bangladesh · Editorial

কেওক্রাডং

কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড থেকে জেনে নিন কেওক্রাডং কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কি খাবেন, কেওক্রাডং ভ্রমণ খরচ, ইতিহাস এবং আশেপাশের সকল দর্শনীয় জায়গাের খোজখবর সহ...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

কেওক্রাডং (Keokradong) পাহাড় বান্দরবানের রুমা উপজেলায় রয়েছে। রুমা বাজার থেকে অবশ্যই আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে, বাগলেক আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কেওক্রাডং

কেওক্রাডং সম্পর্কে

প্রায়ই দর্শনার্থীগন প্রথমদিন বগালেকে এক রাত থেকে তার পরদিন সকালে কেওক্রাডং ভ্রমণে যায়। চট্টগ্রাম থেকে বাসে বা প্রাইভেট কারে বান্দরবান যেতে পারবেন। অন্যান্য জেলা থেকে বান্দরবানদেশের অন্য যে জেলা থেকেই আসেন, সরাসরি বান্দরবান যাবার উপায় না থাকলে চট্টগ্রাম চলে আসুন।

খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা্র জন্যে সেখানে একটা আদিবাসী হোটেল আছে। গাড়িতে রুমা যেতে সময় লাগবে ২ ঘন্টার মত। প্রায়ই ১৫০-৩০০ টাকার খাবার প্যাকেজ পাওয়া যায়।

শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক বান্দরবান যাবার উপায়। নয়তো সেইদিন কেওক্রাডং থেকে নেমে বগালেকে এসে রাতে থেকে তারপর দিন রুমা হয়ে বান্দরবান পৌঁছতে হবে। সেই রাত বগালেকে থেকে পরদিন সকালে রওনা হয়ে যাবে কেওক্রাডং যাবার।

কেওক্রাডং ঘুরতে গেলে অবশ্যই এক রাত সেখানে থাকার পরিকল্পনা করা উচিত। বান্দরবানের রুমা বাস স্ট্যান্ড থেকে সকাল ৭ঃ৩০ হতে ১ ঘন্টা পর পর বাস রুমার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিংবা গিয়েও ঠিক করার সুযোগ পাবেন।

রাস্তার সমস্যা না থাকলে ঘন্টাখানেক সময়েই পৌছে যাবেন কেওক্রাডং। খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা কেওক্রাডং এর মতই। ঢাকা থেকে বান্দরবানঢাকার নানা জায়গা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

আগে থেকে কোন পছন্দ থাকলে যাবার সময় গাইডকে বললে সেই ঠিক করে রাখবে কটেজ। তাই বান্দরবান শহর থেকেই চান্দের গাড়ি বা জীপ গাড়ি নিয়ে সরাসরি কেওক্রাডং যাওয়া যায়। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে প্রাইভেট কার ভাড়া করেও যেতে পারবেন বান্দরবান।

বগালেক দেখা ও সেখানে থাকা আপনার কেওক্রাডং ভ্রমণ আরও সুখময় করে তুলবে। কেওক্রাডং গাইড ভাড়াকেওক্রাডং দিনে দিনে যাওয়া ও আসা৮০০ টাকাকেওক্রাডং যাওয়া, আসা ও এক রাত থাকা১৬০০ টাকাকেওক্রাডং যাওয়া, আসা ও ২ রাত থাকা২৪০০ টাকাকেওক্রাডং থাকা ও খাওয়া ব্যবস্থাকেওক্রাডং যদি রাত কাটাতে চান তাহলে কেওক্রাডং এর চূড়াতেই একটা হোটেল আছে। প্রায় ৩১৭২ ফুট উঁচু এ পর্বতকে এক সময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মনে করা হত কিন্তু আধুনিক পদ্ধতিতে পরিমাপে এখন সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসাবে এর অবজায়গা পঞ্চম।

এছাড়া মুনলাই পাড়া ও দার্জিলিং পাড়া খুবই পরিচ্ছন্ন গ্রাম হিসেবে পরিচিত। NID কার্ড অথবা জন্মনিবন্ধনের কপি জমা দিতে হবে। বগালেক পৌঁছে সেখানের আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে।

