আগ্রার তাজমহল দেখার স্বপ্ন অনেকেরই অধরা। কিন্তু ঢাকার কাছেই সোনারগাঁওয়ের পেরাব গ্রামে একটি বাংলাদেশি সংস্করণ তৈরি করেছেন আহসান উল্লাহ মনি। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে নির্মিত এই স্থাপনায় তাজমহলের আদলে গম্বুজ, মিনার আর সামনে পিরামিড — সব মিলিয়ে একটি অদ্ভুত কিন্তু আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান।
- প্রবেশ ফি: ১৫০৳ (তাজমহল + পিরামিড একসাথে)
- সময়: সকাল ৯টা – সন্ধ্যা ৭টা
- অবস্থান: পেরাব গ্রাম, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
- নির্মাণকাল: ২০০৩–২০০৮
- ঢাকা থেকে পথ: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক → মদনপুর
কেন বাংলার তাজমহল দেখবেন
এটি মূল তাজমহলের মতো নয়, কিন্তু এর নিজস্ব একটা আকর্ষণ আছে। স্থানীয় উদ্যোগে নির্মিত এই স্থাপনা বাংলাদেশের সৃজনশীলতার একটি উদাহরণ। পরিবার নিয়ে বিকেলে ঘুরে আসার জন্য, বিশেষ করে বাচ্চাদের সাথে ভ্রমণের জন্য এটি একটি মজার গন্তব্য। পিরামিডের সামনে ছবি তোলাও বেশ মজার।
কীভাবে যাবেন
যেকোনো চট্টগ্রামমুখী বাসে উঠুন।
মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে নামুন — ভাড়া ৫০–৭০ টাকা।
মদনপুর থেকে সিএনজিতে পেরাব গ্রাম। ভাড়া ২৫–৩০ টাকা।
আশেপাশে আর কী দেখবেন
পেরাব গ্রামের কাছে সোনারগাঁওয়ের অনেক ঐতিহাসিক স্থান আছে। একই দিনে সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, গোয়ালদি মসজিদ বা পানাম নগর দেখতে পারেন। এলাকাটা ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
বাজেট পরিকল্পনা
সকাল ১০টার দিকে গেলে ভিড় কম থাকে এবং আলো ভালো থাকে। শুক্র-শনিবার পারিবারিক ভিড় বেশি। সোনারগাঁওয়ের অন্য দর্শনীয় স্থানের সাথে কম্বো করুন।
ঢাকা থেকে সোনারগাঁও ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাংলার তাজমহল কি আসল তাজমহলের প্রতিলিপি?
এটি আগ্রার তাজমহলের অনুপ্রেরণায় নির্মিত, তবে হুবহু প্রতিলিপি নয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা আহসান উল্লাহ মনি ২০০৩ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে এটি নির্মাণ করেন।
প্রবেশ ফি কত?
তাজমহল ও পিরামিড একসাথে দেখতে ১৫০ টাকা টিকিট কাটতে হয়। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা।
এখানে খাবারের ব্যবস্থা আছে?
ভেতরে কোনো রেস্টুরেন্ট নেই, তবে মদনপুর বাজারে খাবারের হোটেল আছে। বের হয়ে খেয়ে নিন।