bangladesh · Editorial

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু

সড়কপথে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে অবাধ যোগাযোগের জন্য মেঘনা নদীর উপর নির্মিত নান্দ্যনিক এক সেতুর নাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু (Sayed Nazrul Islam Bridge)। ১৯৯৯

Photograph · Collected for Tripzao Journal

সড়কপথে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে অবাধ যোগাযোগের জন্য মেঘনা নদীর উপর নির্মিত নান্দ্যনিক এক সেতুর নাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু (Sayed Nazrul Islam Bridge)। সেতুতে দাঁড়িয়ে মেঘনা নদীর সৌন্দর্য অবলোকনের পাশাপাশি নানা নৌযান ও জেলেদের কর্মব্যস্ততা প্রত্যক্ষ করা যায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সম্পর্কে

এছাড়া সন্ধ্যার পর যখন সেতুর সমস্ত বাতিগুলো জ্বলে উঠে তখন নদীর তীর থেকে সেতুটিকে দেখতে সবচেয়ে চমৎকার লাগে। ঢাকা হতে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ট্রেনে সহজে ভৈরব পৌঁছাতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলা সদরের দূর্জয় মোড় থেকে রিক্সায় চড়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু এবং রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেল সেতু বা মেঘনা রেলসেতুর নীচে আসতে পারবেন। ১৯৯৯ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০০২ সালে শেষ হয়। যদিও জায়গাীয়দের কাছে সেতুটি ভৈরব ব্রিজ নামে অধিক পরিচিত।

ঢাকা থেকে ভৈরব: রাজধানী ঢাকা থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী বাসে চড়ে সরাসরি ভৈরব শহরের দূর্জয় মোড়ে নামতে পারবেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পূর্ব নাম ছিল বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু, যা ২০১০ সালে পরিবর্তন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু বা ভৈরব ব্রীজের ঠিক পাশেই রয়েছে ১৯৩৭ সালে নির্মিত রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেল সেতু, যার অন্য নাম হাবিলদার আব্দুল হালিম রেলসেতু।

যদিও ট্রেনে চড়ে ঢাকা থেকে ভৈরব আসা বেশি সুবিধাজনক। এখন জর্জ রেল সেতুর পাশে আরো একটা নতুন রেল সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। নদী তীরকে তাই বিচিত্রন প্রকৃতির উপকরণে সাজানো হয়েছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে রয়েছে ১.২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯.৬০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট এই সেতুটিতে ৭টি ১১০ মিটার স্প্যান এবং ২টি ৭৯.৫ মিটার স্প্যান রয়েছে। ফলে প্রকৃতির আবহে মুক্ত হাওয়ায় সময় কাটানোর জন্য সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু বিপুল জনপ্রিয় এক জায়গাে পরিণত হয়েছে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে মেঘনা নদীর তীরে প্রত্যেক দিন বিপুল সংখ্যক ভ্রমণকারীদের আগমণ ঘটে।

এরপর ভৈরব রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রিকশা ভাড়া করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু যেতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন?

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলা সদরের দূর্জয় মোড় থেকে রিক্সায় চড়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু এবং রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেল সেতু বা মেঘনা রেলসেতুর নীচে আসতে পারবেন।

ঢাকা থেকে ভৈরব: রাজধানী ঢাকা থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী বাসে চড়ে সরাসরি ভৈরব শহরের দূর্জয় মোড়ে নামতে পারবেন।

ঢাকা হতে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ট্রেনে সহজে ভৈরব পৌঁছাতে পারবেন।

যদিও ট্রেনে চড়ে ঢাকা থেকে ভৈরব আসা বেশি সুবিধাজনক।

এরপর ভৈরব রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রিকশা ভাড়া করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু যেতে পারবেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু কীভাবে যাবেন?

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলা সদরের দূর্জয় মোড় থেকে রিক্সায় চড়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু এবং রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেল সেতু বা মেঘনা রেলসেতুর নীচে আসতে পারবেন। ঢাকা থেকে ভৈরব: রাজধানী ঢাকা থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী বাসে চড়ে সরাসরি ভৈরব শহরের দূর্জয় মোড়ে নামতে পারবেন। ঢাকা হতে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কিশোরগঞ্জ রুট

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

সড়কপথে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে অবাধ যোগাযোগের জন্য মেঘনা নদীর উপর নির্মিত নান্দ্যনিক এক সেতুর নাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু (Sayed Nazrul Islam Bridge)। সেতুতে দাঁড়িয়ে মেঘনা নদীর সৌন্দর্য অবলোকনের পাশাপাশি নানা নৌযান ও জেলেদের কর্মব্যস্ততা প্রত্যক্ষ করা যায়। এছাড়া সন্ধ্যার পর যখন সেতুর সমস্ত বাতিগুলো জ্

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.