এছাড়া বান্দরবান থেকে রুমা বাজার গিয়ে সেখান থেকে গাড়ি ও গাইড নিয়ে যেতে পারবেন কেওক্রাডং। কেওক্রাডং ভ্রমণ টিপসট্রেকিং করতে চাইলে ভালো গ্রিপের জুতা ব্যবহার করতে হবে। বান্দরবান থেকে রুমা বাজার এর দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার।

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানচট্টগ্রামের নতুন ব্রীজ বাস স্টেশন থেকে পূবালী ও পূর্বানী বাস বান্দারবান যায়। মোটামুটি বেশ কিছু খাড়া পাহাড় পার হতে হবে। মোটরবাইকে রুমা থেকে কেওক্রাডং যাওয়া ও আসার ভাড়া ২০০০ টাকা, এক বাইকে ২জন যাওয়া যাবে।

অথবা বান্দরবান থেকে প্রথমে রুমা বাজার, তারপর রুমা বাজার থেকে বগালেক হয়ে কেওক্রাডং ভেঙ্গে ভেঙ্গেও যেতে পারবেন। গাইডের থাকা খাওয়ার খরচ আপনাকেই বহন করতে হবে। কেওক্রাডং ক্যাম্পেও তাই।

যাত্রাপথে কিছু সময় এই দুই আদিবাসি পাড়তে কাটাতে পারেন। সেগুলোতে জনপ্রতি ২০০-৩০০ টাকায় থাকতে পারবেন। বগালেকে গোসল করার সময় সতর্ক থাকুন, গভীরতা বহু।

চাইলে আগেই কোন গাইডের সাথে কথা বলে রাখতে পারেন। বান্দরবান থেকে সরাসরি গাড়ি রিজার্ভ নিয়ে গেলে খরচ বেশি হয় বলে বহুেই বান্দরবান থেকে প্রথমে রুমা বাজার চলে যায়, তারপর সেখান থেকে আবার গাড়ি নিয়ে কেওক্রাডং যাত্রা করে থাকেন। এছাড়া কাপল কিংবা মহিলাদের জন্য চাইলে আলাদা কটেজের ব্যবস্থা করা যায়।

রুমা বাস স্ট্যান্ডের আগেই রুমা টুরিস্ট এসিস্ট্যান্স সেন্টারে আপনার ও আপনার সঙ্গী সকলেরই নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার এন আইডি নাম্বার সহ সকল তথ্য পূরণ করতে হবে। এর পর রুমা বাজার পৌঁছে কেওক্রাডং যাবার জন্যে প্রথমেই আপনাকে গাইড ঠিক করে নিতে হবে। বান্দরবান শহরের জীপ স্টেশন থেকে ৪০০০-৪৫০০ টাকা ভাড়ায় গাড়ি নিতে হবে।

কেওক্রাডং নামটি এসেছে জায়গাীয় আদিবাসী মারমাদের থেকে। এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন। জনপ্রতি ভাড়া ১৪০ টাকা, সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টার মত।

পৌঁছেই খাবার খেতে চাইলে যাবার সময়ই গাইডের সাহায্যে বলে রাখতে পারবেন। বাংলাদেশের পঞ্চম উঁচু পাহাড় থেকে সুর্যাস্ত ও সূর্যোদয় দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। আরও পড়ুনঃ বান্দরবান যাওয়ার উপায়, ভাড়া ও অন্যান্য তথ্যবান্দরবান থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার উপায়এখন বান্দরবান থেকে গাড়ি নিয়ে রুমা বাজার ও বগালেক হয়ে সরাসরি কেওক্রাডং পর্যন্ত যাবার রাস্তা সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে।

এক রুমে ৪-৮জন থাকা যায়। সাথে কয়েক প্যাকেট স্যালাইন বা গ্লুকোজ নিয়ে নিন। তারপর চট্টগ্রাম থেকে নিচের মতো করে বান্দরবান পৌছাতে পারবেন।

আগের দিনের মত সেই ট্রেকিং এক্সপেরিয়েন্স ও নিতে পারেন। সেখানে আছে কিছু আদিবাসী কটেজ। অনুমতির জন্যে ভ্রমণকারী সকল সদস্যের পরিচয় লিখিত কাগজে জমা দিতে হবে।

