চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে রয়েছে লোহাগড়া মঠ (Lohagarh Moth) একটা ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন নিদর্শন। শীতকালে ভোরবেলা রওনা দিলে মঠে যাবার আগেই রাস্তার পাশ থেকে খেজুরের তাজা রসের স্বাদ নিতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

লোহাগড়া মঠ সম্পর্কে
পাশাপাশি নিজেদের আর্থিক প্রতিপত্তির নিদর্শনস্বরূপ মঠের শিখরে একটা আড়াই মণ ওজনের স্বর্ণদণ্ড স্থাপন করেছিলেন। এদের মধ্যে মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী প্রভৃতি অন্যতম। সর্বাধিক বড় মঠটির শৈল্পিক কারুকার্যময় এবং অন্যান্য মঠ থেকে আলাদা।
ভ্রমণ পরামর্শবর্ষাকালে এই মঠে যাওয়ার রাস্তা বেশ খারাপ হয়ে যায় তাই শীতকাল এই মঠে যাওয়ার জন্য সর্বাধিক উপযুক্ত সময়। কোথায় থাকবেনচাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। সেসময় বহুেই স্বর্ণদণ্ডের লোভে মঠের শিখরে উঠার চেষ্টা করে মৃত্যুবরণ করেছে।
জনৈক ব্রিটিশ পরিব্রাজক লোহাগড় গ্রাম পরিদর্শনের সময় এই মঠের আভিজাত্য দেখে বিমুগ্ধ হয়েছিল। কোথায় খাবেনফরিদগঞ্জে শাহী রেস্তোরাঁ, ক্যাফে রাজধানী, হাজি রেস্তোরাঁ, ঘরোয়া হোটেল ও ফরিদগঞ্জ ওয়ান স্টার রেস্তোরাঁের মতো বেশ কিছু খাবারের রেস্তোরা আছে। পরবর্তীতে কোন এক প্রকৃতির দুর্যোগের ফলে স্বর্ণদণ্ডটি মঠ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীতে পড়ে যায়।
কথিত আছে, ব্রিটিশ এই পরিব্রাজকের আগমন উপলক্ষ্যে জমিদার ভাতৃদ্বয় লোহা ও গহড় নিজেদের শানশওকত দেখানোর প্রয়াসে নদীর তীর থেকে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত ২০০ হাত দৈর্ঘ্য, ২ হাত প্রস্থ ও ১ হাত উচ্চতা বিশিষ্ট একটা রাস্তা সিকি ও আধুলি মুদ্রা দিয়ে নির্মাণ করেছিলেন। চাঁদপুর শহর জেলা সদর থেকে বাস, সিএনজি বা মোটর সাইকেলে চান্দ্রা বাজার হয়ে লোহাগড়া মঠ পৌছাতে পারবেন। জমিদার বংশের লোহা ও গহড় নামের অত্যাচারী ও প্রতাপশালী দুই ভাই জমিদার বাড়ির অবজায়গাস্বরূপ ডাকাতিয়া নদীর কূল ঘেঁষে এই মঠটি নির্মাণ করেছিল এবং তাদের নামেই এই গ্রাম ও মঠের নামকরণ করা হয়।
ঢাকার সদর ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া, মিতালি এবং ইমাম হাসান নামের লঞ্চ চাঁদপুর নৌপথে যাতায়াত করে। চাঁদপুর শহর থেকে লোহাগড়া মঠের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ এবং রেলপথে চাঁদপুর যাওয়া গেলেও নৌপথ সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক। চাঁদপুরের দর্শনীয় জায়গাচাঁদপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে অঙ্গীকার ভাস্কর্য, বড় ষ্টেশন, বড় মসজিদ ও রূপসা জমিদার বাড়ি অন্যতম। তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচারের নীরব সাক্ষী লোহাগড়া মঠ চাঁদপুরের একটা অন্যতম দর্শনীয় জায়গাে পরিণত হয়েছে।
প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন লোহাগড় মঠে এখন ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতার ৩টি মঠ, প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ ও মাটির নিচের গহবর বিদ্যমান রয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা বিরতিতে চাঁদপুরের লঞ্চ রয়েছে। আর চাঁদপুর গেলে অবশ্যই চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটের যেকোন লোকাল রেস্তোরাঁ অথবা কালীবাড়ি রোডের ক্যাফে কর্নারের পদ্মার ইলিশের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
ছবি: সংগ্রহ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ এবং রেলপথে চাঁদপুর যাওয়া গেলেও নৌপথ সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক।
সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা বিরতিতে চাঁদপুরের লঞ্চ রয়েছে।
চাঁদপুর শহর থেকে লোহাগড়া মঠের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার।
ঢাকার সদর ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া, মিতালি এবং ইমাম হাসান নামের লঞ্চ চাঁদপুর নৌপথে যাতায়াত করে।
চাঁদপুর শহর জেলা সদর থেকে বাস, সিএনজি বা মোটর সাইকেলে চান্দ্রা বাজার হয়ে লোহাগড়া মঠ পৌছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
চাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী প্রভৃতি অন্যতম।
কোথায় খাবেন?
ফরিদগঞ্জে শাহী রেস্তোরাঁ, ক্যাফে রাজধানী, হাজি রেস্তোরাঁ, ঘরোয়া হোটেল ও ফরিদগঞ্জ ওয়ান স্টার রেস্তোরাঁের মতো বেশ কিছু খাবারের রেস্তোরা আছে। আর চাঁদপুর গেলে অবশ্যই চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটের যেকোন লোকাল রেস্তোরাঁ অথবা কালীবাড়ি রোডের ক্যাফে কর্নারের পদ্মার ইলিশের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
ট্রাভেল টিপস
বর্ষাকালে এই মঠে যাওয়ার রাস্তা বেশ খারাপ হয়ে যায় তাই শীতকাল এই মঠে যাওয়ার জন্য সর্বাধিক উপযুক্ত সময়।শীতকালে ভোরবেলা রওনা দিলে মঠে যাবার আগেই রাস্তার পাশ থেকে খেজুরের তাজা রসের স্বাদ নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
লোহাগড়া মঠ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ এবং রেলপথে চাঁদপুর যাওয়া গেলেও নৌপথ সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক। সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা বিরতিতে চাঁদপুরের লঞ্চ রয়েছে। চাঁদপুর শহর থেকে লোহাগড়া মঠের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। ঢাকার সদর ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া,
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী প্রভৃতি অন্যতম।
লোহাগড়া মঠ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে রয়েছে লোহাগড়া মঠ (Lohagarh Moth) একটা ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন নিদর্শন। শীতকালে ভোরবেলা রওনা দিলে মঠে যাবার আগেই রাস্তার পাশ থেকে খেজুরের তাজা রসের স্বাদ নিতে পারবেন। পাশাপাশি নিজেদের আর্থিক প্রতিপত্তির নিদর্শনস্বরূপ মঠের শিখরে একটা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
