ঢাকা থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার, কিন্তু পানাম নগরের প্রাচীন ইট আর পোড়ামাটির রঙের মাঝে এসে মনে হয় কয়েকশো বছর পিছিয়ে গেছি। সোনারগাঁওয়ে ঐতিহ্য দেখার ফাঁকে একটা ভালো রিসোর্টে রাত কাটানো বা ডে-আউট করতে চাইলে সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্ট হতে পারে সেরা বেস।
- অবস্থান: খাস নগর দিঘীরপাড়, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
- দূরত্ব: ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ২৬ কিমি
- কাছের আকর্ষণ: সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর, পানাম নগর
- যোগাযোগ: সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ
- সেরা সময়: অক্টোবর–ফেব্রুয়ারি
সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে কী পাবেন
সোনারগাঁও এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও শান্ত পরিবেশের মাঝে গড়া এই রিসোর্টে আছে সুইমিং পুল, কনফারেন্স হল, রেস্টুরেন্ট এবং সুসজ্জিত কক্ষ। রিসোর্ট থেকে সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর, পানাম নগর ও মেঘনা ঘাট খুব কাছে — একদিনে সব কভার করা সম্ভব।
যারা সোনারগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো বিস্তারিত ঘুরে দেখতে চান এবং এক রাত থাকতে চান, তাদের জন্য এই রিসোর্ট আদর্শ বেসক্যাম্প।
পাশে কী কী দেখবেন
সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরে বাংলাদেশের গ্রামীণ শিল্পকলার বিশাল সংগ্রহ। পাশেই ঐতিহাসিক পানাম নগর — মধ্যযুগের বণিক নগরীর ধ্বংসাবশেষ যেখানে ৫২টি পুরোনো ভবন এখনো দাঁড়িয়ে। মেঘনা নদীর ঘাটে সূর্যাস্ত দেখা সোনারগাঁওয়ের আরেকটি অনন্য অভিজ্ঞতা।
কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান থেকে সোনারগাঁওগামী যেকোনো বাসে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড নামুন।
মোগড়াপাড়া থেকে সিএনজি বা অটোরিকশায় সরাসরি সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্ট।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া মোড় থেকে সোনারগাঁওয়ের দিকে।
সোনারগাঁওয়ে সকালে যান — পানাম নগর ও লোকশিল্প জাদুঘর দুটোই সকালে ভিড় কম থাকে, আলোও সুন্দর। দুপুরে রিসোর্টে ফিরে বিশ্রাম নিন।
সস্তায় ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao-তে সার্চ করুন — multi-city route-এ আরও বেশি সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে কি আগে থেকে বুকিং দিতে হয়?
ছুটির দিনে যেতে চাইলে আগে থেকে বুকিং দেওয়া ভালো। সরাসরি রিসোর্টে যোগাযোগ করুন।
পানাম নগর ও লোকশিল্প জাদুঘর কি রিসোর্টের কাছে?
হ্যাঁ, সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্ট থেকে পানাম নগর ও লোকশিল্প জাদুঘর খুব কাছে — সিএনজি বা রিকশায় কয়েক মিনিট।
সোনারগাঁও থেকে কি ঢাকায় দিনে ফেরা যায়?
হ্যাঁ, ঢাকা থেকে কাছে হওয়ায় সহজেই দিনে গিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসা যায়।
