চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে ইসলাম ধর্ম প্রচারক হযরত শাহরাস্তির মাজার (Hazrat Shahrasti Mazar) রয়েছে। রাস্তি শাহ্ ১২৩৮ খ্রিস্টাব্দে ইরাকের বাগদাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হযরত শাহরাস্তির মাজার সম্পর্কে
ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি ৭৩৮ বঙ্গাব্দে ইয়েমেন এবং ১৩৫১ সালে বাংলাদেশে আসেন। চাঁদপুর গেলে অবশ্যই পদ্মার ইলিশের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। ঢাকার সদরঘাটের লালকুঠি ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া, মিতালি ও ইমাম হাসান লঞ্চ চাঁদপুর নৌরুটে চলাচল করে।
কোথায় খাবেনফরিদগঞ্জে শাহী রেস্তোরাঁ, ক্যাফে রাজধানী, হাজি রেস্তোরাঁ, ঘরোয়া হোটেল ও ফরিদগঞ্জ ওয়ান স্টার রেস্তোরাঁের মতো বেশ কিছু খাবারের রেস্তোরা আছে। তাঁর নানা অলৌকিক ঘটনার কথা আজো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত আছে। হযরত রাস্তি শাহ্ (রঃ) ছিলেন বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রঃ) এর বংশধর।
চাঁদপুর জেলায় পৌঁছে রিক্সা/সিএনজি নিয়ে শাহ্ রাস্তি উপজেলা পরিষদ হয়ে হযরত শাহরাস্তির মাজার শরীফে যেতে পারবেন। বেসরকারী আবাসনের মধ্যে বিলাসঅসংখ্যল মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী অন্যতম। সেই সময় শাহ্ রাস্তির মাজারের ব্যয় নির্বাহ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৬৪ একর জায়গা এবং বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে বার্ষিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
যদিও নৌপথে লঞ্চে করে যাওয়া সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক ও উপভোগ্য। কোথায় থাকবেনচাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। পরবর্তীতে তাঁর নামানুসারেই শাহরাস্তি উপজেলার নামকরণ করা হয়।
কথিত আছে, মাজারের উত্তর দিকের বড় দীঘিটি তিনি জ্বীনদের সহায়তায় এক রাতের মধ্যেই খনন করিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সাড়ে তিনশ বছর পর সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির আদেশে কাজী গোলাম রসূল তাঁর সমাধিকে ঘিরে মাজার নির্মাণ করেন। দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ্-র আমলে হযরত শাহ্ জালালের সাথে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে উপমহাদেশে আসা ১২ জন আউলিয়ার মধ্যে হযরত শাহ্ রাস্তি ছিলেন অন্যতম।
প্রতি বছর মাঘ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার শাহ্ রাস্তির মাজারে আয়োজিত বার্ষিক সম্মেলন বা ওরশে দেশের নানা জায়গা থেকে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে। মাজারের কাছে ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটা মসজিদও নির্মাণ করা হয়। ইসলাম প্রচারে নিবেদিত প্রাণ মহৎ এই ব্যাক্তি ১৩৮৮ সালে চাঁদপুরের শ্রীপুর গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ ও রেলপথে চাঁদপুর জেলায় পৌঁছানো যায়। চাঁদপুর জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাচাঁদপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে অঙ্গীকার ভাস্কর্য, বড় ষ্টেশন, বড় মসজিদ ও রূপসা জমিদার বাড়ি অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ ও রেলপথে চাঁদপুর জেলায় পৌঁছানো যায়।
ঢাকার সদরঘাটের লালকুঠি ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া, মিতালি ও ইমাম হাসান লঞ্চ চাঁদপুর নৌরুটে চলাচল করে।
যদিও নৌপথে লঞ্চে করে যাওয়া সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক ও উপভোগ্য।
চাঁদপুর জেলায় পৌঁছে রিক্সা/সিএনজি নিয়ে শাহ্ রাস্তি উপজেলা পরিষদ হয়ে হযরত শাহরাস্তির মাজার শরীফে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
চাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। বেসরকারী আবাসনের মধ্যে বিলাসঅসংখ্যল মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী অন্যতম।
কোথায় খাবেন?
ফরিদগঞ্জে শাহী রেস্তোরাঁ, ক্যাফে রাজধানী, হাজি রেস্তোরাঁ, ঘরোয়া হোটেল ও ফরিদগঞ্জ ওয়ান স্টার রেস্তোরাঁের মতো বেশ কিছু খাবারের রেস্তোরা আছে। চাঁদপুর গেলে অবশ্যই পদ্মার ইলিশের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হযরত শাহরাস্তির মাজার কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক, নৌ ও রেলপথে চাঁদপুর জেলায় পৌঁছানো যায়। ঢাকার সদরঘাটের লালকুঠি ঘাট থেকে এমভি সিরিজের সোনার তরী, মেঘলা রাণী, বোগদাদীয়া, আল বোরাক, ঈগল, তাকওয়া, মিতালি ও ইমাম হাসান লঞ্চ চাঁদপুর নৌরুটে চলাচল করে। যদিও নৌপথে লঞ্চে করে যাওয়া সর্বাধিক বেশী সুবিধাজনক ও উপভোগ্য। চাঁদপুর জেলায় পৌঁছে রিক্
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চাঁদপুরের বড় ষ্টেশন রোড ও কুমিল্লা রোডে বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। বেসরকারী আবাসনের মধ্যে বিলাসঅসংখ্যল মেঘনা রিসোর্ট, হোটেল গ্র্যান্ড হিলিসা, হোটেল শেরাটন, হোটেল আল রাজিব, হোটেল গাজী, হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকী অন্যতম।
হযরত শাহরাস্তির মাজার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে ইসলাম ধর্ম প্রচারক হযরত শাহরাস্তির মাজার (Hazrat Shahrasti Mazar) রয়েছে। রাস্তি শাহ্ ১২৩৮ খ্রিস্টাব্দে ইরাকের বাগদাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি ৭৩৮ বঙ্গাব্দে ইয়েমেন এবং ১৩৫১ সালে বাংলাদেশে আসেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

