bangladesh · Editorial

কোদলা মঠ

বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের অযোধ্যা গ্রামে সপ্তদশ শতাব্দীর এক অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন কোদলা মঠ (Kodla Math) রয়েছে। জায়গাীয় বহুের কাছে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের অযোধ্যা গ্রামে সপ্তদশ শতাব্দীর এক অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন কোদলা মঠ (Kodla Math) রয়েছে। আর মঠের বাইরের দিকে পাঁচ কুলুঙ্গি বিশিষ্ট অসংখ্যভূজাকৃতি দেয়াল এবং পোড়ামাটির নয়ানভিরাম কারুকার্যময় অলংকরণ কোদলা মঠের সর্বাধিক দর্শনীয় দিক।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

কোদলা মঠ

কোদলা মঠ সম্পর্কে

কোথায় থাকবেনবাগেরহাট শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজের মধ্যে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ, চমৎকারবন রিসোর্ট, মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। কোথায় কি খাবেনবাগেরহাটের জায়গাীয় খাবারের মধ্যে নারিকেল চিংড়ি সর্বাধিক পরিচিত। নান্দ্যনিক কারুকার্যমণ্ডিত এই মঠে উড়িষ্যা এলাকাে খ্রীস্ট্রীয় ষোড়শ শতাব্দীর দিকে “রেখা” নমুনার পদ্ধতিতে নির্মিত মন্দিরগুলোর প্রভাব রয়েছে।

যদিও দক্ষিণ দিকের প্রধান প্রবেশ দ্বারে রয়েছে পোড়া মাটির দর্শনীয় নকশা লক্ষ করার সুযোগ রয়েছে। বাগেরহাট জেলা হতে কোদলা মঠের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে বাগেরহাট যেতে পারবেন। অন্য সূত্র মতে, যশোরের বারো ভুঁইয়াদের অন্যতম রাজা প্রতাপাদিত্যের উদ্যোগে তাঁর গুরু অবিলম্বা সরস্বতীর স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে কোদলা মঠটি নির্মাণ করা হয়। জায়গাীয় বহুের কাছে মঠটি অযোধ্যার মঠ হিসেবেও পরিচিত।

মূলত বাগেরহাটের রাজা প্রতাপাদিত্যের স্মৃতি এবং বাংলার সমৃদ্ধ হিন্দু ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশিল্পের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে এই মঠের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। আর ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, চিত্রা, রূপসা বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।

কোদলা মঠের স্থাপত্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ও স্বতন্দ্র। এখন প্রাচীন এই মঠটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে। ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাস পদ্মা সেতু হয়ে বাগেরহাটের পথে চলাচল করে।

বাগেরহাট বাস স্ট্যান্ড থেকে রিকশা নিয়ে যাত্রাপুর বাজারে নেমে প্রাচীন ভৈরব নদীর পূর্ব দিকে আরও ৩ কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই অসাধারণ চমৎকার এই মঠ দেখার সুযোগ পাবেন। মঠের উত্তরের দিকের দেয়াল ব্যতীত অন্য তিনদিকে তিনটি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। চারকোণা ভিতের উপর শিখর বা রেখা ধাঁচে নির্মিত পিরামিডাকৃতির স্থাপত্য ভারতীয় এলাকাে নাগারা স্টাইল হিসেবে পরিচিত।

কোদলা মঠ থেকে প্রাপ্ত খণ্ডলিপি অনুসারে, তারক ব্রহ্মের অনুগ্রহ লাভের আশায় জনৈক ব্রাহ্মণ এই মঠটি নির্মাণ করেছিলেন। চিকন ইটের প্রাচীরের এই মঠের ভূমি থেকে উচ্চতা ১৮.২৯ মিটার, ও ভেতরের প্রত্যেকটি বর্গাকার দেয়ালের দৈর্ঘ্য ২.৬১ মিটার। তাছাড়া শহরে রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মত বেশকিছু ভালমানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে বাগেরহাট যেতে পারবেন।

আর ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, চিত্রা, রূপসা বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।

ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল্গুনী পরিবহন, সাকুরা পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাস পদ্মা সেতু হয়ে বাগেরহাটের পথে চলাচল করে।

বাগেরহাট জেলা হতে কোদলা মঠের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

বাগেরহাট বাস স্ট্যান্ড থেকে রিকশা নিয়ে যাত্রাপুর বাজারে নেমে প্রাচীন ভৈরব নদীর পূর্ব দিকে আরও ৩ কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই অসাধারণ চমৎকার এই মঠ দেখার সুযোগ পাবেন।

কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাট শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজের মধ্যে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ, চমৎকারবন রিসোর্ট, মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

বাগেরহাটের জায়গাীয় খাবারের মধ্যে নারিকেল চিংড়ি সর্বাধিক পরিচিত। তাছাড়া শহরে রাধুনি হোটেল ও ধানসিঁড়ি হোটেলের মত বেশকিছু ভালমানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কোদলা মঠ কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে বাগেরহাট যেতে পারবেন। আর ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, চিত্রা, রূপসা বা চমৎকারবন এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন। ঢাকার গুলিজায়গা ও সায়েদাবাদ থেকে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, ফাল

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাট শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজের মধ্যে সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ত্ব গেস্ট হাউজ, চমৎকারবন রিসোর্ট, মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

কোদলা মঠ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের অযোধ্যা গ্রামে সপ্তদশ শতাব্দীর এক অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন কোদলা মঠ (Kodla Math) রয়েছে। আর মঠের বাইরের দিকে পাঁচ কুলুঙ্গি বিশিষ্ট অসংখ্যভূজাকৃতি দেয়াল এবং পোড়ামাটির নয়ানভিরাম কারুকার্যময় অলংকরণ কোদলা মঠের সর্বাধিক দর্শনীয় দিক। কোথায় থাকবেনবাগেরহাট শহরে

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.