শাপলা গ্রাম সাতলা (Shapla Gram Satla) যেন এক শাপলার রাজ্য। লঞ্চগুলো পরদিন ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁছায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

শাপলা গ্রাম, সাতলা সম্পর্কে
ভাল সার্ভিসের লঞ্চের মধ্যে আছে এম ভি মানামী, কুয়াকাটা ২, কীর্তনখোলা ১০, এডভেঞ্চার ১, এডভেঞ্চার ৯, চমৎকারবন ৯, চমৎকারবন ১০, সুরভী ৭, সুরভী ৮, পারাবত ৯, পারাবত ১১ সহ আরও কিছু লঞ্চ। সাতলা গ্রামের প্রায় ১০ হাজার একর জলাভূমিতে শাপলা জন্মে। বরিশাল (Barishal) সদর থেকে সাতলা গ্রামের দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার।
বছরের এই মাসগুলোতে শাপলা গ্রাম সাতলা গেলে হাজারো শাপলা দেখার সুযোগ পাবেন। এবং ভিআইপি কেবিনের ভাড়া ৫,০০০ – ৮,০০০ টাকা। বিলের পানিতে ফুটে থাকা হাজারো লাল শাপলা যেন সূর্য্যের লাল আভাকেও হার মানায়।
যদিও একান্তই যদি যদি সাতলা গ্রামে রাত থাকতে চান যদিও সাতলার স্কুলে অথবা জায়গাীয় কোন গৃহস্তের বাড়িতে কথা বলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। রাজধানীর গাবতলি বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেক দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা পরিবহণের বাস যাতায়াত করে। সাতলা কখন যাবেনপ্রায়ই আগস্টের থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই ৩ মাস এখানে শাপলা ফুটে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে রাত ৮টা-৯টার মধ্যে বরিশালগামী লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। এছাড়াও বরিশাল থেকে মহেন্দ্র গাড়িতে চড়েও ঘুরে আসতে পারবেন শাপলা গ্রাম সাতলা হতে। বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন।
আর শাপলা দেখতে হলে অবশ্যই খুব সকালে রওনা দিতে হবে কারণ বেলা গড়ানোর সাথে সাথে শাপলা ফুল বুজে যায় কিংবা শাপলা ফুল ব্যবসাহীরা ফুল বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যায়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় এক রাত গ্রামে থেকে ভোরে শাপলা বিলে চলে গেলে। শাপলার ছবি তোলার জন্য ফটোগ্রাফারদের কাছে সাতলা একটা আদর্শ জায়গা।
শাপলা গ্রাম সাতলা থেকেই সারা দেশের নানা জায়গায় শাপলা ফুল সরবরাহ করা হয়। ঢাকা থেকে বরিশালগামী বাসগুলো প্রায়ই বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে থামে। যদিও লাল শাপলা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
এছাড়া ঢাকা থেকে বাসে বরিশাল যাওয়ার সময় উজিরপুরের নুতনহাট বাস থেকে নেমে সেখান থেকেও সরাসরি অটো করে সাতলা শাপলা বিল দেখতে যেতে পারবেন। কিংবা বরিশালের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে সাতলা ও বাগধা গ্রামে যাওয়ার সরাসরি বাস সার্ভিসে ২ ঘন্টায় পৌঁছে যেতে পারবেন আপনার গন্তব্যে। অতিথিপরায়ন সাতলা গ্রামের মানুষেরা খুশি মনেই আতিথিয়তা করে থাকে।
সাতলা যাওয়ার উপায়বরিশাল থেকে বাসে শিকারপুর এসে অটো ভাড়া করে উত্তর সাতলা যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে বরিশালসড়কপথে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বরিশাল এর দূরত্ব প্রায় ১৮১ কিলোমিটার আর যেতে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা সময় লাগে। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনাকে বরিশাল শহরেই ফিরে রওনা দিতে হবে।
শ্যামলী পরিবহন, লাবিবা ক্লাসিক লিমিটেড, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, এনা ট্রান্সপোর্ট (প্রা.) লিমিটেড, শাহ পরিবহন, গ্রীন লাইন পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৪৭০ থেকে ১৩০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)। জনপ্রতি ডেকের ভাড়া.২০০-২৫০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১২০০-১৪০০ টাকা, ডাবল কেবিনের ভাড়া ২,২০০-২,৫০০ টাকা। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, হোটেল এরিনা, এথেনা, সেডোনা, রোদেলা উল্লেখযোগ্য।
কোথায় থাকবেন
সাতলায় থাকার ভালো কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও ঢাকা থেকে বরিশাল যাতায়াতের জন্য লঞ্চ সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। এখানে কবে থেকে শাপলা ফোটা শুরু হয়েছে এ তথ্য পাওয়া না গেলেও জানা যায় এখানে লাল, সাদা আর বেগুনি এই তিন ধরণের শাপলা জন্মে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের বিলগুলো জায়গাীয়দের কাছে শাপলার বিল নামে পরিচিত। শাপলা গ্রামের অধিকাংশ অধিবাসী তাই শাপলা বিপণনের সাথে যুক্ত। এছাড়া পোর্ট রোড ও সদর রোডের পাশে বেশ কয়েকটি কম বাজেটের হোটেল আছে।
কীভাবে যাবেন?
