খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অসাধারণ চমৎকার রিসাং ঝর্ণার অবজায়গা। সকাল ৭টা থেকে শান্তি পরিবহনের বাস ১-২ ঘন্ট পর পর ছেড়ে যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

রিসাং ঝর্ণা সম্পর্কে
রিছাং ঝর্ণার অপর নাম তেরাং তৈকালাই। নন এসি এইসব বাসের ভাড়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। রিসাং ঝর্ণা থেকে কেবল ২০০ গজ ভেতরে আরও একটা ঝর্ণা রয়েছে।
খাগড়াছড়ি শহরে উন্নত মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে –পর্যটন মোটেল: শহরের চেঙ্গী নদী পাড়ে রয়েছে এই মোটেলের দুই বেডের এসি রুম ভাড়া ২১০০ টাকা এবং নন এসি রুম ভাড়া ১৩০০ টাকা। আলুটিলা গুহা, বৌদ্ধ মন্দির, দেবতা পুকুর, ঝুলন্ত ব্রিজ এবং রিসাং ঝর্ণা কাছাকাছি দূরত্বে রয়েছে। প্রায় ৩০ মিটার উচ্চতার পাহাড় থেকে পানি আছড়ে পড়ার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ঘন্টার পর ঘন্টা উপভোগ করার মত।
যোগাযোগ: ০৩৭১-৬১০৪১, ০১৮১৫-১৬৩১৭৩অরণ্য বিলাস: শহরের নারিকেল বাগান রয়েছে এই হোটেলে টুইন বেড এসি ২৫০০ টাকা, কাপল এসি ২০০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড এসি ১৫০০ টাকা, টুইন নন এসি ২০০০ টাকা এবং কাপল নন এসি ১৫০০ টাকা ভাড়া । আর চাইলে রিসাং ঝর্ণার জলে অনায়াসেই শরীর জুড়িয়ে নিতে পারবেন। হোটেলে ভেদে এক রাত অবজায়গাের জন্য আপনাকে ৪০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
আর খাগড়াছড়ি-ঢাকা সড়ক ধরে ১ কিলোমিটার এগিয়ে গিলেই রিসাং ঝর্ণা দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া বেশ কিছু লোকাল বাসও খাগড়াছড়ি যায়। চট্টগ্রাম থেকে যেতে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা।
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িঢাকা হতে শান্তি, হানিফ, এস আলম, শ্যামলী, ইকোনো এবং ঈগল পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে চড়ে সরাসরি খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। হৃদয় মেম্বারের অঞ্চল থেকে দুই কিলোমিটার পায়ে হেটে বা বাইকে চড়ে রিছাং ঝর্ণায় যেতে হয়।
কোথায় খাবেন
খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এবং বাস স্ট্যান্ড অঞ্চলয় বেশ কিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। অবশ্যই ভাড়া দরদাম করে ঠিক করুন যদিও খাগড়াছড়ি জিপ পরিবহণ মালিক সমিতি কতৃক নির্ধারিত ভাড়া ৫০০০ টাকা। মারমা শব্দ রিছাং-এর অর্থ কোন উঁচু জায়গা হতে জলরাশি গড়িয়ে পড়া।
যোগাযোগ: ০১৮৫৯-০২৫৬৯৪হোটেল ইকো ছড়ি ইন: যোগাযোগ: ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫আর যদি খুবই কম খরচে থাকতে চান তাহলে শাপলা চত্বরের আশেপাশে কিছু বোর্ডিং ধরণের হোটেল আছে সে গুলোতে ৩০০-৪০০ টাকায় থাকতে পারবেন। এসি ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়িচট্টগ্রামের অক্সিজেন মোড় থেকে বি আর টি সি ও শান্তি পরিবহণের বাস খাগড়াছড়ি ছেড়ে যায়।
যা রিছাং ঝর্ণা দুই বা ‘অপু ঝর্ণা’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। তাই সবচেয়ে ভালো আপনি যদি এই সবগুলো জায়গা একসাথে ঘুরে দেখেন। জায়গাীয়দের কাছে রিসাং ঝর্ণা (Risang Jorna) ‘সাপ মারা রিসাং ঝর্ণা’ নামে পরিচিত।
