নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার বুধপাড়ায় প্রায় ৫৩০ বছরের পুরনো বুধপাড়া কালীমন্দির (Budhapara Sree Sree Kalimata Mondir) রয়েছে। আর পূজা উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় থাকে সকল শ্রেণী পেশা ধর্ম নির্বিশেষে নানা বয়সের ভ্রমণকারীদের আনাগোনা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

বুধপাড়া কালীমন্দির সম্পর্কে
নানা পূজা পার্বণ ছাড়াও সারাবছর দেশের নানা প্রান্ত থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বুধপাড়া কালীমন্দির দর্শনে আসেন। বাসভেদে এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৬০০-৭০০ টাকা। বনপাড়া মোড় হতে বুধপাড়া কালীমন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
হোটেল ভি.আই.পি ও হোটেল রুখসানায় সিংগেল কিংবা ডাবল কেবিনের ভাড়া ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা। প্রতি বছর কার্তিক মাসে এই মন্দিরে মহাধুমধামে কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। কোথায় খাবেননাটোরের নানা মানের খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন।
কম খরচে খাওয়ার জন্য ইসলামিয়া পঁচুর হোটেল ও রেলস্টেশনের কাছে নয়ন হোটেলের খাবারের বেশ সুনাম রয়েছে। বর্গীদের অন্যায় অত্যাচার থেকে বাঁচতে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের খাগড়া থেকে ৬০ ঘর কংস বণিক নাটোরের বুধপাড়ায় এসে বসতি স্থাপন করে। বাংলা ১৩৩২ সনে খড়ের তৈরি মন্দিরটিকে পাকা দালানে রুপান্তরিত করা হয়।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী-বাঘা রুটে চলাচলকারী বাসে বাঘা নামক জায়গাে নেমে সেখান থেকে সিএনজি নিয়ে লালপুর পৌঁছানো যায়। তাছাড়া ঢাকা হতে রাজশাহী, নাটোর কিংবা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাসে বনপাড়া বাইপাস মোড়ে নেমে সেখান থেকে জায়গাীয় বাস বা সিএনজি চড়ে সহজে বুধপাড়া কালীমন্দির পৌঁছানো যায়। সেসময় তারা কালীপূজায় অর্চনার জন্য খড়ের ঘরের একটা মন্দির তৈরি করেন।
ততীতে মন্দিরের নামে ১৫০ বিঘার অধিক জমি থাকলে এখন শুধু কালী মন্দির ও গোবিন্দ মন্দির চত্বর মিলিয়ে সর্বমোট ৮ বিঘা জমির অস্তিত্ব আছে। ফলে পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই মন্দিরের রয়েছে ইতিহাস-সমৃদ্ধ গুরুত্ব। আর নবাব আলিবর্দি খানের আমলে বর্গীয় হাঙ্গামা শুরু হয়।
তাছাড়া নাটোর ভ্রমনকালে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছ খাওয়ার সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। কোথায় থাকবেননাটোরে মোটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। তাছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন সার্কিট হাউস নাটোর, নাটোর সদর ডাক বাংলো, হোটেল প্রিন্স, নাটোর বোর্ডিং, হোটেল রাজ কিংবা হোটেল মিল্লাতে।
যা এখন বুধপাড়া কালীমন্দির হিসেবে পরিচিত। মন্দির স্থাপনের সময়কালে এই উপমহাদেশে নবাবী আমল চলছিল। সেই সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে নিয়েও আসতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী-বাঘা রুটে চলাচলকারী বাসে বাঘা নামক জায়গাে নেমে সেখান থেকে সিএনজি নিয়ে লালপুর পৌঁছানো যায়।
তাছাড়া ঢাকা হতে রাজশাহী, নাটোর কিংবা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাসে বনপাড়া বাইপাস মোড়ে নেমে সেখান থেকে জায়গাীয় বাস বা সিএনজি চড়ে সহজে বুধপাড়া কালীমন্দির পৌঁছানো যায়।
বাসভেদে এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৬০০-৭০০ টাকা।
বনপাড়া মোড় হতে বুধপাড়া কালীমন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন?
নাটোরে মোটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি ও হোটেল রুখসানায় সিংগেল কিংবা ডাবল কেবিনের ভাড়া ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা। তাছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন সার্কিট হাউস নাটোর, নাটোর সদর ডাক বাংলো, হোটেল প্রিন্স, নাটোর বোর্ডিং, হোটেল রাজ কিংবা হোটেল মিল্লাতে।
কোথায় খাবেন?
নাটোরের নানা মানের খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। তাছাড়া নাটোর ভ্রমনকালে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছ খাওয়ার সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। কম খরচে খাওয়ার জন্য ইসলামিয়া পঁচুর হোটেল ও রেলস্টেশনের কাছে নয়ন হোটেলের খাবারের বেশ সুনাম রয়েছে। সেই সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে নিয়েও আসতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বুধপাড়া কালীমন্দির কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী-বাঘা রুটে চলাচলকারী বাসে বাঘা নামক জায়গাে নেমে সেখান থেকে সিএনজি নিয়ে লালপুর পৌঁছানো যায়। তাছাড়া ঢাকা হতে রাজশাহী, নাটোর কিংবা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাসে বনপাড়া বাইপাস মোড়ে নেমে সেখান থেকে জায়গাীয় বাস বা সিএনজি চড়ে সহজে বুধপাড়া কালীমন্দির পৌঁছানো যায়। বাসভেদে এসব বা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নাটোরে মোটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি ও হোটেল রুখসানায় সিংগেল কিংবা ডাবল কেবিনের ভাড়া ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা। তাছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন সার্কিট হাউস নাটোর, নাটোর সদর ডাক বাংলো, হোটেল প্রিন্স, নাটোর বোর্ডিং, হোটেল রাজ কিংবা হোটেল মিল্লাতে।
বুধপাড়া কালীমন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার বুধপাড়ায় প্রায় ৫৩০ বছরের পুরনো বুধপাড়া কালীমন্দির (Budhapara Sree Sree Kalimata Mondir) রয়েছে। আর পূজা উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় থাকে সকল শ্রেণী পেশা ধর্ম নির্বিশেষে নানা বয়সের ভ্রমণকারীদের আনাগোনা। নানা পূজা পার্বণ ছাড়াও সারাবছর দেশের নানা প্রান্ত থেকে হিন্দু ধর্মাবলম
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
