বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিলের নাম চলন বিল (Chalan Beel)। কাছিকাটা থেকে চাচকৈর বাজার হয়ে খুবজীপুর গ্রামে আসতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

চলন বিল সম্পর্কে
একসময় চলন বিলের মোট আয়তন ছিল ৫০০ বর্গমাইল বা প্রায় ১৪২৪ বর্গকিলোমিটার। যদিও ট্রেনে গেলে সহজে চলন বিলের সিরাজগঞ্জ অংশে যেতে পারবেন। আর হাতে সময় থাকলে চলন বিল জাদুঘর ঘুরে জেনে নিতে পারেন চলন বিলের অজানা বিষয়াদি।
তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ খাওয়ার এই সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। খুবজীপুর গ্রাম থেকে নাটোর অংশের চলন বিলের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালভাবে উপভোগ করা যায়। নিজের পছন্দ মত যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন।
মাছে সমৃদ্ধ চলন বিলে আছে চিতল, মাগুর, কৈ, শিং, বোয়াল, টাকি, শোল, মৃগেল, চিংড়ি, টেংরা, কালিবাউশ, রিটা, মৌসি, গজার, বৌ, সরপুটি, পুঁটি, গুজা, গাগর, বাঘাইর কাঁটা, তিতপুটি সহ নানা প্রজাতির মাছ। নাটোর কোথায় থাকবেননাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছের সুনাম ছড়িয়ে আছে।
এসি/নন-এসি এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ১৪০০ টাকা। নাটোর, সিরাজগঞ্জ এবং পাবনা জেলাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট বহুগুলো বিলের সমষ্টি এই চলন বিল। চলন বিলের বুকে মিশে গেছে করতোয়া, আত্রাই, গুড়, বড়াল, মরা বড়াল, তুলসী, ভাদাই সহ বেশ কয়েকটি নদী।
ঢাকার থেকে ন্যাশনাল ট্রাভেল, গ্রামীণ ট্রভেলস দেশ ট্র্যাভেল, এভারগ্রীন ট্রান্সপোর্ট, একতা ট্রান্সপোর্ট, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও শ্যামলী পরিবহণের বাস নিয়মিত যাতায়াত করে। আর তখন প্রায় ৩৬৮ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জলে একাকার হয়ে যায়।
চলন বিল কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা হতে চলন বিল যেতে হলে রাজশাহীগামী বাসে চড়ে নাটোরের কাছিকাটা নামক জায়গাে নামলে সবচেয়ে সুবিধা হবে। আর ঢাকা হতে ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে ধুমকেতু এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনে নামুন। বর্ষাকাল ছাড়াও প্রায় সারাবছরই চলন বিলের বুকে নৌকায় ভেসে বেড়াতে কিংবা বিলের বৈচিত্রপূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে অসংখ্য দর্শনার্থী ছুটে আসেন।
শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন থেকে কেবল ৮ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা শহর। শুধুকেবল ভরা বর্ষায় চলন বিলের প্রকৃত রূপ ধরা পড়ে। নাটোরের কাছিকাটা থেকে চলন বিলের দূরত্ব প্রায় ১৩ কিলোমিটার।
চলন বিলের সাথে ছোট ছোট অসংখ্য বিল খালের মাধ্যমে এসে যুক্ত হয়েছে। নাটোরে কি খাবেনউদরপূর্তির জন্য নাটোরে বেশকিছু নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে সাথে করে নিয়েও আসতে পারেন।
হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ৩০০ থেকে ৪০০ ও ডাবল কেবিন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। বর্ষায় দ্বীপের মত ভাসমান সবুজ গ্রাম, শীতে অতিথি পাখির কলরব, সুনীল আকাশ এবং শরতে বিলের পাড় ধরে ফোটে থাকা কাশবনের সৌন্দর্য আগত ভ্রমণকারীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। যদিও এখন চলন বিলের আয়তন কমে ১১৫০ বর্গ কিলেমিটারে পরিণত হয়েছে।
পিপরূল, লারোর, ডাঙাপাড়া, তাজপুর, নিয়ালা, মাঝগাঁও, চোনমোহন, শাতাইল, দারিকুশি, গজনা, বড়বিল, সোনাপাতিলা এবং ঘুঘুদহ তেমনি কিছু বিলের নাম। নাটোরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গানাটোর (Natore) জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা গুলো হলো, উত্তরা গণভবন, দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি, হালতি বিল, লালপুরের পদ্মার চর, বুধপাড়া কালীমন্দির ও ধরাইল জমিদার বাড়ি।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা হতে চলন বিল যেতে হলে রাজশাহীগামী বাসে চড়ে নাটোরের কাছিকাটা নামক জায়গাে নামলে সবচেয়ে সুবিধা হবে।
কাছিকাটা থেকে চাচকৈর বাজার হয়ে খুবজীপুর গ্রামে আসতে পারবেন।
ঢাকার থেকে ন্যাশনাল ট্রাভেল, গ্রামীণ ট্রভেলস দেশ ট্র্যাভেল, এভারগ্রীন ট্রান্সপোর্ট, একতা ট্রান্সপোর্ট, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও শ্যামলী পরিবহণের বাস নিয়মিত যাতায়াত করে।
আর ঢাকা হতে ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে ধুমকেতু এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনে নামুন।
নাটোরের কাছিকাটা থেকে চলন বিলের দূরত্ব প্রায় ১৩ কিলোমিটার।
খুবজীপুর গ্রাম থেকে নাটোর অংশের চলন বিলের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালভাবে উপভোগ করা যায়।
কোথায় থাকবেন?
নাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ৩০০ থেকে ৪০০ ও ডাবল কেবিন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
উদরপূর্তির জন্য নাটোরে বেশকিছু নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। নিজের পছন্দ মত যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন। তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ খাওয়ার এই সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছের সুনাম ছড়িয়ে আছে। সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে সাথে করে নিয়েও আসতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চলন বিল কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা হতে চলন বিল যেতে হলে রাজশাহীগামী বাসে চড়ে নাটোরের কাছিকাটা নামক জায়গাে নামলে সবচেয়ে সুবিধা হবে। কাছিকাটা থেকে চাচকৈর বাজার হয়ে খুবজীপুর গ্রামে আসতে পারবেন। ঢাকার থেকে ন্যাশনাল ট্রাভেল, গ্রামীণ ট্রভেলস দেশ ট্র্যাভেল, এভারগ্রীন ট্রান্সপোর্ট, একতা ট্রান্সপোর্ট, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও শ্যামল
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ৩০০ থেকে ৪০০ ও ডাবল কেবিন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
চলন বিল সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিলের নাম চলন বিল (Chalan Beel)। কাছিকাটা থেকে চাচকৈর বাজার হয়ে খুবজীপুর গ্রামে আসতে পারবেন। একসময় চলন বিলের মোট আয়তন ছিল ৫০০ বর্গমাইল বা প্রায় ১৪২৪ বর্গকিলোমিটার।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
