হাওরের দুইপাশে মাঝে রাস্তা, রাস্তার দুই পাশেবয়ে চলা রাস্তা এমন কিছু দেখতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা। কোথায় থাকবেনযদি আপনার রাতে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কিশোরগঞ্জ শহরে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল আছে সেখানে থাকতে পারবেন ৮০০-১২০০ টাকা খরচ করে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

বালিখলা সম্পর্কে
প্রায়ই জুলাই-আগস্ট মাস সবচেয়ে ভাল সময়। চামটা বন্দরে সরাসরি ঢাকার বাস আছে। সেখানে নৌকা দিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
কয়েকট টং দোকান আছে। একদিনে সম্ভব?ঢাকা বা এর আশেপাশ থেকে আসলে একদিনেই ঘুরে দেখা সম্ভব। রাস্তার শেষ মাথায় বালিখোলা বাজার।
সেই সাথে আছে হাওরে নৌ ভ্রমণের সুযোগ সুবিধা।
কোথায় খাবেন
বালিখোলায় খাওয়ার ব্যবস্থা নাই। ঢাকা থেকে আসলে সকালের ট্রেনে অথবা সকালে মহাখালী থেকে অনন্য পরিবহণ বাসে সকাল ৭টার আগেই রওনা দিলে সুবিধা হবে। সেখানে হালকা নাস্তা করার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া লোকাল ওয়েতে যেতে চাইলে একরামপুর থেকে চামটা বন্দর গামী যে কোন অটোরিকশায় উঠে নেমে যান নিয়ামতপুর বাজারে। চামটা/চামড়া বন্দর গেলে সেখানেও মোটামুটি মানের খাওয়ার হোটেল আছে। ইজিবাইকেও যেতে পারবেন সেইক্ষেত্রে সময় একটু বেশী লাগবে।
কীভাবে যাবেন?ঢাকা থেকে ট্রেনে কিশোরগঞ্জ : প্রথমেই আপনাকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে চলে আসতে হবে। নৌকার সাইজ অনুযায়ী ঘন্টা প্রতি ৩০০-৫০০ টাকায় হাওরে ঘুরতে পারবেন। সেখানে থেকে ইজিবাইকে ১ কিলো দূরত্বে বালিখোলা রাস্তায় চলে যেতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে বালিখোলা : কিশোরগঞ্জ শহর থেকে এই বালিখোলার দূরত্ব প্রায় ১৯ কিলোমিটার। ভারি খাবারের জন্যে ভাল হবে কিশোরগঞ্জ শহরেই খেয়ে নেওয়া অথবা যাত্রাপথে করিমগঞ্জ বাজারে খেয়ে নেওয়া। তাহলে ১০-১১টার মধ্যেই কিশোরগঞ্জ চলে আসতে পারবেন।
যদিও যেভাবেই আসেন ফিরতি পথে আপনাকে বাসেই ফিরতে হবে। যাওয়ার উপযুক্ত সময়যে কোন হাওর অঞ্চল ভ্রমণের সবচেয়ে ভাল সময় বর্ষাকাল। ট্রেন ষ্টেশন থেকে একরামপুর সিএনজি স্ট্যান্ড ১৫-২০ টাকা রিক্সা ভাড়ায় চলে আসলে সুবিধা হবে।
যদিও এই বাস গুলোর সার্ভিস বেশ তুলনামূলক বেশ খারাপ। তাই সময়ের দিকে আপনার খেয়াল রাখতে হবে। বালিখলা রাস্তা নিয়ে আমাদের ভিডিও গাইড দেখতে এইখানে ক্লিক করুন।
চাইলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বাড়ি মিঠামইন ঘুরতে পারেন। সবচেয়ে ভাল হয় সাথে লাইফ জ্যাকেট থাকলে। এছাড়া আরেকটা অপশন আছে, বালিখোলা থেকে ৩ কিলো দূরে চামড়া/চামটা বন্দর চলে যান (সেটাও দেখার মত জায়গা)।
যদিও এই জন্যে খুব সকালে রওনা দিতে হবে। বালিখোলা রাস্তার শেষ প্রান্তে হাওরে ঘুরার জন্যে নৌকা পাওয়ার সুযোগ আছে। কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা যাবার শেষ বাস সন্ধ্যা ৬ঃ৫০ মিনিটে।
আর কি করার আছে?আপনার হাতে কেমন সময় আছে সেই হিসেব অনুযায়ী ঘুরে দেখুন। ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে কিশোরগঞ্জ আসতে পারবেন। সতর্কতাহাওর ভ্রমণে সতর্ক থাকবেন, সাতার না জানলে পানিতে নামবেন না।
বাস স্ট্যান্ড থেকে লোকাল (১৫টাকা) বা রিজার্ভ ইজিবাইকে (১২০ টাকা) চলে আসুন একরামপুর সিএনজি স্ট্যান্ডে। ট্রেন ভাড়া শ্রেণী অনুযায়ী ১৩৫-২৪৮, সময় লাগবে প্রায় ৪ ঘন্টা। তাহলে হাওর ভ্রমণ ও হবে আর মিঠামইন ঘুরে দেখাও হবে।
মহাখালী থেকে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৩ ঘন্টা এবং গোলাপবাগ থেকে সময় লাগবে প্রায় ৪ ঘন্টা। বাসের ভাড়া ২৫০-৩৫০ টাকা। বেশ উচু হওয়ায় পানিতে ডুবে যায় না এই রাস্তা।
