রোজ গার্ডেন প্যালেস (Rose Garden Palace) যা রোজ গার্ডেন হিসেবে পরিচিত, বাংলাদেশের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। ১৯৩১ সালে পুরান ঢাকার ঋষিকেশ দাস রোডে তিনি তৈরি করেন রোজ গার্ডেন, যেখানে প্রচুর গোলাপ গাছ থাকায় এর হয় রোজ গার্ডেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

রোজ গার্ডেন প্যালেস সম্পর্কে
যদিও রিকশাওয়ালাকে চেনানোর জন্য হুমায়ূন সাহেবের বাড়ির কথা বলতে হবে। রোজ গার্ডেন প্যালেসের এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ গুরুত্ব রয়েছে। 🏛️ সময়সূচি ও টিকিট মূল্য🕰️
সময়সূচি
শীতকালীন সময় (অক্টোবর – মার্চ): সকাল ৯:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা পর্যন্তগ্রীষ্মকালীন সময় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর): সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্তরবিবার: বন্ধ (সাপ্তাহিক বন্ধ)সোমবার: দুপুর ২:০০টা থেকে খোলা থাকে🎟️ প্রবেশ টিকিট মূল্যসাধারণ ভ্রমণকারী: ৩০ টাকাশিক্ষার্থী: ১০ টাকা (আইডি কার্ড আবশ্যক)১০ বছরের কম বয়সী শিশু: ফ্রি (টিকিট লাগবে না)সার্কভুক্ত দেশের দর্শনার্থী: ২০০ টাকাবিদেশী দর্শনার্থী: ৪০০ টাকাঅনলাইন টিকেটভ্রমণকারীরা চাইলে myGOV ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসেই কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন টিকেট কিনতে পারবেন, যা মোবাইলে বা প্রিন্ট আউট করে ব্যবহারযোগ্য। এটির অবজায়গা রাজধানী ঢাকা শহরের পুরান ঢাকার টিকাটুলিতে।
আবদুর রশীদের মৃত্যুর পর রোজ গার্ডেনের মালিকানা পান তার বড় ছেলে কাজী মোহাম্মদ বশীর (হুমায়ূন সাহেব)। ভবনটির আয়তন প্রায় ৭,০০০ বর্গফুট এবং উচ্চতা ৪৫ ফুট। শোনা যায়, একবার বলধা গার্ডেনের এক আসরে অপমানিত হয়ে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন।
সাধারণ পরিবার থেকে আসায় ঢাকার অভিজাত পরিবারগুলো তাকে তেমন গুরুত্ব দিত না। হাতে সময় থাকলে বলধা গার্ডেন এবং পুরান ঢাকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখে পৌঁছাতে পারবেন। ১৯৭০ সালে বেঙ্গল স্টুডিও রোজ গার্ডেন ভাড়া নেয় এবং এখানে পরিচিত সিনেমা হারানো দিন শুটিং হয়।
১৯ শতকে হৃষিকেস দাস নামের ধনী ব্যবসায়ী বিনোদনের জন্য রোজ গার্ডেন প্যালেসটি নির্মাণ করেন। ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ভবনটিকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে। যদিও যেই গোলাপের বাগানের জন্য এই প্রাসাদটির নামকরণ রোজ গার্ডেন প্যালেস করা হয়েছিল সেই গোলাপ বাগান এখন নিশ্চিহ্ন।
রোজ গার্ডেনের ইতিহাসঋষিকেশ দাস ছিলেন ব্রিটিশ আমলের নতুন ধনী ব্যবসায়ী। পরে এর নাম রাখা হয় “রশীদ মঞ্জিল”। এই প্রাচীন ভবনটি বাংলাদেশের ইতিহাস-সমৃদ্ধ পুরাকীর্তি হিসাবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোন জায়গা থেকে গুলিজায়গা বা যাত্রাবাড়ী এসে রিক্সায় দিয়ে সরাসরি টিকাটুলির কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেন আসতে পারবেন। যদিও বাড়ি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি দেউলিয়া হয়ে পড়েন এবং ১৯৩৭ সালে এটি বিক্রি করতে বাধ্য হন খান বাহাদুর আবদুর রশীদের কাছে। একসময় প্রাসাদ প্রাঙ্গণে একটা ঝর্ণা ছিল, এখন ঝর্ণাটি চালু না থাকলেও এর চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়।
প্রাসাদের নকশায় করিন্থীয় ও গ্রীক স্থাপত্যশৈলী ব্যবহার করা হয়েছে।
কোথায় খাবেন
খাবারের জন্য পুরান ঢাকার রয়েছে বিশেষ ঐতিহ্য। 📸 পূর্ব অনুমতি ছাড়া ফটোশুট, ভিডিও শুট এবং ড্রোন ব্যবহার নিষেধআশেপাশের দর্শনীয় জায়গারোজ গার্ডেনের কাছেই রয়েছে বলধা গার্ডেন ও খ্রিষ্টান কবরজায়গা। উপর তলায় আরো একটা হল সহ আরও পাঁচটি কক্ষ রয়েছে।
