নাটোরের সুপরিচিত বনলতা সেনের মতোই নাটোরের কাঁচাগোল্লা একটা ঐতিহ্যবাহী খাবার। মনে করা হয় ১৭৫৭ সালের পর থেকে কাঁচাগোল্লা পরিচিততা লাভ করে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

নাটোরের কাঁচাগোল্লা সম্পর্কে
কোথায় থাকবেননাটোরের মাদ্রাসা মোড় ও রেলওয়ে ষ্টেশন অঞ্চলয় হোটেল ভিআইপি, হোটেল মিল্লাত, হোটেল প্রিন্স, হোটেল রাজ, হোটেল রুখসানা ও নাটোর বোর্ডিং প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। একদিন দোকানে মিষ্টির কারিগর না আসায় আগের রাতে তৈরি করা দেড় থেকে দুই মন ছানা নিয়ে মধুসূদন চিন্তায় পড়ে গেলেন। রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস নাটোরে পৌঁছানো যায়।
তারপর বহু ভেবে নতুন এই মিষ্টির নামকরণ করা হয় কাঁচাগোল্লা। দেশের ১৭তম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা। মিষ্টির স্বাদে রানীও অভিভূত হয়ে ধন্য ধন্য করতে লাগলেন।
যদিও এখন এক কেজি নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। দুধের ছানা ও চিনি কাঁচাগোল্লা তৈরির প্রধান উপাদান। ভয়ে ভয়ে রানীর জন্য নতুন এই মিষ্টি নিয়ে গেলেন।
সেই সময় জমিদারদের মিষ্টি মুখ করার জন্য নাটোরের কাঁচাগোল্লা ব্যবহৃত হত। আর মিষ্টি বানানোর জন্য আগের দিন রাতেই ছানা তৈরি করে রাখা হত। বাসভেদে ভাড়া ৫৯০ থেকে ১৩০০ টাকা।
এখন কাঁচাগোল্লা বিক্রিতে মৌচাক মিষ্টান্ন ভাণ্ডার বহু পরিচিততা লাভ করেছে। কাঁচাগোল্লার স্বাদ রসগোল্লা, পানতোয়া এমনকি সন্দেশের স্বাদকেও হার মানায়। নষ্টের হাত থেকে ছানাগুলো রক্ষার জন্য তিনি কাঁচা ছানার মধ্যে চিনির রস ঢেলে জ্বাল দিয়ে নামিয়ে রাখলেন।
নাটোর সদর থেকে বাস বা অটোরিক্সা নিয়ে লাল বাজার বা ষ্টেশন বাজারের ভিতরের দোকান থেকে নাটোরের আসল কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিতে পারবেন। ভোজন রসিক বাঙ্গালীরা ভুরিভোজ কিংবা অতিথি আপ্যায়নের পর মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন। পরবর্তীতে এই চিনি মিশানো ছানা মুখে দিয়ে চমৎকার স্বাদের উপলব্ধি করেন।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪২০ থেকে ১,৪৯৯ টাকা। ঢাকার কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, দেশ ট্রাভেলস, গ্রামীণ, তুহিন-এলিট পরিবহণে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু-সিরাজগঞ্জ রুটে নাটোর পৌঁছানো যায়। অতীতে প্রতি সের কাঁচাগোল্লার দাম ছিল ৩ আনা।
জনশ্রুতি আছে, রাণী ভবনীর রাজত্বকালে রানীকে নাটোরের লালবাজারের মধুসূদন পাল নামের এক মিষ্টি বিক্রেতা নিয়মিত মিষ্টি সরবরাহ করতেন। যদিও এই মিষ্টান্নটির নাম কাঁচাগোল্লা হলেও এটি দেখতে মোটেও কাঁচা কিংবা গোলাকার নয়। রাজশাহী গেজেট ও কোলকাতার নানা পত্র পত্রিকায় নাটোরের কাঁচাগোল্লা নিয়ে নানা ফিচার ছাপা হত।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে নাটোর সড়ক ও রেলপথে পৌঁছানো যায়। তাছাড়া নীচা বাজারের কুণ্ডু মিষ্টান্ন ভান্ডার, অনুকূল দধি ও মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, ষ্টেশন বাজারের নয়ন ও সকাল সন্ধ্যা, বনলতা মিষ্টান্ন ভান্ডার, দাবপট্টি মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং ষ্টেশন বাজার রেলগেটের জগন্নাথ মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকেও ভালমানের কাঁচাগোল্লা কিনতে পারবেন। আর সেই দিক থেকে নাটোরের কাঁচাগোল্লার (Natorer Kachagolla) রয়েছে আন্তর্জাতিক পরিচিতি।
