ডিবির হাওর (Dibir Haor) সিলেটের জৈন্তাপুরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত ঘেঁষা পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেট : কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন এবং কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন দিনের নানা সময়ে সিলেট অভিমুখে যাত্রা করে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

ডিবির হাওর সম্পর্কে
শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনে টিকেটের ভাড়া জনপ্রতি ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা পর্যন্ত। জৈন্তাপুর বাজার থেকে কিছুটা সামনে এগিয়ে গেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ডিবির হাওর ক্যাম্প চোখে পড়বে। সিলেটে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি।
সারা দিনের জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ করতে ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। এছাড়া শহরের লালবাজার অঞ্চলয় বেশ কিছু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ এগুলোতে ৪০০ থেকে ৩০০০ টাকায় সহজেই রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। সিলেট শহর থেকে ডিবির হাওরের দূরত্ব ৪২ কিলোমিটার।
চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট : চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামে দুইটি ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সিলেট শহরে প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী নানা ধরনের হোটেল পাওয়া যায়।
কোথায় খাবেন
শাপলা বিলের কাছাকাছি কোনো রেস্তোরাঁ নেই তাই প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। এই ক্যাম্পের পাশ দিয়ে ১ কিলোমিটার দূরত্বে শাপলা বিলের অবজায়গা। বাসে করে সিলেটের কদমতলী থেকে ডিবির হাওরে আসতে চাইলে জৈন্তাপুর বাজারে বাস থেকে না নেমে ২ কিলোমিটার সামনে ডিবির হাওর ক্যাম্পের সামনে নামলে গ্রামের রাস্তা ধরে কেবল ১ কিলোমিটার হাটলেই ডিবির বিলে পৌঁছে যাবেন।
এসব বাসের ভাড়া ৬৮০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। তখন সমস্ত বিল জুড়ে হাজার হাজার লাল শাপলা ছড়িয়ে থাকে। ভোরে হাজারো লাল শাপলা আলোকিত করে রাখে চারপাশ।
খুব ভোরে হাজার হাজার শাপলা বিলের জলে নিজেদের মেলে ধরে আপন সৌন্দর্য্যের ঝলকানিতে। প্রকৃতি যেন আপন ইচ্ছের মাধুরীতে লাল শাপলার হাসিতে বিলগুলোকে সাজিয়ে দেয় পরম মমতায়। সিলেট থেকে ডিবির হাওর : সিলেট থেকে বাস, সিএনজি অটোরিকশা কিংবা প্রাইভেট কার ভাড়া নিয়ে জৈন্তাপুরে আসতে হবে।
তখন সাদাবক, জলময়ুরী ও পানকৌড়ি ইত্যাদি নানা প্রজাতির অতিথি পাখির কলরবে মুখর হয়ে থাকে ডিবির হাওরের চারপাশ। যেকোনো ভ্রমণপিপাসুদের সারাজীবন মনে রাখার জন্য শাপলা বিলে একটা সকালই যথেষ্ট। এছাড়া হরফকাটা ও ডিবি বিলের মধ্যস্থলে রাজা রাম সিংহের সমাধিস্থল রয়েছে।
এই দুই ট্রেনের টিকিট কাটতে শ্রেণীভেদে জনপ্রতি ৪৫০ থেকে ১৫৪১ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। যেভাবে যাবেনঢাকা থেকে বাসে সিলেট : ঢাকার গাবতলী, ফকিরাপুল, সায়দাবাদ এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে সকাল থেকে রাত ১২ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পরপর গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা ইত্যাদি পরিবহণের নানা এসি/ নন-এসি বাস সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। কথিত আছে, জৈন্তা রাজ্যের কোন এক রাজাকে ডিবির হাওরে কোথাও পানিতে ডুবিয়ে মারা হয়েছিল।
শাপলা বিলে নৌকায় ঘুরতে চাইলে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়া লাগতে পারে। এছাড়া এখানে প্রায় দুইশত বছরের পুরাতন একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দির রয়েছে। ধারণা করা হয় তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এ মন্দির নির্মিত হয়েছে।