আলুটিলা থেকে হৃদয় মেম্বারের অঞ্চলয় যেতে লোকাল বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৫ টাকা। ভ্রমণকারীরা যেন সহজে ঝর্ণায় পৌঁছাতে পারেন সেজন্য এখানে পাকা সিঁড়িপথ তৈরি করা হয়েছে। আলুটিলা থেকে পরের গন্তব্য প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের হৃদয় মেম্বারের অঞ্চল।
খাগড়াছড়ি থেকে জীপ, প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাসে ঝর্ণার পাদদেশে এসে পাহাড়ি রাস্তায় কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে এগিয়ে গেলে অসাধারণ এই ঝর্ণাটি দর্শন করার সুযোগ পাবেন। শুধুকেবল যাওয়ার জন্য জনপ্রতি বাইকের ভাড়া ৫০ টাকা, আর ফিরে আসার ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
খাগড়াছড়ি শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। ভিআইপি এসি রুম ভাড়া ৩০৫০ টাকা। এই জায়গা গুলো ঘুরে দেখতে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা সময় লাগবে।
যোগাযোগ: ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫হোটেল গাইরিং: খাগড়াছড়ি শহরে রয়েছে এসি, নন এসি, ভিআইপি এসি ও গ্রুপ রুমের সুবিধা সহ শ্রেণী অনুযায়ী ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। রুম দেখে দরদাম করে আপনার পছন্দমত হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। খাগড়াছড়ি (Khagrachhari) জেলা শহর থেকে রিচাং ঝর্ণার দূরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার।
সবগুলো জায়গা ঘুরতে ১০-১৫ জনের চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করতে ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা লাগবে এবং সিএনজি রিজার্ভ করতে লাগবে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৮৩৮-৪৯৭২৫৭গিরি থেবার: খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
খাগড়াছড়ি থেকে সরাসরি চান্দের গাড়ি বা সিএনজি ভাড়া নিয়ে রিসাং ঝর্ণা দেখতে যেতে পারবেন। যদিও সেক্ষেত্রে ঝর্ণা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নেমে বাকি পথ হেটে রওনা দিতে হবে। এছাড়া রিসাং ঝর্ণা দেখতে হলে প্রথমে খাগড়াছড়ি সদর থেকে লোকালে বাস বা চান্দের গাড়িতে চড়ে ঢাকার পথে ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে আলুটিলা গুহার সামনে চলে আসুন।
গাড়ি ঠিক করার সময় কোথায় কোথায় ঘুরবেন তা বলে নিন। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র হতে এই ঝর্ণার দূরত্ব কেবল ৩ কিলোমিটার। সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা।
বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়ার পরিমান নন এসি ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং এসি ১০০০ থেকে ১৬০০ টাকা। তাছাড়া পানথাই পাড়ায় রয়েছে ‘সিস্টেম রেস্তোরা’-তে কফি, হাসের কালাভূনা, বাশকুড়ুল এবং ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
খাগড়াছড়ি থেকে সরাসরি চান্দের গাড়ি বা সিএনজি ভাড়া নিয়ে রিসাং ঝর্ণা দেখতে যেতে পারবেন।
আলুটিলা থেকে হৃদয় মেম্বারের অঞ্চলয় যেতে লোকাল বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৫ টাকা।
আলুটিলা গুহা, বৌদ্ধ মন্দির, দেবতা পুকুর, ঝুলন্ত ব্রিজ এবং রিসাং ঝর্ণা কাছাকাছি দূরত্বে রয়েছে।
আলুটিলা থেকে পরের গন্তব্য প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের হৃদয় মেম্বারের অঞ্চল।
গাড়ি ঠিক করার সময় কোথায় কোথায় ঘুরবেন তা বলে নিন।