বগালেক ও কেওক্রাডং যাবার পথে কিছু আদিবাসী দোকান আছে, কিন্তু সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস নাও পেতে পারেন। তখন বগালেক থেকে ট্রেকিং করেই কেওক্রাডং যেতে হতো। এ দুটি বাসে জনপ্রতি ১৫০-১৮০ টাকা ভাড়া লাগে।

অথবা প্রথম দিন কেওক্রাডং গিয়ে ফেরার পথে বগালেক এক রাত থেকে পরিকল্পনা করে থাকেন। আদীবাসী মানুষের জীবন যাত্রা সমতলের মানুষের মত নয়, তাদের অসম্মান হয় এমন কিছু করবেন না। খাবার কি খাবেন তা আগেই অর্ডার করে রাখতে হবে।

পাহাড়ের সৌন্দর্য বিকেলে আর সকালে। সেটা যাত্রার প্রথম দিন কাটালে ভালো হবে। রওনা হবার আগে রুমা বাজার আর্মি ক্যাম্প থেকে কেওক্রাডং যাবার অনুমতি নিতে হবে।

বান্দরবান থেকে সরাসরি কেওক্রাডং যাবার ভাড়া ১৩,০০০-১৪,০০০ টাকা পর্যন্ত। চাইলে সেইদিন কেওক্রাডং থেকে পরদিন বগালেক হয়ে রুমা বাজার তারপর বান্দরবান পৌঁছতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৭-৯ ঘন্টা।

আর যদি ২রাত থাকার পরিকল্পনা করেন, তাহলে চাইলে এক রাত বগালেক পাড়াতেও কাটাতে পারেন। বগালেকে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাআদিবাসীদের ছোট ছোট কিছু কটেজ আছে। আপনাকে সেই সব কটেজের কোন একটায় থাকতে হবে।

আপনাদের সদস্য সংখ্যা কম থাকলে অন্য কোন গ্রুপ পেলে তাদের সাথে কথা বলে একসাথে একটা গাড়ি ঠিক করে নিতে পারেন। তারপর বান্দরবান থেকে সরাসরি গাড়ি রিজার্ভ করে রুমাবাজার ও বগালেক হয়ে কেওক্রাডং যেতে পারবেন। এইসব কাজে গাইডের সাহায্য নিতে পারেন।

কেওক্রাডং ট্যুর প্ল্যানকেওক্রাডং ঘুরতে যাবার পথেই আছে রুমা বাজার, মুনলাই পাড়া, বগালেক ও দার্জিলিং পাড়া। যদিও ছুটির দিন গেলে আগেই ঠিক করে যাওয়া ভালো হবে। লোকাল বাস কিংবা চাঁন্দের গাড়ি/জীপে করে রুমা বাজার পৌঁছানো যায়।

অনুমতি নেবার পর রুমাবাজার থেকে ল্যান্ডক্রুজার জীপ বা চান্দের গাড়ী ভাড়া করতে হবে। বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। গাইডের মাধ্যমে আগে থেকেই কথা বলে রাখতে পারেন অথবা গিয়ে সেখানে কথা বলে থাকতে পারবেন।

সব মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, টেলিটক ও রবির নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। দূর থেকে কেওক্রাডাং এর চূড়া শূন্যে মিলিয়ে আছে বলে মনে হয়। রুম ভাড়া ১৫০০-২৫০০ টাকা।

আর চূড়ায় উঠলে পাহাড় মেঘের মিতালী আপনাকে আন্দোলিত করবে মায়াবী আকর্ষনে। বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং এর পুরো রাস্তাই পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সতর্ক থাকুন। রুমা বাজার থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার ভাড়া ৫০০০ টাকা, যদি যাওয়া ও আসার জন্যে একসাথে করেন তাহলে ভাড়া লাগবে ৭০০০ টাকা।

গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক। এক রুমের কটেজে ৪-১০ জন থাকা যাবে। গাইড সমিতির অফিস থেকে যে কোন রেজিস্টার্ড গাইড ঠিক করে নিতে হবে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। সেইক্ষেত্রে বগালেক থেকে ৩-৪ ঘন্টা পায়ে হেঁটে(ট্রেকিং) কেওক্রাডং এর চূড়ায় পৌঁছতে হবে। এক গাড়িতে ১০-১৫ জন যেতে পারবেন।

