প্রাচীন বাংলার গৌরবোজ্জ্বল জায়গা শ্রীবিক্রমপুর মহানগরের একাংশ বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মহিমায়পূর্ণ এক সমৃদ্ধ এলাকা। কোথায় খাবেনমুন্সিগঞ্জ শহরে রিভার ভিউ, মারিয়া ফুড ক্যাফে ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের মতো ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

পোলঘাটা সেতু সম্পর্কে
ঢাকার গুলিস্তান থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার নানা পরিবহণের বাস পাওয়ার সুযোগ আছে। পুরো জেলা জুড়ে ছড়িয়ে আছে নানা গৌরবময় উপাখ্যানের সাক্ষী অসংখ্য প্রাচীন নিদর্শন। প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
যেভাবে যাবেনরাজধানী ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৬ কিলোমিটার। বিক্রমপুর মহানগরের সীমানা পরিখা মির কাদিম খালের উপর তৈরি হওয়ার কারণে জায়গাীয়দের নিকট এটি মীরকাদিম সেতু হিসাবেও পরিচিত। দুইপাশের নৌযান চলাচলের পথ মাঝখানের ফাঁকা জায়গাের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট।
মুন্সিগঞ্জ জেলা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে নির্মিত এই সেতু টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সাথে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে অটোরিকশা/সিএনজি নিয়ে পোলঘাটা সেতু যেতে পারবেন। মুন্সিগঞ্জ জেলার বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য।
জেলার পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুরি) ও ভাগ্যকুলের মিষ্টি প্রভৃতি অন্যতম। পোলঘাটার ইটের পুলটি এখন বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। কোথায় থাকবেনঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়।
এদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের পানাম পোলঘাটা গ্রামে রয়েছে ইট ও সুরকি ব্যবহারে তৈরি মোগল আমলের পোলঘাটা সেতু (Polghata Bridge) এক অনন্য পুরার্কীতি। ৫২.৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের ধুনকাকৃতি/অর্ধবৃত্ত গড়নের পোলঘাটা সেতুর নিচে খিলান দিয়ে নৌযান চলাচলের জন্য ৩টি জায়গা রাখা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের দর্শনীয় জায়গামুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী, আড়িয়াল বিল ও মাওয়া ফেরি ঘাট অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৬ কিলোমিটার।
ঢাকার গুলিস্তান থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার নানা পরিবহণের বাস পাওয়ার সুযোগ আছে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে অটোরিকশা/সিএনজি নিয়ে পোলঘাটা সেতু যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়। প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। মুন্সিগঞ্জ জেলার বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
মুন্সিগঞ্জ শহরে রিভার ভিউ, মারিয়া ফুড ক্যাফে ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের মতো ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। জেলার পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুরি) ও ভাগ্যকুলের মিষ্টি প্রভৃতি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পোলঘাটা সেতু কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৬ কিলোমিটার। ঢাকার গুলিস্তান থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার নানা পরিবহণের বাস পাওয়ার সুযোগ আছে। মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে অটোরিকশা/সিএনজি নিয়ে পোলঘাটা সেতু যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়। প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। মুন্সিগঞ্জ জেলার বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া
পোলঘাটা সেতু সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
প্রাচীন বাংলার গৌরবোজ্জ্বল জায়গা শ্রীবিক্রমপুর মহানগরের একাংশ বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মহিমায়পূর্ণ এক সমৃদ্ধ এলাকা। কোথায় খাবেনমুন্সিগঞ্জ শহরে রিভার ভিউ, মারিয়া ফুড ক্যাফে ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের মতো ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। ঢাকার গুলিস্তান থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