প্রায়ই আগস্টের থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই ৩ মাস এখানে শাপলা ফুটে।
বছরের এই মাসগুলোতে শাপলা গ্রাম সাতলা গেলে হাজারো শাপলা দেখার সুযোগ পাবেন।
আর শাপলা দেখতে হলে অবশ্যই খুব সকালে রওনা দিতে হবে কারণ বেলা গড়ানোর সাথে সাথে শাপলা ফুল বুজে যায় কিংবা শাপলা ফুল ব্যবসাহীরা ফুল বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যায়।
তাই সবচেয়ে ভালো হয় এক রাত গ্রামে থেকে ভোরে শাপলা বিলে চলে গেলে।
কোথায় থাকবেন?
সাতলায় থাকার ভালো কোন ব্যবস্থা নেই। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনাকে বরিশাল শহরেই ফিরে রওনা দিতে হবে। বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। যদিও একান্তই যদি যদি সাতলা গ্রামে রাত থাকতে চান যদিও সাতলার স্কুলে অথবা জায়গাীয় কোন গৃহস্তের বাড়িতে কথা বলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। অতিথিপরায়ন সাতলা গ্রামের মানুষেরা খুশি মনেই আতিথিয়তা করে থাকে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, হোটেল এরিনা, এথেনা, সেডোনা, রোদেলা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পোর্ট রোড ও সদর রোডের পাশে বেশ কয়েকটি কম বাজেটের হোটেল আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শাপলা গ্রাম, সাতলা কীভাবে যাবেন?
প্রায়ই আগস্টের থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই ৩ মাস এখানে শাপলা ফুটে। বছরের এই মাসগুলোতে শাপলা গ্রাম সাতলা গেলে হাজারো শাপলা দেখার সুযোগ পাবেন। আর শাপলা দেখতে হলে অবশ্যই খুব সকালে রওনা দিতে হবে কারণ বেলা গড়ানোর সাথে সাথে শাপলা ফুল বুজে যায় কিংবা শাপলা ফুল ব্যবসাহীরা ফুল বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যায়। তাই সব
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সাতলায় থাকার ভালো কোন ব্যবস্থা নেই। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনাকে বরিশাল শহরেই ফিরে রওনা দিতে হবে। বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। যদিও একান্তই যদি যদি সাতলা গ্রামে রাত থাকতে চান যদিও সাতলার স্কুলে অথবা জায়গাীয় কোন গৃহস্তের বাড়িতে কথা ব
শাপলা গ্রাম, সাতলা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
শাপলা গ্রাম সাতলা (Shapla Gram Satla) যেন এক শাপলার রাজ্য। লঞ্চগুলো পরদিন ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁছায়। ভাল সার্ভিসের লঞ্চের মধ্যে আছে এম ভি মানামী, কুয়াকাটা ২, কীর্তনখোলা ১০, এডভেঞ্চার ১, এডভেঞ্চার ৯, চমৎকারবন ৯, চমৎকারবন ১০, সুরভী ৭, সুরভী ৮, পারাবত ৯, পারাবত ১১ সহ আরও কিছু লঞ্চ।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
