আস-সালাম জামে মসজিদ (As-Salam Jame Mosque) লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলায় রয়েছে একটা দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। বাংলাদেশের একটা সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান আর্কি গ্রাউন্ড লিমিটেডের পরিচালক নবি নেওয়াজ খান সামিন ও তার সহযোগীগণ এই মসজিদের নকশা প্রণয়ন করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

আস্-সালাম জামে মসজিদ – লক্ষীপুর সম্পর্কে
এই মসজিদ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে বসেই রোদ, বৃষ্টি এবং কুয়াশার দৃশ্য উপভোগ করতে পারে। সামনে মেহরাব ও মসজিদের মূল অংশ। জলাধারগুলোতে রাখা শীতল পাথর গ্রীষ্মকালে মসজিদকে শীতল রাখতে সাহায্য করে।
প্রকৃতির মাঝে, খোলা জমিনে বসে ইবাদতের অনুভূতি পান মুসল্লিরা। তাই রাতে থাকতে চাইলে লক্ষ্মীপুরে চলে আসুন। গ্যালারি অংশের পেছন থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি।
বাস থেকে লক্ষ্মীপুর ঝুমুর সিনেমা হলের সামনে নেমে সেখান থেকে লোকাল বাসে চড়ে রামগতির দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ দেখতে যেতে পারবেন। দোতলা এ মসজিদটির নিচতলা দু’ভাগে বিভক্ত। চাইলে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে এসি/নন-এসি বাসে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)। পুরো মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ২,০০০ মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন। এর পেছনে মাঝ বরাবর গলিপথ।
সায়েদাবাদ থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে ৪/৫ ঘন্টা সময় লাগে। মসজিদে কোনো জানালা নেই। স্থাপত্যশৈলীনজরকাড়া নকশায় নির্মিত এ মসজিদটি বাংলাদেশে আধুনিক নির্মাণ শৈলীর এক অনন্য নজির।
রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়েল, ইকোনো এবং ঢাকা এক্সপ্রেস সহ বেশ কিছু পরিবহণের বাস লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। তবু ভেতরে আলো-হাওয়ার কমতি নেই।
কোথায় থাকবেন
মসজিদ কমপ্লেক্সের কাছে থাকার কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই। নিয়মিত নামাজের পাশাপাশি ঈদগাহ হিসেবেও ব্যবহার করা হয় আস-সালাম জামে মসজিদ। ট্রাস্টের কর্ণধার অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন দোলন বলেছেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
দোতলায় রয়েছে নারীদের নামাজ পড়ার জায়গা। গরমের সময় মসজিদকে শীতল করার জন্য ভেতরে রয়েছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য চারটি জলাধার। পেছনের অংশে বড় গ্যালারির মসজিদ।
কিন্তু বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা রোদের তাপে দগ্ধ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তার দুই পাশে শীতল জলাধার এবং রোদ, বৃষ্টির পবেশ পথ। এই মসজিদটি রহিমা-মমতাজ ও সাইফ সালাউদ্দিন ট্রাস্ট জনহিতকর কাজ হিসেবে এটি তৈরি করার উদ্যোগ নেয়।
লক্ষ্মীপুরে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়ে ২০২১ সালে শেষ হয়। যেখানে বসে মুসল্লিরা নিজ মনে ইবাদত করতে পারেন।
কীভাবে যাবেন
লক্ষ্মীপুর শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের শেখের কেল্লা অঞ্চলয় এই মসজিদ এর অবজায়গা। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
কীভাবে যাবেন?
লক্ষ্মীপুর শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের শেখের কেল্লা অঞ্চলয় এই মসজিদ এর অবজায়গা।
ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে এসি/নন-এসি বাসে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)।
রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়েল, ইকোনো এবং ঢাকা এক্সপ্রেস সহ বেশ কিছু পরিবহণের বাস লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
সায়েদাবাদ থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে ৪/৫ ঘন্টা সময় লাগে।
বাস থেকে লক্ষ্মীপুর ঝুমুর সিনেমা হলের সামনে নেমে সেখান থেকে লোকাল বাসে চড়ে রামগতির দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
মসজিদ কমপ্লেক্সের কাছে থাকার কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই। তাই রাতে থাকতে চাইলে লক্ষ্মীপুরে চলে আসুন। চাইলে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। লক্ষ্মীপুরে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আস্-সালাম জামে মসজিদ – লক্ষীপুর কীভাবে যাবেন?
লক্ষ্মীপুর শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের শেখের কেল্লা অঞ্চলয় এই মসজিদ এর অবজায়গা। ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে এসি/নন-এসি বাসে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)। রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়ে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মসজিদ কমপ্লেক্সের কাছে থাকার কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই। তাই রাতে থাকতে চাইলে লক্ষ্মীপুরে চলে আসুন। চাইলে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। লক্ষ্মীপুরে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বে
আস্-সালাম জামে মসজিদ – লক্ষীপুর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
আস-সালাম জামে মসজিদ (As-Salam Jame Mosque) লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলায় রয়েছে একটা দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। বাংলাদেশের একটা সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান আর্কি গ্রাউন্ড লিমিটেডের পরিচালক নবি নেওয়াজ খান সামিন ও তার সহযোগীগণ এই মসজিদের নকশা প্রণয়ন করেন। এই মসজিদ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

