বালাসী ঘাট (Balashi Ghat) গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলায় যমুনা নদীর তীরে রয়েছে একটা নৌবন্দর এবং দর্শনীয় জায়গা। আর বালাসী ঘাট থেকে রেলওয়ে ফেরি যেতে ট্রলারে চড়তে হবে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

বালাসী ঘাট সম্পর্কে
গাইবান্ধা শহর থেকে বালাসী ঘাটের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস এবং লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনে করে গাইবান্ধা যাওয়া যায়। বাসের ধরণ ও সেবার মান অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা।
এদের মধ্যে কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো। পুরো একটা ট্রেন নদী পার হত বিশ্বের অন্যতম এই রেল ফেরিতে! রাজধানী ঢাকার সাথে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৩৮ সালে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাটে রেল ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়।
আর তখন থেকেই ঘাটটি বালাসী ঘাট নামে পরিচিত হয়ে উঠে। ঢাকা থেকে গাইবান্ধারাজধানী ঢাকার নানা জায়গা হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস গাইবান্ধার পথে চলাচল করে। অথবা গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে কেতকী বা উড়িয়ার ঘাট এসে সেখান থেকে পায়ে হেঁটে অল্প দূরত্বে রয়েছে রেলওয়ে ফেরি দেখতে যেতে পারবেন।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ১৮৮৬ টাকা। রেলওয়ে ফেরির ১৩ টি লাইনে ৩টি করে ছোট বগি বা ওয়াগন ধরে। নদীর উত্তাল ঢেউ, নির্মল বাতাস আর নৈসর্গিক প্রকৃতি আগত ভ্রমণকারীদের মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
কোথায় থাকবেন
গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য। বর্ষায় নদী পানিতে ভরে থাকলেও শীতকালে এখানে বালুর চর ভেসে উঠে।
আর সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হচ্ছে, এক সময় এই বালাসী ঘাট দিয়ে বাংলাদেশের এককেবল রেলওয়ে ফেরি চলাচল করতো। এখন বালাসী ঘাটের চমৎকার প্রকৃতির আবহের জন্য প্রায় প্রত্যেক দিনই ভ্রমণপিয়াসু মানুষের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠছে।
কীভাবে যাবেন
গাইবান্ধা সদর থেকে রিকশা, অটো রিকশা কিংবা অটোরিকশায় চড়ে পুরাতন বাজার হয়ে বালাসী ঘাট আসতে পারবেন। এছাড়া বালাসী ঘাটে ঘোড়ায় চড়া, নৌকা ভ্রমণ কিংবা রেলওয়ের ফেরি থেকে নদীর বুকে সূর্যাস্থের অসাধারণ দৃশ্যও উপভোগ করা যায়। ১৯৯০ সালের পর যমুনা নদীর নাব্যতা কম যাওয়ায় ফেরি সার্ভিসটি তিস্তামুখ ঘাট থেকে সরিয়ে ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়ার বালাসী নামক জায়গায় জায়গাান্তর করা হয়।
তৎকালীন ইংরেজরা গাইবান্ধা জেলাকে ফুলছড়ি ঘাটের নামে জানতো। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।
কীভাবে যাবেন?
গাইবান্ধা সদর থেকে রিকশা, অটো রিকশা কিংবা অটোরিকশায় চড়ে পুরাতন বাজার হয়ে বালাসী ঘাট আসতে পারবেন।
বাসের ধরণ ও সেবার মান অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা।
আর বালাসী ঘাট থেকে রেলওয়ে ফেরি যেতে ট্রলারে চড়তে হবে।
অথবা গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে কেতকী বা উড়িয়ার ঘাট এসে সেখান থেকে পায়ে হেঁটে অল্প দূরত্বে রয়েছে রেলওয়ে ফেরি দেখতে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে গাইবান্ধারাজধানী ঢাকার নানা জায়গা হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস গাইবান্ধার পথে চলাচল করে।
এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য।
কোথায় থাকবেন?
গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। এদের মধ্যে কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বালাসী ঘাট কীভাবে যাবেন?
গাইবান্ধা সদর থেকে রিকশা, অটো রিকশা কিংবা অটোরিকশায় চড়ে পুরাতন বাজার হয়ে বালাসী ঘাট আসতে পারবেন। বাসের ধরণ ও সেবার মান অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা। আর বালাসী ঘাট থেকে রেলওয়ে ফেরি যেতে ট্রলারে চড়তে হবে। অথবা গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে কেতকী বা উড়িয়ার ঘাট এসে সেখান থেকে পায়ে হেঁটে অল্প
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। এদের মধ্যে কলেজ রোডে রয়েছে এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।
বালাসী ঘাট সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বালাসী ঘাট (Balashi Ghat) গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলায় যমুনা নদীর তীরে রয়েছে একটা নৌবন্দর এবং দর্শনীয় জায়গা। আর বালাসী ঘাট থেকে রেলওয়ে ফেরি যেতে ট্রলারে চড়তে হবে। গাইবান্ধা শহর থেকে বালাসী ঘাটের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