বাসে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ : বাসে আসতে চাইলে মহাখালী থেকে অনন্যা পরিবহণ বা অনন্যা ক্লাসিক এবং গোলাপবাগ (সায়েদাবাদ) থেকে আসতে চাইলে যাতায়াত বা অনন্যা সুপারে সরাসরি কিশোরগঞ্জ আসতে পারেন। তাই এই রাস্তার সৌন্দর্য ও হাওরের রূপ উপভোগ করতে চাইলে বর্ষায় ভ্রমণ করুন। করিমগঞ্জ এর রৌয়া থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘের নিয়ামতপুর – বালিখলা রাস্তা অপার সৌন্দর্য মেলে ধরে বয়ে চলেছে হাওরের মাঝ দিয়ে ।
ভাড়া লাগবে ২৫০ – ৩০০ টাকা। আর সময় থাকলে কিশোরগঞ্জ শহরের লেকসিটি পার্ক, পাগলা মসজিদ, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ ঘুরে দেখুন। বালিখোলা বাজার থেকে নৌকায় মিঠামইন যাওয়া আসা করতে ৩ ঘন্টার মত লাগবে।
ট্রেনে সকালের এগারোসিন্ধুর প্রভাতীতে আসলে সুবিধা হবে। ঢাকা ও আশপাশ থেকে একদিনেই ঘুরে আসা সম্ভব। পুরো রাস্তা প্রায় ৩ কিলোমিটার।
কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে ১ ঘন্টায় চলে যেতে পারবেন বালিখোলায়। কিশোরগঞ্জ শহরে আসার সময়ের সল্পতা যদি থাকে তাহলে এই অপশন ব্যবহার করতে পারেন। আর একদিনে ভ্রমণ করতে চাইলে সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেনে কিশোরগঞ্জ : প্রথমেই আপনাকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে চলে আসতে হবে।
কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে ১ ঘন্টায় চলে যেতে পারবেন বালিখোলায়।
এছাড়া লোকাল ওয়েতে যেতে চাইলে একরামপুর থেকে চামটা বন্দর গামী যে কোন অটোরিকশায় উঠে নেমে যান নিয়ামতপুর বাজারে।
বাসের ভাড়া ২৫০-৩৫০ টাকা।
সেখানে থেকে ইজিবাইকে ১ কিলো দূরত্বে বালিখোলা রাস্তায় চলে যেতে পারবেন।
ট্রেনে সকালের এগারোসিন্ধুর প্রভাতীতে আসলে সুবিধা হবে।
কোথায় থাকবেন?
যদি আপনার রাতে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কিশোরগঞ্জ শহরে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল আছে সেখানে থাকতে পারবেন ৮০০-১২০০ টাকা খরচ করে।
কোথায় খাবেন?
বালিখোলায় খাওয়ার ব্যবস্থা নাই। কয়েকট টং দোকান আছে। সেখানে হালকা নাস্তা করার সুযোগ পাবেন। ভারি খাবারের জন্যে ভাল হবে কিশোরগঞ্জ শহরেই খেয়ে নেওয়া অথবা যাত্রাপথে করিমগঞ্জ বাজারে খেয়ে নেওয়া। চামটা/চামড়া বন্দর গেলে সেখানেও মোটামুটি মানের খাওয়ার হোটেল আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বালিখলা কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেনে কিশোরগঞ্জ : প্রথমেই আপনাকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে চলে আসতে হবে। কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে ১ ঘন্টায় চলে যেতে পারবেন বালিখোলায়। এছাড়া লোকাল ওয়েতে যেতে চাইলে একরামপুর থেকে চামটা বন্দর গামী যে কোন অটোরিকশায় উঠে নেমে যান নিয়ামতপুর বাজারে। বাসের ভাড
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
যদি আপনার রাতে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কিশোরগঞ্জ শহরে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল আছে সেখানে থাকতে পারবেন ৮০০-১২০০ টাকা খরচ করে।
বালিখলা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
হাওরের দুইপাশে মাঝে রাস্তা, রাস্তার দুই পাশেবয়ে চলা রাস্তা এমন কিছু দেখতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা। কোথায় থাকবেনযদি আপনার রাতে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কিশোরগঞ্জ শহরে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল আছে সেখানে থাকতে পারবেন ৮০০-১২০০ টাকা খরচ করে। প্রায়ই জুলাই-আগস্ট মাস সবচেয়ে ভাল
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
