মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় রয়েছে পরিকুন্ড জলপ্রপাত (Parikunda Waterfall) বহুের কাছেই অপরিচিত একটা নাম। এসময় ঝর্ণার পূর্ণ সৌন্দর্য দেখতে পাওয়ার সুযোগ আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

পরিকুন্ড জলপ্রপাত সম্পর্কে
যদিও অপ্রচলিত এই জলপ্রপাতের বুনো সৌন্দর্যের কোন কমতি নেই। কখন যাবেন: বর্ষাকাল পরিকুন্ড ঝর্ণা দেখতে যাওয়ার আদর্শ সময়। এইক্ষেত্রে আপনি রিজার্ভ সিএনজি (৪০০-৬০০) নিয়ে মাধবকুন্ড যেতে পারবেন অথবা কুলাউড়া থেকে লোকাল সিএনজি দিয়ে কাঠালতলী বাজার গিয়ে সেখান থেকে আবার রিজার্ভ সিএনজি (১৫০-১৮০) টাকা বা লোকাল সিএনজি (জনপ্রতি ২০-২৫) টাকা ভাড়া দিয়ে মাধবকুন্ড যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেনমাধবকুন্ডে থাকার জন্য জেলা পরিষদের ২টি বাংলো ও ২টি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাই প্রয়োজনে নিজেদের খাবার বাইরে থেকে কিনে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন কিংবা সিলেট ফিরে জিন্দাবাজার অঞ্চলয় পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের প্রায় ৩০ রকম ভর্তা চেখে দেখতে পারেন।
পরিকুন্ড জলপ্রপাত কীভাবে যাবেন
মাধবকুন্ড ইকোপার্কের ভেতর দিয়ে পরিকুন্ড জলপ্রপাত দেখতে যেতে হয়। আপনি আপনার পছন্দমত হোটেল বা কটেজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। এই সিড়িপথ ধরে নিচে নামলে মাধবকুন্ড ঝর্ণার পানির ছড়ার দেখার সুযোগ পাবেন।
মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গল শহরেও বহু মানের খাবার হোটেল আছে। আর শীতল জলের ধারায় গা ভিজিয়ে নেয়ারও এখানে কোন বাধা নেই। অগ্রিম বুকিং দিয়ে থাকতে পারবেন সেখানে।
শিব মন্দিরের বিপরীত দিকে একটা সিড়িপথ রয়েছে। আর সেসব জায়গায় থাকার বহু ব্যবস্থা আছে। মাধবকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করে মাধবকুন্ড ঝর্ণায় যাওয়ার মূল রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে হাতের হাতের বা পাশে একটা শিব মন্দির দেখতে পাওয়ার সুযোগ আছে।
গভীর বন ও প্রচারণা না থাকায় ১৫০ ফুট উচু খাড়া পাহাড় হতে নেমে আসা পানির ধারা দেখতে খুব বেশি দর্শনার্থীের চলাচল নেই। ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে চাইলে নানা আন্তঃনগর ট্রেন মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট যায়। যদিও সর্বাধিক ভালো হয় সিলেট, মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাত্রি যাপন করলে এতে পরদিন যেকোন জায়গায় আপনার যাত্রা সহজ হবে।
ঢাকা থেকে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক: ঢাকা থেকে বিয়ানীবাজারগামী শ্যামলী পরিবহন অথবা এনা পরিবহনের বাসে করে সরাসরি কাঠালতলী বাজার নেমে সেখান থেকে রিজার্ভ সিএনজি (১৫০-১৮০) টাকা বা লোকাল সিএনজি (জনপ্রতি ২০-২৫) টাকা ভাড়া দিয়ে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক পৌঁছাতে পারবেন। পারাবত, উপবন ও জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে মৌলভীবাজার এর কুলাউড়া স্টেশনে নেমে রওনা দিতে হবে আপনার (শ্রেণিভেদে ভাড়া ২৮০ – ৬৩৯ টাকা, সময় লাগবে ৫ ঘন্টা)। কুলাউড়া স্টেশন থেকে কাঠালতলী বাজার হয়ে মধবকুন্ড রওনা দিতে হবে।
অনন্য চমৎকার বিস্ময়কর এই জলপ্রপাত মাধবকুন্ড ঝর্ণা থেকে কেবল ১০/১৫ মিনিটের পায়ে হাটা দূরত্বে রয়েছে। কোথায় খাবেনমাধবকুণ্ডে মাঝারি মানের রেস্তোরাঁ আছে যদিও সেখানে খাবারের দাম একটু বেশী। প্রকৃতির নৈসর্গিক নিরবতায় জলপ্রপাতের দৃশ্য উপভোগ করার জন্য পরিকুন্ড জলপ্রপাত অনন্য এক জায়গা।
চারপাশে ঘন সবুজ বৃক্ষঘেরা ঝর্ণার জলের ধারা ছোট বড় পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলার সময় যে শব্দের সৃষ্টি হয় তা মনকে তৃপ্ত করে দারুণ অপার্থিবতায়। ছড়ার পাথর বিছানো পথ ধরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাটলে দেখা মিলবে স্বপ্নময় পরিকুন্ড জলপ্রপাতের। আপনার পছন্দমত কোন হোটেল থেকে খেয়ে নিতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন?