আল রাজ্জাক, হাজীর বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, বিউটি লাচ্চি, ক্যামে কর্ণারের ক্রাম্ব চাপ, বিউটি বোডিং থেকে নিঃসন্দেহে বেছে নিতে পারেন যা খাবেন। সে সময় এটি “হুমায়ুন সাহেবের বাড়ি” নামেও পরিচিতি পায়। স্থাপত্য ও বৈশিষ্ট্যরোজ গার্ডেন প্যালেস তৈরি হয়েছিল ২২ বিঘা জমির উপর।
প্রাসাদের সামনে বাগানে রয়েছে মার্বেলের তৈরি কয়েকটি সুদৃশ্য মূর্তি। এটি ছয়টি শক্ত থামের উপর দাঁড়িয়ে আছে, আর প্রতিটি থামে লতাপাতার চমৎকার নকশা করা হয়েছে। বাড়িটির নীচতলায় একটা হলরুম, আটটি কক্ষ রয়েছে।
১৯৪৯ সালে এই রোজ গার্ডেনেই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ (এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) গঠিত হয়। এরপরই তিনি নিজের বাগানবাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। পরে আইনি জটিলতার পর মালিকানা ফেরত আসে কাজী আবদুর রশীদের পরিবারে।
অবশেষে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৩৩২ কোটি টাকায় রোজ গার্ডেন প্যালেস ক্রয় করে এবং এখন এটি সরকারের মালিকানায় রয়েছে। আরও পড়ুনওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, টাঙ্গাইললেক্সাস গার্ডেন সিলেটআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রপদ্মা গার্ডেন, রাজশাহী
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার যেকোন জায়গা থেকে গুলিজায়গা বা যাত্রাবাড়ী এসে রিক্সায় দিয়ে সরাসরি টিকাটুলির কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেন আসতে পারবেন।
যদিও রিকশাওয়ালাকে চেনানোর জন্য হুমায়ূন সাহেবের বাড়ির কথা বলতে হবে।
কোথায় খাবেন?
খাবারের জন্য পুরান ঢাকার রয়েছে বিশেষ ঐতিহ্য। আল রাজ্জাক, হাজীর বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, বিউটি লাচ্চি, ক্যামে কর্ণারের ক্রাম্ব চাপ, বিউটি বোডিং থেকে নিঃসন্দেহে বেছে নিতে পারেন যা খাবেন। আরও পড়ুনওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, টাঙ্গাইললেক্সাস গার্ডেন সিলেটআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রপদ্মা গার্ডেন, রাজশাহী
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রোজ গার্ডেন প্যালেস কীভাবে যাবেন?
ঢাকার যেকোন জায়গা থেকে গুলিজায়গা বা যাত্রাবাড়ী এসে রিক্সায় দিয়ে সরাসরি টিকাটুলির কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেন আসতে পারবেন। যদিও রিকশাওয়ালাকে চেনানোর জন্য হুমায়ূন সাহেবের বাড়ির কথা বলতে হবে।
রোজ গার্ডেন প্যালেস-এর কাছে কোথায় খাবেন?
খাবারের জন্য পুরান ঢাকার রয়েছে বিশেষ ঐতিহ্য। আল রাজ্জাক, হাজীর বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, বিউটি লাচ্চি, ক্যামে কর্ণারের ক্রাম্ব চাপ, বিউটি বোডিং থেকে নিঃসন্দেহে বেছে নিতে পারেন যা খাবেন। আরও পড়ুনওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, টাঙ্গাইললেক্সাস গার্ডেন সিলেটআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রপদ্
রোজ গার্ডেন প্যালেস সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
রোজ গার্ডেন প্যালেস (Rose Garden Palace) যা রোজ গার্ডেন হিসেবে পরিচিত, বাংলাদেশের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। ১৯৩১ সালে পুরান ঢাকার ঋষিকেশ দাস রোডে তিনি তৈরি করেন রোজ গার্ডেন, যেখানে প্রচুর গোলাপ গাছ থাকায় এর হয় রোজ গার্ডেন। যদিও রিকশাওয়ালাকে চেনানোর জন্য হুমায়ূন সাহেবের বাড়ির কথা বলতে হবে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
