মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় রয়েছে পাথারিয়া পাহাড় জায়গাীয়দের কাছে আদম আইল হিসেবে পরিচিত। পাথারিয়া পাহাড়ে যাওয়ার পথ বেশ দুর্গম তাই চলার সময় সাবধান থাকুন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

পাথারিয়া পাহাড় সম্পর্কে
পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে চাইলে ট্র্যাকিংয়ের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া ভালো। ভ্রমণ পরামর্শবর্ষাকালে পাথারিয়া পাহাড়ের ঝর্ণাগুলো সজীব ও প্রাণবন্ত থাকে, তাই এই সময় পাথারিয়া পাহাড়ে যাওয়ার জন্য ভাল হলেও সাবধানতা মেনে চলুন। পাথারিয়ার চূড়া থেকে ভারতের করিমগঞ্জ জেলা দেখতে পাওয়া যায়।
কোথায় খাবেনমাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের কাছে ও বড়লেখা উপজেলায় বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। ঢাকা থেকে হানিফ, এনা, শ্যামলী অথবা সিলেট এক্সপ্রেস বাসে কাঁঠালতলী বাজার নামতে হবে। সেসময় পাথরি নামক নাগা জনগোষ্ঠীর একটা উপশাখার অধিবাসীরা এখানে বসবাস করতো।
উঁচু-নিচু টিলা এবং সবুজ বৃক্ষ রাজিতে ঘেরা পাথারিয়া পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা ঝর্ণার সমাহার পাথারিয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্যে এক ভিন্ন কেবলা যোগ করেছে। প্রায় ১০০০ বছর আগে এই এলাকাটি গভীর অরণ্যে পূর্ণ ছিল। কাঁঠালতলী থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে পাথারিয়া পাহাড়ে যেতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে পাথারিয়া পাহাড় রয়েছে। তাছাড়া সুযোগ করে শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠ টি কেবিনের পরিচিত সেভেন লেয়ার চায়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। কোথায় থাকবেনপাথারিয়া পাহাড়ের কাছে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে।
তাছাড়া এই এলাকাে প্রচুর পরিমানে কমলালেবু, আগর, নাগকেশর, পালান, বাঁশ, বেত, কালাকস্তরী, মুশকদানা ও বনঢ্যাঁড়শের চাষ হয়। মূলত পাথারিয়া পাহাড়ের চারদিকের সবুজ প্রকৃতি ও শান্ত শীতল ঝর্ণার রূপে মুগ্ধ হতে দূরান্ত থেকে বহুেই এখানে ঘুরতে আসে। তাছাড়া মৌলভীবাজার থেকে বড়লেখা উপজেলায় পৌঁছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা চান্দের গাড়ি নিয়ে ডিমাই হয়েও পাথারিয়া পাহাড় পৌঁছানো যায়।
যদিও যাতায়াতের সুবিধার্থে মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাতে থাকার ব্যবস্থা সর্বাধিক ভালো। শ্রীমঙ্গলের উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে হোটেল মেরিনা, টি হাউজ রেস্ট হাউজ, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, আমাজন ফরেস্ট রিসোর্ট, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট ও শান্তি বাড়ি অন্যতম। বড়লেখা থেকে ভারতের পূর্ব সীমান্তবর্তী খাসিয়া-জয়ন্তীয়া উচ্চভূমির আসাম অংশের ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পাথারিয়া পাহাড়ি এলাকাের বিস্তৃতি।
জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিয়ে গেলে সহজে পুরো পাথারিয়া এলাকা চমৎকার করে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। পাথারিয়া পাহাড় থেকেই মনমুগ্ধকর জলপ্রপাত মাধবকুণ্ডের সৃষ্টি। এই জনগোষ্ঠীর সাথে মিল রেখে এই অরণ্য এলাকাের নামকরণ করা হয় পাথরিয়া।
আবার রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে পাহারিকা, উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত বা কালনি এক্সপ্রেসে কুলাউড়া ষ্টেশনে নেমে কাঁঠালতলী হয়ে পাথারিয়া এলাকাে যেতে পারবেন। মৌলভীবাজার জেলার দর্শনীয় জায়গামৌলভীবাজারের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, বাইক্কা বিল, চা জাদুঘর, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, মনিপুরী পল্লী, মাধবকুন্ড ও হামহাম জলপ্রপাত উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে পাথারিয়া পাহাড় রয়েছে।
কাঁঠালতলী থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে পাথারিয়া পাহাড়ে যেতে পারবেন।
আবার রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে পাহারিকা, উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত বা কালনি এক্সপ্রেসে কুলাউড়া ষ্টেশনে নেমে কাঁঠালতলী হয়ে পাথারিয়া এলাকাে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে হানিফ, এনা, শ্যামলী অথবা সিলেট এক্সপ্রেস বাসে কাঁঠালতলী বাজার নামতে হবে।
তাছাড়া মৌলভীবাজার থেকে বড়লেখা উপজেলায় পৌঁছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা চান্দের গাড়ি নিয়ে ডিমাই হয়েও পাথারিয়া পাহাড় পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
পাথারিয়া পাহাড়ের কাছে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও যাতায়াতের সুবিধার্থে মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাতে থাকার ব্যবস্থা সর্বাধিক ভালো। শ্রীমঙ্গলের উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে হোটেল মেরিনা, টি হাউজ রেস্ট হাউজ, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, আমাজন ফরেস্ট রিসোর্ট, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট ও শান্তি বাড়ি অন্যতম।
কোথায় খাবেন?
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের কাছে ও বড়লেখা উপজেলায় বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। তাছাড়া সুযোগ করে শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠ টি কেবিনের পরিচিত সেভেন লেয়ার চায়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
ট্রাভেল টিপস
বর্ষাকালে পাথারিয়া পাহাড়ের ঝর্ণাগুলো সজীব ও প্রাণবন্ত থাকে, তাই এই সময় পাথারিয়া পাহাড়ে যাওয়ার জন্য ভাল হলেও সাবধানতা মেনে চলুন। পাথারিয়া পাহাড়ে যাওয়ার পথ বেশ দুর্গম তাই চলার সময় সাবধান থাকুন। জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিয়ে গেলে সহজে পুরো পাথারিয়া এলাকা চমৎকার করে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে চাইলে ট্র্যাকিংয়ের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া ভালো।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পাথারিয়া পাহাড় কীভাবে যাবেন?
মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে পাথারিয়া পাহাড় রয়েছে। কাঁঠালতলী থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে পাথারিয়া পাহাড়ে যেতে পারবেন। আবার রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে পাহারিকা, উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত বা কালনি এক্সপ্রেসে কুলাউড়া ষ্টেশনে নেমে কাঁঠালতলী হয়ে পাথারিয়া এলাকাে যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে হানিফ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
পাথারিয়া পাহাড়ের কাছে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও যাতায়াতের সুবিধার্থে মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাতে থাকার ব্যবস্থা সর্বাধিক ভালো। শ্রীমঙ্গলের উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে হোটেল মেরিনা, টি হাউজ রেস্ট হাউজ, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ই
পাথারিয়া পাহাড় সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় রয়েছে পাথারিয়া পাহাড় জায়গাীয়দের কাছে আদম আইল হিসেবে পরিচিত। পাথারিয়া পাহাড়ে যাওয়ার পথ বেশ দুর্গম তাই চলার সময় সাবধান থাকুন। পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে চাইলে ট্র্যাকিংয়ের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া ভালো।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