শীতকালে এই হাওর জুড়ে অথিতি পাখিদের রাজত্ব শুরু হয়। ডিবির হাওর তাই শাপলা বিল নামেও সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। আর শাপলার রুপ দেখতে হলে সূর্যের আলো ফোটার আগে পৌঁছাতে হবে।
বর্ষাকালের পর বিলগুলো শাপলার রাজ্যে পরিণত হয়। কখন যাবেনডিবির হাওরের লাল শাপলা ফুল প্রায়ই সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে দেখতে পাওয়া যায়। ইয়াম, ডিবি, হরফকাটা, কেন্দ্রী বিল নামে এখানে মোট চারটি বিল রয়েছে।
নভেম্বর মাস সবচেয়ে ভাল সময়। যেখানে থাকবেনতামাবিল জৈন্তাপুর রোডে বেশ কিছু রিসোর্ট গড়ে উঠেছে, চাইলে সেইসব রিসোর্টে থাকতে পারবেন অথবা থাকার জন্য সিলেটে ফিরে আসতে পারেন। ট্রেন ছাড়ার সময়, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন জানতে এবং অনলাইনে টিকেট বুকিং দিতে ভিজিট করতে পারেন http://www.eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে।
সিলেটের দর্শনীয় জায়গাসিলেট জেলা ভ্রমণ করতে গেলে ডিবির হাওড় এর আশেপাশে আরও যা দেখতে পারেন, লালাখাল, তামাবিল, জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, লোভাছড়া ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
ডিবির হাওরের লাল শাপলা ফুল প্রায়ই সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে দেখতে পাওয়া যায়।
নভেম্বর মাস সবচেয়ে ভাল সময়।
আর শাপলার রুপ দেখতে হলে সূর্যের আলো ফোটার আগে পৌঁছাতে হবে।
খুব ভোরে হাজার হাজার শাপলা বিলের জলে নিজেদের মেলে ধরে আপন সৌন্দর্য্যের ঝলকানিতে।
কোথায় থাকবেন?
তামাবিল জৈন্তাপুর রোডে বেশ কিছু রিসোর্ট গড়ে উঠেছে, চাইলে সেইসব রিসোর্টে থাকতে পারবেন অথবা থাকার জন্য সিলেটে ফিরে আসতে পারেন। সিলেট শহরে প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী নানা ধরনের হোটেল পাওয়া যায়। সিলেটে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি। এছাড়া শহরের লালবাজার অঞ্চলয় বেশ কিছু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ এগুলোতে ৪০০ থেকে ৩০০০ টাকায় সহজেই রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
শাপলা বিলের কাছাকাছি কোনো রেস্তোরাঁ নেই তাই প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ডিবির হাওর কীভাবে যাবেন?
ডিবির হাওরের লাল শাপলা ফুল প্রায়ই সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে দেখতে পাওয়া যায়। নভেম্বর মাস সবচেয়ে ভাল সময়। আর শাপলার রুপ দেখতে হলে সূর্যের আলো ফোটার আগে পৌঁছাতে হবে। খুব ভোরে হাজার হাজার শাপলা বিলের জলে নিজেদের মেলে ধরে আপন সৌন্দর্য্যের ঝলকানিতে।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
তামাবিল জৈন্তাপুর রোডে বেশ কিছু রিসোর্ট গড়ে উঠেছে, চাইলে সেইসব রিসোর্টে থাকতে পারবেন অথবা থাকার জন্য সিলেটে ফিরে আসতে পারেন। সিলেট শহরে প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী নানা ধরনের হোটেল পাওয়া যায়। সিলেটে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি। এছা
ডিবির হাওর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ডিবির হাওর (Dibir Haor) সিলেটের জৈন্তাপুরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত ঘেঁষা পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেট : কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন এবং কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন দিনের নানা সময়ে সিলেট অভিমুখে যাত্রা করে। শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনে টিকেটের ভাড়া জনপ্রতি ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ ট
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