এছাড়া রিসাং ঝর্ণা দেখতে হলে প্রথমে খাগড়াছড়ি সদর থেকে লোকালে বাস বা চান্দের গাড়িতে চড়ে ঢাকার পথে ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে আলুটিলা গুহার সামনে চলে আসুন।
কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়ি শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেলে ভেদে এক রাত অবজায়গাের জন্য আপনাকে ৪০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যোগাযোগ: ০৩৭১-৬১০৪১, ০১৮১৫-১৬৩১৭৩অরণ্য বিলাস: শহরের নারিকেল বাগান রয়েছে এই হোটেলে টুইন বেড এসি ২৫০০ টাকা, কাপল এসি ২০০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড এসি ১৫০০ টাকা, টুইন নন এসি ২০০০ টাকা এবং কাপল নন এসি ১৫০০ টাকা ভাড়া । সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৮৩৮-৪৯৭২৫৭গিরি থেবার: খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে রয়েছে। রুম দেখে দরদাম করে আপনার পছন্দমত হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। খাগড়াছড়ি শহরে উন্নত মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – পর্যটন মোটেল: শহরের চেঙ্গী নদী পাড়ে রয়েছে এই মোটেলের দুই বেডের এসি রুম ভাড়া ২১০০ টাকা এবং নন এসি রুম ভাড়া ১৩০০ টাকা। ভিআইপি এসি রুম ভাড়া ৩০৫০ টাকা। যোগাযোগ: ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫হোটেল গাইরিং: খাগড়াছড়ি শহরে রয়েছে এসি, নন এসি, ভিআইপি এসি ও গ্রুপ রুমের সুবিধা সহ শ্রেণী অনুযায়ী ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। এসি ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৮৫৯-০২৫৬৯৪হোটেল ইকো ছড়ি ইন: যোগাযোগ: ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫ আর যদি খুবই কম খরচে থাকতে চান তাহলে শাপলা চত্বরের আশেপাশে কিছু বোর্ডিং ধরণের হোটেল আছে সে গুলোতে ৩০০-৪০০ টাকায় থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এবং বাস স্ট্যান্ড অঞ্চলয় বেশ কিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। তাছাড়া পানথাই পাড়ায় রয়েছে ‘সিস্টেম রেস্তোরা’-তে কফি, হাসের কালাভূনা, বাশকুড়ুল এবং ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রিসাং ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?
খাগড়াছড়ি থেকে সরাসরি চান্দের গাড়ি বা সিএনজি ভাড়া নিয়ে রিসাং ঝর্ণা দেখতে যেতে পারবেন। আলুটিলা থেকে হৃদয় মেম্বারের অঞ্চলয় যেতে লোকাল বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৫ টাকা। আলুটিলা গুহা, বৌদ্ধ মন্দির, দেবতা পুকুর, ঝুলন্ত ব্রিজ এবং রিসাং ঝর্ণা কাছাকাছি দূরত্বে রয়েছে। আলুটিলা থেকে পরের গন্তব্য প্রায় দুই কিলোমিটার দ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়ি শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেলে ভেদে এক রাত অবজায়গাের জন্য আপনাকে ৪০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যোগাযোগ: ০৩৭১-৬১০৪১, ০১৮১৫-১৬৩১৭৩অরণ্য বিলাস: শহরের নারিকেল বাগান রয়েছে এই হোটেলে টুইন বেড এসি ২৫০০ টাকা, কাপল এসি ২০০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড এসি ১৫০০ টাকা,
রিসাং ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অসাধারণ চমৎকার রিসাং ঝর্ণার অবজায়গা। সকাল ৭টা থেকে শান্তি পরিবহনের বাস ১-২ ঘন্ট পর পর ছেড়ে যায়। রিছাং ঝর্ণার অপর নাম তেরাং তৈকালাই।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


