bangladesh · Editorial

গাইবান্ধা পৌর পার্ক

গাইবান্ধা পৌর পার্ক, গাইবান্ধা পৌরসভার নিয়ন্ত্রনাধীন সামাজিক বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অতি সুপরিচিত একটা উন্মুক্ত জায়গা। গাইবান্ধা জেলা শহরে বসবাসকারীদের

Photograph · Collected for Tripzao Journal

গাইবান্ধা পৌর পার্ক, গাইবান্ধা পৌরসভার নিয়ন্ত্রনাধীন সামাজিক বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অতি সুপরিচিত একটা উন্মুক্ত জায়গা। আর পুকুরের মাঝখানে পানির ফোয়ারা এবং এক পাশে সান বাধানো ঘাট আছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

গাইবান্ধা পৌর পার্ক

গাইবান্ধা পৌর পার্ক সম্পর্কে

কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো অপশন। শান্ত চমৎকার এই পুকুরের পাড়ে বসে নিশ্চিন্তে একটা বিকেল কাটিয়ে দেয়া যায় তাই বেলা বাড়ার সাথে সাথে এখানে ভ্রমণকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।

গাইবান্ধা জেলা শহরে বসবাসকারীদের চিত্তবিনোদনের কথা বিবেচনা করে ১৯২৭ সালে জমিদার গোবিন্দ লাল রায়ের দান করা ১ একর ৭ শতক জমিতে গাইবান্ধা পৌর পার্ক (Gaibandha Pouro Park) যাত্রা শুরু করে। পুকুর ঘাট, রঙিন মাছ, সারি সারি বেঞ্চ, ক্যান্টিন, গ্যালারি এবং নানা প্রানীর প্রতিকৃতির সাথে খোলা আকাশ এবং বিশুদ্ধ প্রকৃতির আবহ সকল বয়সী মানুষকে গাইবান্ধা পৌরপার্কে টেনে আনে। গাইবান্ধা জেলা বাসস্ট্যান্ড হতে রিক্সা, অটোরিক্সা দিয়ে সহজেই গাইবান্ধা পৌরপার্ক যাওয়া যায়।

রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস এবং লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনে গাইবান্ধা যাওয়া যায়। জনপ্রতি বাস ভাড়া বাসের ধরণ অনুযায়ী ৭০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ১৮৮৬ টাকা।

কোথায় থাকবেন

গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। একটা পুকুরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা পার্কে নানা রকমের ফুল, ফল ও বনজ গাছ রয়েছে।

কীভাবে যাবেন

গাইবান্ধা জেলায় যাওয়ার জন্য রাজধানী ঢাকার নানা জায়গা হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস চলাচল করে। আরও পড়ুনআরশিনগর ফিউচার পার্কমানা বে ওয়াটার পার্কএডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড পার্কহিলভিউ পার্ক এন্ড ক্যাফে

কীভাবে যাবেন?

গাইবান্ধা জেলায় যাওয়ার জন্য রাজধানী ঢাকার নানা জায়গা হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস চলাচল করে।

এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।

জনপ্রতি বাস ভাড়া বাসের ধরণ অনুযায়ী ৭০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ১৮৮৬ টাকা।

এছাড়া ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস এবং লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনে গাইবান্ধা যাওয়া যায়।

গাইবান্ধা জেলা বাসস্ট্যান্ড হতে রিক্সা, অটোরিক্সা দিয়ে সহজেই গাইবান্ধা পৌরপার্ক যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?

গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো অপশন। আরও পড়ুনআরশিনগর ফিউচার পার্কমানা বে ওয়াটার পার্কএডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড পার্কহিলভিউ পার্ক এন্ড ক্যাফে

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

গাইবান্ধা পৌর পার্ক কীভাবে যাবেন?

গাইবান্ধা জেলায় যাওয়ার জন্য রাজধানী ঢাকার নানা জায়গা হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস চলাচল করে। এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য। জনপ্রতি বাস ভাড়া বাসের ধরণ অনুযায়ী ৭০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ১৮৮৬ টাকা

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো অপশন। আরও পড়ুনআরশিনগর ফিউচার পার্কমানা বে ওয়াটার পার্কএডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড পার্কহিলভিউ পার্ক এন্ড ক্যাফে

গাইবান্ধা পৌর পার্ক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

গাইবান্ধা পৌর পার্ক, গাইবান্ধা পৌরসভার নিয়ন্ত্রনাধীন সামাজিক বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অতি সুপরিচিত একটা উন্মুক্ত জায়গা। আর পুকুরের মাঝখানে পানির ফোয়ারা এবং এক পাশে সান বাধানো ঘাট আছে। কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো অপশন।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide rangpur
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.