এমনকি সুদূর বিলেতের রাজপরিবার এবং ভারতবর্ষে কাঁচাগোল্লা নিয়ে যাওয়া হত। যদিও নাটোরের কিছু উল্লেখযোগ্য দোকান ছাড়া কাঁচাগোল্লা না কেনাই ভালো। নাটোর শহরের কালীবাড়ি নামক আবাসিক অঞ্চলর ভিতরের মন্দিরের সামনের জরাজীর্ণ দোকানটিই নাটোরের সেরা কাঁচাগোল্লার দোকান।
১৭৬০ সালে রাণী ভবানীর রাজত্বকালে কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। কোথায় পাওয়া যায়?নাটোর জেলার সর্বত্র কাঁচাগোল্লা পাওয়ার সুযোগ আছে। নাটোরের কাঁচাগোল্লার ইতিহাসস্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই মিষ্টান্নটির ইতিহাস প্রায় আড়াইশ বছরের পুরনো।
নাটোর জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গানাটোরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে চলনবিল জাদুঘর, চলন বিল, রানী ভবানীর রাজবাড়ী, শহীদ সাগর ও উত্তরা গনভবণ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে নাটোর সড়ক ও রেলপথে পৌঁছানো যায়।
রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস নাটোরে পৌঁছানো যায়।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪২০ থেকে ১,৪৯৯ টাকা।
ঢাকার কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, দেশ ট্রাভেলস, গ্রামীণ, তুহিন-এলিট পরিবহণে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু-সিরাজগঞ্জ রুটে নাটোর পৌঁছানো যায়।
বাসভেদে ভাড়া ৫৯০ থেকে ১৩০০ টাকা।
নাটোর সদর থেকে বাস বা অটোরিক্সা নিয়ে লাল বাজার বা ষ্টেশন বাজারের ভিতরের দোকান থেকে নাটোরের আসল কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
নাটোরের মাদ্রাসা মোড় ও রেলওয়ে ষ্টেশন অঞ্চলয় হোটেল ভিআইপি, হোটেল মিল্লাত, হোটেল প্রিন্স, হোটেল রাজ, হোটেল রুখসানা ও নাটোর বোর্ডিং প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নাটোরের কাঁচাগোল্লা কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে নাটোর সড়ক ও রেলপথে পৌঁছানো যায়। রেলপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস নাটোরে পৌঁছানো যায়। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪২০ থেকে ১,৪৯৯ টাকা। ঢাকার কল্যা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নাটোরের মাদ্রাসা মোড় ও রেলওয়ে ষ্টেশন অঞ্চলয় হোটেল ভিআইপি, হোটেল মিল্লাত, হোটেল প্রিন্স, হোটেল রাজ, হোটেল রুখসানা ও নাটোর বোর্ডিং প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
নাটোরের কাঁচাগোল্লা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নাটোরের সুপরিচিত বনলতা সেনের মতোই নাটোরের কাঁচাগোল্লা একটা ঐতিহ্যবাহী খাবার। মনে করা হয় ১৭৫৭ সালের পর থেকে কাঁচাগোল্লা পরিচিততা লাভ করে। কোথায় থাকবেননাটোরের মাদ্রাসা মোড় ও রেলওয়ে ষ্টেশন অঞ্চলয় হোটেল ভিআইপি, হোটেল মিল্লাত, হোটেল প্রিন্স, হোটেল রাজ, হোটেল রুখসানা ও নাটোর বোর্ডিং প্রভৃতি আবাসিক হো
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