মাধবকুন্ড ইকোপার্কের ভেতর দিয়ে পরিকুন্ড জলপ্রপাত দেখতে যেতে হয়।
ছড়ার পাথর বিছানো পথ ধরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাটলে দেখা মিলবে স্বপ্নময় পরিকুন্ড জলপ্রপাতের।
মাধবকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করে মাধবকুন্ড ঝর্ণায় যাওয়ার মূল রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে হাতের হাতের বা পাশে একটা শিব মন্দির দেখতে পাওয়ার সুযোগ আছে।
এই সিড়িপথ ধরে নিচে নামলে মাধবকুন্ড ঝর্ণার পানির ছড়ার দেখার সুযোগ পাবেন।
ঢাকা থেকে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক: ঢাকা থেকে বিয়ানীবাজারগামী শ্যামলী পরিবহন অথবা এনা পরিবহনের বাসে করে সরাসরি কাঠালতলী বাজার নেমে সেখান থেকে রিজার্ভ সিএনজি (১৫০-১৮০) টাকা বা লোকাল সিএনজি (জনপ্রতি ২০-২৫) টাকা ভাড়া দিয়ে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক পৌঁছাতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে চাইলে নানা আন্তঃনগর ট্রেন মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট যায়।
কোথায় থাকবেন?
মাধবকুন্ডে থাকার জন্য জেলা পরিষদের ২টি বাংলো ও ২টি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যদিও সর্বাধিক ভালো হয় সিলেট, মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাত্রি যাপন করলে এতে পরদিন যেকোন জায়গায় আপনার যাত্রা সহজ হবে। আর সেসব জায়গায় থাকার বহু ব্যবস্থা আছে। অগ্রিম বুকিং দিয়ে থাকতে পারবেন সেখানে। আপনি আপনার পছন্দমত হোটেল বা কটেজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
মাধবকুণ্ডে মাঝারি মানের রেস্তোরাঁ আছে যদিও সেখানে খাবারের দাম একটু বেশী। মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গল শহরেও বহু মানের খাবার হোটেল আছে। তাই প্রয়োজনে নিজেদের খাবার বাইরে থেকে কিনে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন কিংবা সিলেট ফিরে জিন্দাবাজার অঞ্চলয় পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের প্রায় ৩০ রকম ভর্তা চেখে দেখতে পারেন। আপনার পছন্দমত কোন হোটেল থেকে খেয়ে নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পরিকুন্ড জলপ্রপাত কীভাবে যাবেন?
মাধবকুন্ড ইকোপার্কের ভেতর দিয়ে পরিকুন্ড জলপ্রপাত দেখতে যেতে হয়। ছড়ার পাথর বিছানো পথ ধরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাটলে দেখা মিলবে স্বপ্নময় পরিকুন্ড জলপ্রপাতের। মাধবকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করে মাধবকুন্ড ঝর্ণায় যাওয়ার মূল রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে হাতের হাতের বা পাশে একটা শিব মন্দির দেখতে পাওয়ার সুযো
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মাধবকুন্ডে থাকার জন্য জেলা পরিষদের ২টি বাংলো ও ২টি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যদিও সর্বাধিক ভালো হয় সিলেট, মৌলভীবাজার বা শ্রীমঙ্গলে রাত্রি যাপন করলে এতে পরদিন যেকোন জায়গায় আপনার যাত্রা সহজ হবে। আর সেসব জায়গায় থাকার বহু ব্যবস্থা আছে। অগ্রিম বুকিং দিয়ে থাকতে পারবেন সেখানে। আপনি আপনার পছন্দমত হোটেল বা
পরিকুন্ড জলপ্রপাত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় রয়েছে পরিকুন্ড জলপ্রপাত (Parikunda Waterfall) বহুের কাছেই অপরিচিত একটা নাম। এসময় ঝর্ণার পূর্ণ সৌন্দর্য দেখতে পাওয়ার সুযোগ আছে। যদিও অপ্রচলিত এই জলপ্রপাতের বুনো সৌন্দর্যের কোন কমতি নেই।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
