়ায় মহিপাল বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লোকাল বাসে ৮০-১০০ টাকা ভাড়ায় সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন। সময় বাঁচাতে পারলে সহজেই সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই অঞ্চলর ঝর্ণা ও ঝিরি ট্রেইল গুলো দেখে নিতে পারবেন। পাহাড়, বৃক্ষরাজি, বন্যপ্রাণী, ঝর্ণা, পাখির কলরব ইকো পার্কটিকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।

এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে।

কোথায় থাকবেন

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। আশেপাশে দর্শনীয় জায়গাচন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দিরগুলিয়াখালি সৈকতবাঁশবাড়িয়া সৈকতঝরঝরি ঝর্ণাকুমিরা সন্দ্বীপ ফেরী ঘাটমিরসরাই এর খৈয়াছড়া ঝর্ণানাপিত্তাছড়া ঝর্ণাকমলদহ ঝর্ণাআরও পড়ুনআরশিনগর ফিউচার পার্কমানা বে ওয়াটার পার্কএডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড পার্কহিলভিউ পার্ক এন্ড ক্যাফে

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে ভেতরে যেতে হলে আপনাকে টিকিট কেটে ভেতরে যেতে হবে। সকল ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ টিকিট এর মূল্য ৬০ টাকা।

কীভাবে যাবেন?

সড়ক পথে ঢাকা থেকে : এস.আলম, সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক ইত্যাদি পরিবহণের নানা এসি, ননএসি বাস গুলো সায়দাবাদ বাস ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়ে।

চট্টগ্রাম থেকে : চট্টগ্রামের মাদারবাড়ী ও কদমতলী বাস ষ্টেশন থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাসগুলো ছাড়ে।

সবগুলো বাসই সীতাকুণ্ডে প্রয়োজন অনুযায়ী থামে।

সেখান থেকে ২০/৩০ টাকা অটো/রিক্সা ভাড়ায় মহিপাল বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লোকাল বাসে ৮০-১০০ টাকা ভাড়ায় সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে রাত ১১টায় যাত্রা শুরু করে পরদিন সকাল ৬ টা থেকে ৭ টার মধ্যে ট্রেনটি সীতাকুণ্ডে পৌঁছায়।

এ ছাড়া অলঙ্কার থেকে মেক্সীতে করে সীতাকুণ্ডের ফকিরহাট যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। সীতাকুণ্ড পৌরসভায় হোটেল ৯৯ রেসিডেন্সিয়াল, নূর রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল সিরাজ রেসিডেন্সিয়াল ও হোটেল সৌদিয়া নামে আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর চট্টগ্রামে থাকতে চাইলে সেখানে নানা মানের হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা। এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল সাফিনা, হোটেল নাবা ইন, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক-এ প্রবেশ মূল্য কত?

সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে ভেতরে যেতে হলে আপনাকে টিকিট কেটে ভেতরে যেতে হবে। সকল ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ টিকিট এর মূল্য ৬০ টাকা।

সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক কীভাবে যাবেন?

সড়ক পথে ঢাকা থেকে : এস.আলম, সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক ইত্যাদি পরিবহণের নানা এসি, ননএসি বাস গুলো সায়দাবাদ বাস ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। চট্টগ্রাম থেকে : চট্টগ্রামের মাদারবাড়ী ও কদমতলী বাস ষ্টেশন থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাসগুলো ছাড়ে। সবগুলো বাসই সীতাক

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। সীতাকুণ্ড পৌরসভায় হোটেল ৯৯ রেসিডেন্সিয়াল, নূর রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল সিরাজ রেসিডেন্সিয়াল ও হোটেল সৌদিয়া নামে আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর চ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.