বাগেরহাট জেলা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে রণবিজয়পুর গ্রামে এক গম্বুজ বিশিষ্ট রণবিজয়পুর মসজিদ (Ronobijoypur Masjid) রয়েছে। ফুলের নকশাকৃত ৩টি মেহরাবের মধ্যে মাঝখানের প্রধান মেহরাবটি অপেক্ষাকৃত বড়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

রণবিজয়পুর মসজিদ সম্পর্কে
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন। ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে কেবল দেড় কিলোমিটার দূরে পূর্ব দিকে রণবিজয়পুর মসজিদের অবজায়গা। বাংলাদেশের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ এই মসজিদটি জায়গাীয়দের কাছে দরিয়া খাঁ’র মসজিদ হিসেবেও পরিচিত।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে। মসজিদের পশ্চিম দিকে ৩টি মেহরাব আর বাকি তিন দিকের দেয়ালে ৩টি করে দরজা বিদ্যমান। কোথায় থাকবেনবাগেরহাটে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট ছাড়াও নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাছাড়া মসজিদের দেয়ালের পোড়ামাটির অলংকরণ বিশেষত লক্ষণীয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বাসে ও ট্রেনে বাগেরহাট জেলায় যেতে পারবেন। ১৯৬১ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রণবিজয়পুর মসজিদটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে। ধারণা করা হয়, ১৪৫৯ সালে হযরত খান জাহান আলীর আমলে হযরত খান জাহান আলীর সহচর দরিয়া খাঁ রণবিজয়পুর মসজিদ নির্মাণ করেন।
রাজধানীর গুলিজায়গা কিংবা সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন। পুরু ইটের দেয়াল বিশিষ্ট রণবিজয়পুর মসজিদের বাইরের দিকে আয়তন ৫৬ বর্গফুট ও ভেতরের দিকে আয়তন ৩৬ বর্গফুট এবং মসজিদের প্রাচীর প্রায় ১০ ফুট চওড়া। বাগেরহাটের পরিচিত খাবারের মধ্যে নারিকেল চিংড়ি অন্যতম।
বক্রাকার কার্নিশযুক্ত মসজিদের চারকোণায় খান জাহানী স্থাপত্যে নির্মিত গোলাকার ৪টি মিনার রয়েছে। বাগেরহাট জেলায় পৌঁছে অটোরিকশা ভাড়া করে রণবিজয়পুর মসজিদ দর্শন করতে যেতে পারবেন। আবার, বাগেরহাটের খুলনা মহাসড়ক হয়ে খান জাহান আলীর মাজারের প্রধান গেটের বিপরীতে রণবিজয় সড়ক ধরে মিনিট দশেক হেটে মসজিদে পৌঁছানো যায়।
রণবিজয়পুর মসজিদের এককেবল গম্বুজটিও দেখতে বেশ দর্শনীয়। কোথায় খাবেনবাগেরহাট শহরে রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মত বেশকিছু ভালমানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় জায়গাবাগেরহাট জেলার দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার ও মোংলা বন্দর উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাসে ও ট্রেনে বাগেরহাট জেলায় যেতে পারবেন।
রাজধানীর গুলিজায়গা কিংবা সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
বাগেরহাট জেলায় পৌঁছে অটোরিকশা ভাড়া করে রণবিজয়পুর মসজিদ দর্শন করতে যেতে পারবেন।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।
আবার, বাগেরহাটের খুলনা মহাসড়ক হয়ে খান জাহান আলীর মাজারের প্রধান গেটের বিপরীতে রণবিজয় সড়ক ধরে মিনিট দশেক হেটে মসজিদে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাটে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট ছাড়াও নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
বাগেরহাট শহরে রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মত বেশকিছু ভালমানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। বাগেরহাটের পরিচিত খাবারের মধ্যে নারিকেল চিংড়ি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রণবিজয়পুর মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাসে ও ট্রেনে বাগেরহাট জেলায় যেতে পারবেন। রাজধানীর গুলিজায়গা কিংবা সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন এর মতো বাসে ঢাকা থেকে বাগেরহাট যেতে পারবেন। তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাটে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্ট ছাড়াও নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক, হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
রণবিজয়পুর মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাগেরহাট জেলা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে রণবিজয়পুর গ্রামে এক গম্বুজ বিশিষ্ট রণবিজয়পুর মসজিদ (Ronobijoypur Masjid) রয়েছে। ফুলের নকশাকৃত ৩টি মেহরাবের মধ্যে মাঝখানের প্রধান মেহরাবটি অপেক্ষাকৃত বড়। তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