এই কাজ গুলো করার জন্যে গাইড আপনাকে সাহায্য করবে। এক সময় কেওক্রাডং যাবার গাড়ির রাস্তা ছিলো না। শ্রেনীভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকা।

কেওক্রাডং যাবার উপায়দেশের যে প্রান্তেই থাকেন আপনাকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে কেওক্রাডং যাবার জন্যে। গাইডকে আপনাদের কি প্রয়োজন তা বুঝিয়ে বললে প্রায়ই সেই সব কিছুর ব্যবস্থা করবে। ভাত, ডিম, আলুভর্তা, পাহাড়ি মুরগি দিয়েই হয় খাবারের আয়োজন।

সময় লাগবে প্রায় ২ ঘন্টা। মারমা ভাষায় কেওক্রাডং মানে সর্বাধিক উঁচু পাথরের পাহাড়। যদিও সবচেয়ে ভালো হয় এক রাত কেওক্রাডং পাহাড় চুড়ায় থাকা।

বগালেকে ও কেওক্রাডং এ বিদ্যুৎ নেই, সোলার পাওয়ার সিস্টেম থাকলেও মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্যে সাথে করে পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারেন। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা। দ্বিতীয় রাত কাটাবেন কেওক্রাডং চূড়ায়।

প্রতি রাত থাকার জন্যে অতিরিক্ত ১০০০টাকা দিতে হবে। আপনার ব্যাগপ্যাক এর ওজন যত কম রাখতে পারবেন ট্রেকিং ততই সহজ হবে। এই দুইটি মুহুর্ত পেতে হলে আপনাকে থাকতেই হবে রাতে।

রুমাবাজার থেকে নিজেদের দরকারি জিনিস কিনে নিবেন। একেবারে প্রকৃতির আবহে আদিবাসীদের এই কটেজ গুলোতে থাকতে জনপ্রতি খরচ হবে ২০০-৩০০ টাকা করে। দলগত ভাবে গেলে রুমা বাজার পৌঁছাতে পারবেন জীপ/চান্দের গাড়িতে করে।

শীতকালে গেলে রাতে বহু ঠান্ডা থাকবে, পর্যাপ্ত কাপড় সাথে রাখুন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

ট্রেকিং করতে চাইলে ভালো গ্রিপের জুতা ব্যবহার করতে হবে। বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং এর পুরো রাস্তাই পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সতর্ক থাকুন। রুমা বাজার থেকে অবশ্যই আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে, বাগলেক আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। কেওক্রাডং ক্যাম্পেও তাই। আদীবাসী মানুষের জীবন যাত্রা সমতলের মানুষের মত নয়, তাদের অসম্মান হয় এমন কিছু করবেন না। সাথে কয়েক প্যাকেট স্যালাইন বা গ্লুকোজ নিয়ে নিন। বগালেকে ও কেওক্রাডং এ বিদ্যুৎ নেই, সোলার পাওয়ার সিস্টেম থাকলেও মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্যে সাথে করে পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারেন। আপনার ব্যাগপ্যাক এর ওজন যত কম রাখতে পারবেন ট্রেকিং ততই সহজ হবে। বগালেকে গোসল ক

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কেওক্রাডং ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?

ট্রেকিং করতে চাইলে ভালো গ্রিপের জুতা ব্যবহার করতে হবে। বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং এর পুরো রাস্তাই পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সতর্ক থাকুন। রুমা বাজার থেকে অবশ্যই আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে, বাগলেক আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। কেওক্রাডং ক্যাম্পেও তাই। আদীবাসী মানুষের জীবন যাত্রা সমতলের

কেওক্রাডং সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

কেওক্রাডং (Keokradong) পাহাড় বান্দরবানের রুমা উপজেলায় রয়েছে। রুমা বাজার থেকে অবশ্যই আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে, বাগলেক আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। প্রায়ই দর্শনার্থীগন প্রথমদিন বগালেকে এক রাত থেকে তার পরদিন সকালে কেওক্রাডং ভ্রমণে যায়।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.